ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিমানে মোবাইল অফ করে রাখতে হয় কেন জানেন

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

এই প্রশ্নটা নিশ্চয় আপনাদের অনেকের মনেই এসেছে। তাই তো? অনেকের ধারণা মোবাইলের তরঙ্গ প্লেনের বৈদ্যুতিক এবং টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে। তার ফলে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এমনটা কিন্তু আসলে ঘটে না। বা ঘটলেও তেমন ঘটনা খুবই বিরল। তাহলে কী হতে পারে? যদি ফোন ফ্লাইট মোডে না থাকে তাহলে তা পাইলট এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের মধ্যে যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

অনেকটা ফোন স্পিকারে রেখে কথা বললে যেমন অস্পষ্ট শোনায় পাইলটও তেমন শুনবেন। বা ফোন এলে কাছাকাছি থাকা অডিও সিস্টেমে যেমন ‘বিট-বিট’ শব্দ হয়, পাইলটের সিস্টেমেও তা হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, তা শুধুমাত্র বিমানের ক্রিউ মেম্বারদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সাধারণত যাত্রীদের ফোন কখনই পাইলটের সমস্যা তৈরি করে না। এই ঝামেলা থেকে মুক্তির উপায়ও ইতিমধ্যে বের করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা।

বেশ কিছু ইন্টারন্যাশনাল বিমানে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে এড়ানো যাবে এই সম্ভাবনা। বিমানে থাকা অবস্থাতেই ক্রিউ মেম্বাররাও নিশ্চিন্তে ফোনে কথা বলতে পারবেন। তবে আদৌ মোবাইল ফোন কোনও সমস্যার সৃষ্টি করবে কি করবে না তা হাতেনাতে পরীক্ষা না করতে যাওয়াই ভাল। সতর্কতার কোনও তুলনা নেই। তাই নিয়ম মেনে ফোন ফ্লাইট মোডেই রাখুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বিমানে মোবাইল অফ করে রাখতে হয় কেন জানেন

আপডেট সময় ০২:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

এই প্রশ্নটা নিশ্চয় আপনাদের অনেকের মনেই এসেছে। তাই তো? অনেকের ধারণা মোবাইলের তরঙ্গ প্লেনের বৈদ্যুতিক এবং টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে। তার ফলে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এমনটা কিন্তু আসলে ঘটে না। বা ঘটলেও তেমন ঘটনা খুবই বিরল। তাহলে কী হতে পারে? যদি ফোন ফ্লাইট মোডে না থাকে তাহলে তা পাইলট এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের মধ্যে যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

অনেকটা ফোন স্পিকারে রেখে কথা বললে যেমন অস্পষ্ট শোনায় পাইলটও তেমন শুনবেন। বা ফোন এলে কাছাকাছি থাকা অডিও সিস্টেমে যেমন ‘বিট-বিট’ শব্দ হয়, পাইলটের সিস্টেমেও তা হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, তা শুধুমাত্র বিমানের ক্রিউ মেম্বারদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সাধারণত যাত্রীদের ফোন কখনই পাইলটের সমস্যা তৈরি করে না। এই ঝামেলা থেকে মুক্তির উপায়ও ইতিমধ্যে বের করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা।

বেশ কিছু ইন্টারন্যাশনাল বিমানে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে এড়ানো যাবে এই সম্ভাবনা। বিমানে থাকা অবস্থাতেই ক্রিউ মেম্বাররাও নিশ্চিন্তে ফোনে কথা বলতে পারবেন। তবে আদৌ মোবাইল ফোন কোনও সমস্যার সৃষ্টি করবে কি করবে না তা হাতেনাতে পরীক্ষা না করতে যাওয়াই ভাল। সতর্কতার কোনও তুলনা নেই। তাই নিয়ম মেনে ফোন ফ্লাইট মোডেই রাখুন।