ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

যত শিক্ষিত, তত মিথ্যাবাদী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পড়ালেখা মানুষকে জ্ঞানী করে তোলে। সাহায্য করে আরো সামাজিক, মানবিক ও সভ্য হতে। এটাই সচরাচর আমরা জানি। কিন্তু পড়ালেখা নাকি মানুষকে মিথ্যাবাদী করে তোলে! এও কি সম্ভব! পড়ালেখার সঙ্গে মিথ্যার এই মাখামাখির কথা শুনে হকচকিয়ে যাওয়ার কিছুই নেই। কারণ, বিশেষজ্ঞরা বেশ কাল-ঘাম খরচ করে গবেষণার পরে জানিয়েছেন এই তথ্য।

সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ছয় হাজার জনের ওপর একটি জরিপ চালান যুক্তরাজ্যের মিডলসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। গবেষণায় বেরিয়ে আসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের থেকে যাঁরা উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেননি, তাঁদের সততার মাত্রা প্রায় দ্বিগুণ। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, উচ্চশিক্ষিত মানুষ মিথ্যা বলার আগে ধরা খাওয়ার হিসাব-নিকাশ করে নেন। তাই মিথ্যায় একপ্রকার পারদর্শী হয়ে ওঠেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, মিথ্যার পারদর্শিতা অর্জনে কোনো বয়স-কাল লাগে না। শিক্ষিত হলেই হলো। তবে নারীদের থেকে পুরুষ শিক্ষিতরাই সূক্ষ্মভাবে মিথ্যা বলতে বেশি দক্ষ।

গবেষকরা বলছেন, আপনি যদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হন, তাহলে ধরে নিন আপনার মিথ্যা বলার দক্ষতা সবচেয়ে বেশি। মিথ্যার পারদর্শিতায় এরপরই আছেন স্নাতক ডিগ্রিধারীরা। যাঁরা বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা মিথ্যা বলে মোটামুটি চালিয়ে নিতে পারেন। তবে মিথ্যার ক্ষেত্রে একটু সাবধান হতে হবে উচ্চ মাধ্যমিক পাস ব্যক্তিদের। কারণ, মিথ্যা বলায় তাঁরা একটু কমই পটু। আর আপনি যদি স্কুল পাস না করে থাকেন, তাহলে আপনাকে এঁদের মধ্যে সবচেয়ে সৎ বলতেই হবে।

এ বিষয়ে গবেষক ড. ভ্যালেরিও ক্যাপরারো জানান, মিথ্যা বলার আগে মানুষকে এর ফল সম্পর্কে সচেতন হতে হয়। এই সচেতনতার জন্য তাকে বেশ হিসাব-নিকাশ করতে হয়, যে দক্ষতা একজন শিক্ষিত মানুষের মধ্যেই বেশি পাওয়া যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

যত শিক্ষিত, তত মিথ্যাবাদী

আপডেট সময় ০৭:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পড়ালেখা মানুষকে জ্ঞানী করে তোলে। সাহায্য করে আরো সামাজিক, মানবিক ও সভ্য হতে। এটাই সচরাচর আমরা জানি। কিন্তু পড়ালেখা নাকি মানুষকে মিথ্যাবাদী করে তোলে! এও কি সম্ভব! পড়ালেখার সঙ্গে মিথ্যার এই মাখামাখির কথা শুনে হকচকিয়ে যাওয়ার কিছুই নেই। কারণ, বিশেষজ্ঞরা বেশ কাল-ঘাম খরচ করে গবেষণার পরে জানিয়েছেন এই তথ্য।

সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ছয় হাজার জনের ওপর একটি জরিপ চালান যুক্তরাজ্যের মিডলসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। গবেষণায় বেরিয়ে আসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের থেকে যাঁরা উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেননি, তাঁদের সততার মাত্রা প্রায় দ্বিগুণ। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, উচ্চশিক্ষিত মানুষ মিথ্যা বলার আগে ধরা খাওয়ার হিসাব-নিকাশ করে নেন। তাই মিথ্যায় একপ্রকার পারদর্শী হয়ে ওঠেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, মিথ্যার পারদর্শিতা অর্জনে কোনো বয়স-কাল লাগে না। শিক্ষিত হলেই হলো। তবে নারীদের থেকে পুরুষ শিক্ষিতরাই সূক্ষ্মভাবে মিথ্যা বলতে বেশি দক্ষ।

গবেষকরা বলছেন, আপনি যদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হন, তাহলে ধরে নিন আপনার মিথ্যা বলার দক্ষতা সবচেয়ে বেশি। মিথ্যার পারদর্শিতায় এরপরই আছেন স্নাতক ডিগ্রিধারীরা। যাঁরা বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা মিথ্যা বলে মোটামুটি চালিয়ে নিতে পারেন। তবে মিথ্যার ক্ষেত্রে একটু সাবধান হতে হবে উচ্চ মাধ্যমিক পাস ব্যক্তিদের। কারণ, মিথ্যা বলায় তাঁরা একটু কমই পটু। আর আপনি যদি স্কুল পাস না করে থাকেন, তাহলে আপনাকে এঁদের মধ্যে সবচেয়ে সৎ বলতেই হবে।

এ বিষয়ে গবেষক ড. ভ্যালেরিও ক্যাপরারো জানান, মিথ্যা বলার আগে মানুষকে এর ফল সম্পর্কে সচেতন হতে হয়। এই সচেতনতার জন্য তাকে বেশ হিসাব-নিকাশ করতে হয়, যে দক্ষতা একজন শিক্ষিত মানুষের মধ্যেই বেশি পাওয়া যায়।