অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজবাড়ীতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ছাইদুল ওরফে আমির সরদার (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
পুলিশের দাবি, নিহত যুবক নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন মাওবাদী বলশেভিক অর্গানাইজেশন মুভমেন্টের (এমবিআরএম) আঞ্চলিক কমান্ডার। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে জেলার সদরের জৌকুড়া বালুঘাটসংলগ্ন মজিদ সরদারের বালুর চাতাল এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি এসএলআর, একটি বিদেশি দোনালা বন্দুক, ৩২ রাউন্ড গুলি, ২৩টি কার্তুজ, একটি ছোরা ও ছয়টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়।
নিহত ছাইদুল ওরফে আমির সরদার পাবনা জেলার আটঘরিয়া উপজেলার চাচকিয়া গ্রামের তাহামুদ্দিন ওরফে তানু সরদারের ছেলে।
মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টায় প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি, বিপিএম (সেবা) জানান, বন্দুকযুদ্ধে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিব খান, ইন্সপেক্টর জিয়ারুল ইসলাম ও কনস্টেবল পংকজ আহত হয়েছেন।
তিনি জানান, সোমবার দিবাগত গভীর রাতে জেলার সদরের জৌকুড়া বালুঘাটসংলগ্ন মজিদ সরদারের বালুর চাতালের পূর্বপাশে পদ্মা নদীর পাড়ে গোপন মিটিং করছিল চরমপন্থী সংগঠন এমবিআরএমের সদস্যরা।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাকিব খানের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে সর্বহারা দলের সদস্যরা গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টাগুলি চালায়।
দুপক্ষের গোলাগুলির একপর্যায়ে চরমপন্থীরা পিছু হটে চরের বিভিন্ন দিক দিয়ে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছাইদুল ওরফে আমির সরদারকে আহতাবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পরে আহত ছাইদুলকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, নিহত চরমপন্থী ছাইদুল ওরফে আমির সরদার নদীতে বিভিন্ন ট্রলারে চাঁদাবাজি করাসহ অপহরণ এবং কন্ট্রাকের মাধ্যমে খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল।
এ ছাড়া সে পাবনা জেলায় দুটি হত্যা, দুটি অস্ত্র ও একটি অপহরণ মামলাসহ সাতটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















