ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

খুলনায় সিটি নির্বাচনে হাইকোর্টে বিএনপির রিট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তারের অভিযোগ এনে এটা আইনসম্মত নয় দাবি করে হাইকোর্ট রিট করেছে বিএনপি।

রবিবার বিকালে রাজধানীর গুলশান চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। তিনি আশা করছেন মঙ্গলবার ভোটের আগের দিন সোমবার এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

মওদুদ বলেন, ‘আজকে দুপুর ২ টায় আমরা আদালতে বিশেষ অনুমতি চেয়েছি। আমরা একটি রিট আবেদন করেছি। আদালত আমাদের অনুমতি দিয়েছেন। আগামীকাল সকালে এই রিটের শুনানি হবে।’

গত ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর পর থেকেই খুলনায় বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রচারে বাধার অভিযোগ আনেন। রবিবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেড়শ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ আনেন। অবশ্য দুই দিন আগের সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জু গ্রেপ্তারের যে সংখ্যার কথা জানিয়েছিলেন, তাতে মহানগরের চেয়ে জেলার নেতা-কর্মীদের সংখ্যা বেশি বলে জানান।

খুলনায় পুলিশ জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া তারা কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। যাদেরকে ধরা হয়েছে তারা সবাই বিভিন্ন মামলার আসামি।

২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলন চলাকালে বিএনপির বহু নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা হয়েছি। মূলত এসব মামলায় যাদের নাম আছে, তাদেরকেই ধরা হচ্ছে।

মঞ্জুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক অবশ্য বিএনপির এই দাবিতে অপপ্রচার বলেছেন। তিনি বলেন, মঞ্জু মহাসমারোহে প্রচার চালাচ্ছেন।

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘খুলনায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের যেভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তা আইনসম্মত নয়। এটা সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী।’

‘রায়কে অমান্য করে এটা করা হচ্ছে। রায়ে যেটা বলা আছে, সেটা তারা মানছেন না। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা এই রিট করেছি।”

মওদুদ বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর অত্যাচার, নির্যাতন চলছে এবং অব্যাহতভাবে গণ-গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বিশেষ করে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যেভাবে রাতে নেতাদের বাড়িতে গিয়ে হুঁমকি দিচ্ছে, আমাদের এজেন্ডদের ভয় দেখাচ্ছে এবং বাড়িতে তাদের থাকতে দিচ্ছে না।’

‘এই গ্রেপ্তার আমাদের দেশে আইনের পরিপন্থী এবং আমাদের সুপ্রিম কোর্টে একটি রায় আছে। সেই রায়ে বলা আছে যে, এ ধরনের গ্রেপ্তারে কোনটা সঠিক হবে আর কোনটা সঠিক হবে না, সেই বিষয়ে একটি গাইডলাইন দেয়া আছে। তার উপরে ভিত্তি করে কিন্তু আমরা একটি রিট ফাইল করেছিলাম।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

খুলনায় সিটি নির্বাচনে হাইকোর্টে বিএনপির রিট

আপডেট সময় ০৮:৫৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তারের অভিযোগ এনে এটা আইনসম্মত নয় দাবি করে হাইকোর্ট রিট করেছে বিএনপি।

রবিবার বিকালে রাজধানীর গুলশান চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। তিনি আশা করছেন মঙ্গলবার ভোটের আগের দিন সোমবার এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

মওদুদ বলেন, ‘আজকে দুপুর ২ টায় আমরা আদালতে বিশেষ অনুমতি চেয়েছি। আমরা একটি রিট আবেদন করেছি। আদালত আমাদের অনুমতি দিয়েছেন। আগামীকাল সকালে এই রিটের শুনানি হবে।’

গত ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর পর থেকেই খুলনায় বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রচারে বাধার অভিযোগ আনেন। রবিবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেড়শ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ আনেন। অবশ্য দুই দিন আগের সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জু গ্রেপ্তারের যে সংখ্যার কথা জানিয়েছিলেন, তাতে মহানগরের চেয়ে জেলার নেতা-কর্মীদের সংখ্যা বেশি বলে জানান।

খুলনায় পুলিশ জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া তারা কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। যাদেরকে ধরা হয়েছে তারা সবাই বিভিন্ন মামলার আসামি।

২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলন চলাকালে বিএনপির বহু নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা হয়েছি। মূলত এসব মামলায় যাদের নাম আছে, তাদেরকেই ধরা হচ্ছে।

মঞ্জুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক অবশ্য বিএনপির এই দাবিতে অপপ্রচার বলেছেন। তিনি বলেন, মঞ্জু মহাসমারোহে প্রচার চালাচ্ছেন।

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘খুলনায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের যেভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তা আইনসম্মত নয়। এটা সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী।’

‘রায়কে অমান্য করে এটা করা হচ্ছে। রায়ে যেটা বলা আছে, সেটা তারা মানছেন না। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা এই রিট করেছি।”

মওদুদ বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর অত্যাচার, নির্যাতন চলছে এবং অব্যাহতভাবে গণ-গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বিশেষ করে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যেভাবে রাতে নেতাদের বাড়িতে গিয়ে হুঁমকি দিচ্ছে, আমাদের এজেন্ডদের ভয় দেখাচ্ছে এবং বাড়িতে তাদের থাকতে দিচ্ছে না।’

‘এই গ্রেপ্তার আমাদের দেশে আইনের পরিপন্থী এবং আমাদের সুপ্রিম কোর্টে একটি রায় আছে। সেই রায়ে বলা আছে যে, এ ধরনের গ্রেপ্তারে কোনটা সঠিক হবে আর কোনটা সঠিক হবে না, সেই বিষয়ে একটি গাইডলাইন দেয়া আছে। তার উপরে ভিত্তি করে কিন্তু আমরা একটি রিট ফাইল করেছিলাম।’