ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন ইসিকে স্বাধীনভাবে চোখ কান খুলে দায়িত্ব পালন করতে বলেছি: গোলাম পরওয়ার ‘ইরান ভেনেজুয়েলা নয়’, তেহরান-কারাকাস ঐতিহাসিক সম্পর্কে ফাটল সিআইডির নতুন প্রধান ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে ইউক্রেনকে লাইসেন্স দিতে রাজি ট্রাম্প: জেলেনস্কি মেহেরপুরে বাড়ির গেটের সামনে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না করার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর চলন্ত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি বিএনপিকে মাইনাস করার ফর্মুলা ছিল ড. ইউনূসের : রাশেদ খান

গাদ্দাফির থেকে ঘুষ নিয়েছিলেন ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট সারকোজি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি নির্বাচনী প্রচারের কাজে খরচ করার জন্য লিবিয়ার নেত্রা মুয়াম্মার গাদ্দাফির কাছ থেকে দুই কোটি ইউরো ঘুষ নিয়েছিলেন।

গাদ্দাফির সঙ্গে সারকোজির সাক্ষাতে দোভাষীর দায়িত্ব পালনকারী অনুবাদক মিফতাহ মিসৌরি এ তথ্য ফাঁস করেছেন। গাদ্দাফির অত্যন্ত বিশ্বস্ত এই অনুবাদক বলেন, ২০০৭ সালে সারকোজির নির্বাচনী প্রচার দলকে দুই কোটি ইউরো অর্থ সহায়তা দেন গাদ্দাফি।

মিসৌরি বলেন, এ উপলক্ষে সারকোজির পক্ষ থেকে পাঠানো নির্বাচনী প্রচার টিমের একটি প্রতিনিধিদল ত্রিপোলিতে লিবিয়ার পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

ওই বৈঠকে সারকোজির পক্ষ থেকে পাঁচ কোটি ইউরো অর্থ সহায়তা চাওয়া হলেও গাদ্দাফি সরকার দুই কোটি ইউরো দিতে সম্মত হয় এবং তা প্রদান করে। গাদ্দাফির সাবেক অনুবাদক তার দফতরে ওই অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত চুক্তির একটি কপিও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

২০০৭ সালে গাদ্দাফির কাছ থেকে ঘুষগ্রহণের অভিযোগে সম্প্রতি ফ্রান্সে সারকোজিকে আটক করা হয়। পরে অবশ্য জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযোগ গঠন থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন

গাদ্দাফির থেকে ঘুষ নিয়েছিলেন ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট সারকোজি

আপডেট সময় ১১:৩৯:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি নির্বাচনী প্রচারের কাজে খরচ করার জন্য লিবিয়ার নেত্রা মুয়াম্মার গাদ্দাফির কাছ থেকে দুই কোটি ইউরো ঘুষ নিয়েছিলেন।

গাদ্দাফির সঙ্গে সারকোজির সাক্ষাতে দোভাষীর দায়িত্ব পালনকারী অনুবাদক মিফতাহ মিসৌরি এ তথ্য ফাঁস করেছেন। গাদ্দাফির অত্যন্ত বিশ্বস্ত এই অনুবাদক বলেন, ২০০৭ সালে সারকোজির নির্বাচনী প্রচার দলকে দুই কোটি ইউরো অর্থ সহায়তা দেন গাদ্দাফি।

মিসৌরি বলেন, এ উপলক্ষে সারকোজির পক্ষ থেকে পাঠানো নির্বাচনী প্রচার টিমের একটি প্রতিনিধিদল ত্রিপোলিতে লিবিয়ার পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

ওই বৈঠকে সারকোজির পক্ষ থেকে পাঁচ কোটি ইউরো অর্থ সহায়তা চাওয়া হলেও গাদ্দাফি সরকার দুই কোটি ইউরো দিতে সম্মত হয় এবং তা প্রদান করে। গাদ্দাফির সাবেক অনুবাদক তার দফতরে ওই অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত চুক্তির একটি কপিও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

২০০৭ সালে গাদ্দাফির কাছ থেকে ঘুষগ্রহণের অভিযোগে সম্প্রতি ফ্রান্সে সারকোজিকে আটক করা হয়। পরে অবশ্য জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযোগ গঠন থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।