ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

থাইল্যান্ডে রফতানি বৃদ্ধিতে এফটিএ করা হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

থাইল্যান্ডে রফতানি বৃদ্ধি করতে এফটিএ স্বাক্ষর করা হচ্ছে। উভয় দেশ এ বিষয়ে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ এবং থাইল্যান্ড এই এফটিএ স্বাক্ষর করবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে, রয়েল থাই অ্যাম্বাসি আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘থাইল্যান্ড সপ্তাহ- ২০১৮’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ রয়েল থাই অ্যাম্বাসেডর মিস পানপিমোন সোয়ানাপঙ্গস, ঢাকাস্থ থাই অ্যাম্বাসির মিনিস্টার কাউন্সিলর (কমার্শিয়াল) সুবসাক ড্যাংবুনরুয়াং প্রমুখ।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, এ মুহূর্তে থাইল্যান্ড বাংলাদেশকে ছয় হাজার ৯৯৮টি পণ্য রফতানিতে ডিউটি ফ্রি সুবিধা প্রদান করছে। উভয় দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ এখন প্রায় দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে পাটজাতপণ্য এবং তৈরি পোশাক রফতানিতে ডিউটি ফ্রি অথবা ন্যূনতম ডিউটি সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ। যা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কিছুদিন আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জয়েন্ট ইকোনমিক কমিশনের মিটিংয়ে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আর থাইল্যান্ড বিষয়টি বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। এর ফলে উভয় দেশের বাণিজ্য ব্যবধান অনেক কমে আসবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতি বছর পর্যটন, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ এবং ব্যবসার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ড সফর করেন। তবে এসব মানুষের থাইল্যান্ডে যাওয়ার আগে ভিসা পেতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাই অতি তাড়াতাড়ি এই ভিসা প্রক্রিয়ার সমস্য যাতে দূর করা হয় এ জন্য ঢাকায় নিযুক্ত থাই অ্যাম্বাসেডরের কাছে আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবারের প্রদর্শনীতে থাইল্যান্ডের ৪৫টি কোম্পানি এবং বাংলাদেশের ২৮টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। যেখানে মিলবে জানা অজানা বাহারি থাইল্যান্ডের ফল, খাদ্য এবং কোমল পানীয়সহ মেয়েদের প্রসাধনী ও জুয়েলারি পণ্য।

এছাড়া শিশুদের জন্য বাহারি খেলনার সঙ্গে পাওয়া যাবে বিভিন্ন ধরনের উপহারসামগ্রী, ঘর সাজানোর পণ্য, স্বাস্থ্যসেবাসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য পণ্য।

আয়োজকরা জানান, চার দিনব্যাপী থাইল্যান্ড সপ্তাহ শেষ হবে আগামী ২৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। আর প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

থাইল্যান্ডে রফতানি বৃদ্ধিতে এফটিএ করা হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

থাইল্যান্ডে রফতানি বৃদ্ধি করতে এফটিএ স্বাক্ষর করা হচ্ছে। উভয় দেশ এ বিষয়ে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ এবং থাইল্যান্ড এই এফটিএ স্বাক্ষর করবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে, রয়েল থাই অ্যাম্বাসি আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘থাইল্যান্ড সপ্তাহ- ২০১৮’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ রয়েল থাই অ্যাম্বাসেডর মিস পানপিমোন সোয়ানাপঙ্গস, ঢাকাস্থ থাই অ্যাম্বাসির মিনিস্টার কাউন্সিলর (কমার্শিয়াল) সুবসাক ড্যাংবুনরুয়াং প্রমুখ।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, এ মুহূর্তে থাইল্যান্ড বাংলাদেশকে ছয় হাজার ৯৯৮টি পণ্য রফতানিতে ডিউটি ফ্রি সুবিধা প্রদান করছে। উভয় দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ এখন প্রায় দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে পাটজাতপণ্য এবং তৈরি পোশাক রফতানিতে ডিউটি ফ্রি অথবা ন্যূনতম ডিউটি সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ। যা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কিছুদিন আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জয়েন্ট ইকোনমিক কমিশনের মিটিংয়ে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আর থাইল্যান্ড বিষয়টি বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। এর ফলে উভয় দেশের বাণিজ্য ব্যবধান অনেক কমে আসবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতি বছর পর্যটন, চিকিৎসাসেবা গ্রহণ এবং ব্যবসার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ড সফর করেন। তবে এসব মানুষের থাইল্যান্ডে যাওয়ার আগে ভিসা পেতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাই অতি তাড়াতাড়ি এই ভিসা প্রক্রিয়ার সমস্য যাতে দূর করা হয় এ জন্য ঢাকায় নিযুক্ত থাই অ্যাম্বাসেডরের কাছে আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবারের প্রদর্শনীতে থাইল্যান্ডের ৪৫টি কোম্পানি এবং বাংলাদেশের ২৮টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। যেখানে মিলবে জানা অজানা বাহারি থাইল্যান্ডের ফল, খাদ্য এবং কোমল পানীয়সহ মেয়েদের প্রসাধনী ও জুয়েলারি পণ্য।

এছাড়া শিশুদের জন্য বাহারি খেলনার সঙ্গে পাওয়া যাবে বিভিন্ন ধরনের উপহারসামগ্রী, ঘর সাজানোর পণ্য, স্বাস্থ্যসেবাসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য পণ্য।

আয়োজকরা জানান, চার দিনব্যাপী থাইল্যান্ড সপ্তাহ শেষ হবে আগামী ২৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। আর প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে।