ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কলেজছাত্র ইকবাল হত্যাকাণ্ডে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুই নারীর কারাদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কলেজছাত্র শাহিনুর আলম ওরফে ইকবাল (২০) হত্যা মামলায় ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অপরাধে সহায়তার দায়ে দুই নারীকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আসিফ রানা নাঈম ওরফে রানা, মো. গোলাম হোসেন ওরফে ভুলু, মো. আব্দুল হেলিম, মোহাম্মদ আলী, মো. ফরিদ আহমেদ ওরফে বাবু, মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইছাহ আলী এবং শামছুল হক। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মোছা. খালেদা আক্তার ও মোছা. রেহেনা খাতুন। তাদের প্রত্যেককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে তারাকান্দা উপজেলায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র শাহিনুর আলম ইকবালকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় ইকবালের ভাই ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম মিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা (দায়রা মামলা নং: ১৭৯৯/২০২৩) দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেন।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আজিজ টুটুল সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আশা করি দ্রুত এই রায় কার্যকর হবে।’

অন্যদিকে আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান। এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কলেজছাত্র ইকবাল হত্যাকাণ্ডে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুই নারীর কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:৫০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কলেজছাত্র শাহিনুর আলম ওরফে ইকবাল (২০) হত্যা মামলায় ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অপরাধে সহায়তার দায়ে দুই নারীকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আসিফ রানা নাঈম ওরফে রানা, মো. গোলাম হোসেন ওরফে ভুলু, মো. আব্দুল হেলিম, মোহাম্মদ আলী, মো. ফরিদ আহমেদ ওরফে বাবু, মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইছাহ আলী এবং শামছুল হক। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মোছা. খালেদা আক্তার ও মোছা. রেহেনা খাতুন। তাদের প্রত্যেককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে তারাকান্দা উপজেলায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র শাহিনুর আলম ইকবালকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় ইকবালের ভাই ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম মিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা (দায়রা মামলা নং: ১৭৯৯/২০২৩) দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেন।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আজিজ টুটুল সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আশা করি দ্রুত এই রায় কার্যকর হবে।’

অন্যদিকে আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান। এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানান তিনি।