ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মৃত প্রবাসীকে অবিবাহিত দেখিয়ে তার সম্পদ লুটের চেষ্টা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিবাহিতকে অবিবাহিত দেখিয়ে সনদ দিয়ে প্রতারণা করা মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

অভিযুক্তরা হলেন বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান রতন, স্থানীয় স্বাস্থ্য সহকারী পদে কর্মরত মো. আতিকুল ইসলাম, লক্ষ্মীমোড়া গ্রামের মো. হারুন মাস্টার ও একই গ্রামের মন মিয়ার স্ত্রী আমেনা খাতুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিমের আদালত গত ২৩ এপ্রিল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৯ নভেম্বর আল-আমিনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল জুমাইয়ার। এরপর আল-আমিন মালয়েশিয়া পাড়ি জমায়। গত বছরের (২০১৭) ৪ এপ্রিল মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় মারা যান আল-আমিন। তিন দিন পর ৭ এপ্রিল মরদেহ দেশে এনে গ্রামের বাড়ির পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।

এরপর অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রতনসহ অন্য তিন আসামি পরিকল্পিতভাবে ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাতের উদ্দেশে জুমাইয়ার স্বামী আল-আমিনকে অবিবাহিত মর্মে ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট একটি সনদপত্র দেন। ওই সনদপত্রে বাকি আসামিরা স্বাক্ষী হিসেবে দস্তখত ও টিপসই দেন। সনদপত্রে একমাত্র আমেনা খাতুনকেই প্রয়াত আল-আমিনের পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে চেয়ারম্যানের দেয়া সনদপত্র অনুসারে কুমিল্লার কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা একমাত্র ওয়ারিশ হিসেবে আমেনা খাতুনকে টাকা উত্তোলনের ক্ষমতাপত্র সনদ ইস্যু করেন।

রোববার মামলার বাদী জুমাইয়া বলেন, তার শাশুড়ি পরিকল্পিতভাবে স্বামীর ওয়ারিশ থেকে তাকে বাদ দিয়ে সনদপত্র বানিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চালান। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ যদি পুনরায় তদন্ত করেন তাহলে তিনি অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবি সারোয়ার-ই আলম বলেন, এই মামলার সব আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করতে বিজয়নগর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।এছাড়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ পারভেজকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মৃত প্রবাসীকে অবিবাহিত দেখিয়ে তার সম্পদ লুটের চেষ্টা

আপডেট সময় ১১:০৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিবাহিতকে অবিবাহিত দেখিয়ে সনদ দিয়ে প্রতারণা করা মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

অভিযুক্তরা হলেন বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান রতন, স্থানীয় স্বাস্থ্য সহকারী পদে কর্মরত মো. আতিকুল ইসলাম, লক্ষ্মীমোড়া গ্রামের মো. হারুন মাস্টার ও একই গ্রামের মন মিয়ার স্ত্রী আমেনা খাতুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিমের আদালত গত ২৩ এপ্রিল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৯ নভেম্বর আল-আমিনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল জুমাইয়ার। এরপর আল-আমিন মালয়েশিয়া পাড়ি জমায়। গত বছরের (২০১৭) ৪ এপ্রিল মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় মারা যান আল-আমিন। তিন দিন পর ৭ এপ্রিল মরদেহ দেশে এনে গ্রামের বাড়ির পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।

এরপর অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রতনসহ অন্য তিন আসামি পরিকল্পিতভাবে ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাতের উদ্দেশে জুমাইয়ার স্বামী আল-আমিনকে অবিবাহিত মর্মে ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট একটি সনদপত্র দেন। ওই সনদপত্রে বাকি আসামিরা স্বাক্ষী হিসেবে দস্তখত ও টিপসই দেন। সনদপত্রে একমাত্র আমেনা খাতুনকেই প্রয়াত আল-আমিনের পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে চেয়ারম্যানের দেয়া সনদপত্র অনুসারে কুমিল্লার কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা একমাত্র ওয়ারিশ হিসেবে আমেনা খাতুনকে টাকা উত্তোলনের ক্ষমতাপত্র সনদ ইস্যু করেন।

রোববার মামলার বাদী জুমাইয়া বলেন, তার শাশুড়ি পরিকল্পিতভাবে স্বামীর ওয়ারিশ থেকে তাকে বাদ দিয়ে সনদপত্র বানিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চালান। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ যদি পুনরায় তদন্ত করেন তাহলে তিনি অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবি সারোয়ার-ই আলম বলেন, এই মামলার সব আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করতে বিজয়নগর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।এছাড়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ পারভেজকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।