ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

১৫ মে গাজীপুর সিটি নির্বাচন সম্ভব নয়: সিইসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলেও ১৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

বুধবার সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে সিইসি এ কথা বলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রির্টানিং কমর্র্কতার সাথে কথা বলেছি। তাদের সকলের বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে ১৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।

কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারসহ প্রায় সাড়ে ৮ হাজার নির্বানী কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন জেলা থেকে ম্যাজিস্ট্রেট, বিভিন্ন জেলা থেকে এনে প্রায় ১২ হাজার পুলিশ ফোর্স নিয়োগসহ কিছু কাজ সম্পন্ন করতে সময়ের প্রয়োজন হবে। তাই আপিলে আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলে নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে দেয়া হবে।

সিইসি বলেন, যদি বুধবারও (০ মে) আদালত নির্বাচন করার নির্দেশ দিত তাহলেও আগামী ১৫ মে ভোট গ্রহণ সম্ভব ছিল। কারণ ভোট গ্রহণের আগে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং প্রায় ১২ হাজার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা প্রয়োজন। কিন্তু স্বল্প সময়ে এতো জনবল মোতায়েন করা সম্ভব নয়। তবে আদালত যদি বৃহস্পতিবারও ১৫ মে ভোট গ্রহণের আদেশ দেন তবে আদালতের নির্দেশ মেনে এই সময়ে ভোট গ্রহণ আমাদের করতেই হবে।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোন আইনী জটিলতায় পড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটি নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, তাই সে নির্বাচন নিয়ে কোন জটিলতা হবে না।

গাজীপুর সিটি নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে প্রার্থী, বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়ের কর্মসূচী আগেই নির্ধারিত ছিল। আদালতের নির্দেশে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়ায় তিনি সে কর্মসূচী বাতিল করে দেন। তবে নির্ধারিত দিনে গত মঙ্গলবার রাতে তিনি গাজীপুরে আসেন। সার্কিট হাউজে রাত্রী যাপন করে সকালে জেলা নির্বাচন অফিস পরিদর্শন, সার্ভার স্টেশন, স্মার্ট কার্ড নিয়ে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কর্মসূচীতে অংশ নেন।

এসময় জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদ হাসান ও খন্দকার ইয়াসির আরেফিন, জেলা নির্বাচন তারিফুজ্জামানসহ জেলা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সিইসি গাজীপুর জেলা নির্বাচন অফিস পরির্দশন করেন। সেখানে বেশ কিছু সময় আলোচনা করে পরে তিনি গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

১৫ মে গাজীপুর সিটি নির্বাচন সম্ভব নয়: সিইসি

আপডেট সময় ০৪:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলেও ১৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

বুধবার সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে সিইসি এ কথা বলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রির্টানিং কমর্র্কতার সাথে কথা বলেছি। তাদের সকলের বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে ১৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।

কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারসহ প্রায় সাড়ে ৮ হাজার নির্বানী কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন জেলা থেকে ম্যাজিস্ট্রেট, বিভিন্ন জেলা থেকে এনে প্রায় ১২ হাজার পুলিশ ফোর্স নিয়োগসহ কিছু কাজ সম্পন্ন করতে সময়ের প্রয়োজন হবে। তাই আপিলে আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলে নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে দেয়া হবে।

সিইসি বলেন, যদি বুধবারও (০ মে) আদালত নির্বাচন করার নির্দেশ দিত তাহলেও আগামী ১৫ মে ভোট গ্রহণ সম্ভব ছিল। কারণ ভোট গ্রহণের আগে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং প্রায় ১২ হাজার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা প্রয়োজন। কিন্তু স্বল্প সময়ে এতো জনবল মোতায়েন করা সম্ভব নয়। তবে আদালত যদি বৃহস্পতিবারও ১৫ মে ভোট গ্রহণের আদেশ দেন তবে আদালতের নির্দেশ মেনে এই সময়ে ভোট গ্রহণ আমাদের করতেই হবে।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোন আইনী জটিলতায় পড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটি নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, তাই সে নির্বাচন নিয়ে কোন জটিলতা হবে না।

গাজীপুর সিটি নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে প্রার্থী, বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়ের কর্মসূচী আগেই নির্ধারিত ছিল। আদালতের নির্দেশে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়ায় তিনি সে কর্মসূচী বাতিল করে দেন। তবে নির্ধারিত দিনে গত মঙ্গলবার রাতে তিনি গাজীপুরে আসেন। সার্কিট হাউজে রাত্রী যাপন করে সকালে জেলা নির্বাচন অফিস পরিদর্শন, সার্ভার স্টেশন, স্মার্ট কার্ড নিয়ে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কর্মসূচীতে অংশ নেন।

এসময় জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদ হাসান ও খন্দকার ইয়াসির আরেফিন, জেলা নির্বাচন তারিফুজ্জামানসহ জেলা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সিইসি গাজীপুর জেলা নির্বাচন অফিস পরির্দশন করেন। সেখানে বেশ কিছু সময় আলোচনা করে পরে তিনি গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।