ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি ‘ওবামা আমলের চেয়ে অনেক ভালো হবে’: ট্রাম্প মাটি খুঁড়ে অজ্ঞাত মা ও নবজাতকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার হেফাজত আমিরের দোয়া নিলেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অচিরেই সুখবর আসবে: প্রধানমন্ত্রী ‘পরিবারের সুখ শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি’: মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপি নেত্রী যিশুর মূর্তি ভাঙচুর ইসরাইলি সেনার, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী নিজের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগের কথা জানালেন হান্নান মাসুদ

ব্যাট হাতে দাপট দেখালেন মুশফিক

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ডিপিএলের সুপার সিক্স পর্বের শেষ ম্যাচে আজ লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জকে হারাতে পারলেই শিরোপা নিজেদের করে নিতে সক্ষম হবে নাসির-মাশরাফিদের আবাহনী লিমিটেড। এই সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে থেকেই বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে নয়টায় মুশফিকদের বিপক্ষে মাঠে নামে আবাহনী।

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে এদিন শুরুতে টসে জিতে নাসির বাহিনীকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান রুপগঞ্জের অধিনায়ক নাইম ইসলাম। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার নাজমুল হাসান শান্ত এবং অধিনায়ক নাসির হোসেনের জোড়া সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৭৪ রানের পাহাড়সম রান দাঁড়া করায় আবাহনী। এর বিপরীতে এবার ব্যাট হাতে দাপট দেখালেন মুশফিক।

এই দুই ব্যাটসম্যান ছাড়াও আনামুল হক বিজয় করেছেন ৫৭ রান। আর শেষের দিকে টাইগারদের ওয়ানডে দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা খেলেছেন ৮ বলে অপরাজিত ২৮ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস। যেখানে ছিলো ৪টি ছক্কার মার। মাশরাফির সাথে শেষ পর্যন্ত ১৯ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও।

শেষের দিকে মাশরাফির ঝড়ো ব্যাটিংয়েই মূলত মুশফিকদের সামনে বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছে আবাহনী। রুপগঞ্জের পক্ষে এদিন ৪২ রানে ৩ উইকেট শিকার করে সবথেকে সফল বোলার ছিলেন পারভেজ রসুল। এছাড়াও মোহাম্মদ শহীদ ৮১ রানে নিয়েছেন ২টি উইকেট।

এদিকে আবাহনীর ছুঁড়ে দেয়া ৩৭৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যে এরই মধ্যে খেলতে নেমে গেছে মুশফিকের রুপগঞ্জ। তবে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমেই মাত্র ১ রানের মাথায় ওপেনার আব্দুল মজিদের উইকেটটি হারিয়ে বিপাকে পড়ে রুপগঞ্জ।

শুন্য রান করে মেহেদি হাসান মিরাজের বলে ফিরতে হয়েছে মজিদকে। তাঁর ফেরার পর মোহাম্মদ নাইম এবং অভিষেক মিত্রের ব্যাটে বিপদ কাটিয়ে উঠছিলো রুপগঞ্জ। তবে দলীয় ৪১ রানের মাথায় আবারো আঘাত হানেন মিরাজ। ১৩ রান করা অভিষেককে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ বানিয়ে আউট করেন তিনি।

অভিষেকের পর ক্রিজে মোহাম্মদ নাইমের সাথে ব্যাটিংয়ে যোগ দেন টাইগার উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। এই দুই ব্যাটসম্যানের ৯১ রানের জুটিতে এরপর শত রানের কোটা পার করে রুপগঞ্জ। আর এই জুটি গড়ার পথে নিজের হাফসেঞ্চুরিও তুলে নেন নাইম। দারুণ ব্যাটিং করে সেঞ্চুরির পথে এগিয়েও যাচ্ছিলেন ওপেনার নাইম।

তবে শেষ পর্যন্ত ৭০ রান করে নাসির হোসেনের বলে বোল্ড হয়ে গেলে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি তাঁর। রুপগঞ্জ ওপেনারের পর ক্রিজে মুশফিকের সাথে হাল ধরতে ক্রিজে এসেছেন দলপতি নাইম ইসলাম। এদিকে এরই মধ্যে নিজের হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

বর্তমানে তিনি ৫০ এবং নাইম ১৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। আর এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রুপগঞ্জের দলীয় সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান (২৪ ওভার)।

আবাহনী লিমিটেড-

নাজমুল হাসান শান্ত, আনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিথুন (উইকেটরক্ষক), নাসির হোসেন (অধিনায়ক), হানুমা বিহারি, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মাশরাফি বিন মর্তুজা, সানজামুল ইসলাম, মেহেদি হাসান মিরাজ, সাকলাইন সজীব, সন্দ্বীপ রায়।

লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জ-

আব্দুল মজিদ, মোহাম্মদ নাইম, অভিষেক মিত্র, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), নাইম ইসলাম (অধিনায়ক),পারভেজ রসুল, মোশাররফ হোসেন, নাজমুল হোসেন মিলন, আসিফ হাসান, মোহাম্মদ শহীদ, আশিকুজ্জামান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ব্যাট হাতে দাপট দেখালেন মুশফিক

আপডেট সময় ১১:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ডিপিএলের সুপার সিক্স পর্বের শেষ ম্যাচে আজ লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জকে হারাতে পারলেই শিরোপা নিজেদের করে নিতে সক্ষম হবে নাসির-মাশরাফিদের আবাহনী লিমিটেড। এই সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে থেকেই বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে নয়টায় মুশফিকদের বিপক্ষে মাঠে নামে আবাহনী।

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে এদিন শুরুতে টসে জিতে নাসির বাহিনীকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান রুপগঞ্জের অধিনায়ক নাইম ইসলাম। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার নাজমুল হাসান শান্ত এবং অধিনায়ক নাসির হোসেনের জোড়া সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৭৪ রানের পাহাড়সম রান দাঁড়া করায় আবাহনী। এর বিপরীতে এবার ব্যাট হাতে দাপট দেখালেন মুশফিক।

এই দুই ব্যাটসম্যান ছাড়াও আনামুল হক বিজয় করেছেন ৫৭ রান। আর শেষের দিকে টাইগারদের ওয়ানডে দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা খেলেছেন ৮ বলে অপরাজিত ২৮ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস। যেখানে ছিলো ৪টি ছক্কার মার। মাশরাফির সাথে শেষ পর্যন্ত ১৯ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও।

শেষের দিকে মাশরাফির ঝড়ো ব্যাটিংয়েই মূলত মুশফিকদের সামনে বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছে আবাহনী। রুপগঞ্জের পক্ষে এদিন ৪২ রানে ৩ উইকেট শিকার করে সবথেকে সফল বোলার ছিলেন পারভেজ রসুল। এছাড়াও মোহাম্মদ শহীদ ৮১ রানে নিয়েছেন ২টি উইকেট।

এদিকে আবাহনীর ছুঁড়ে দেয়া ৩৭৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যে এরই মধ্যে খেলতে নেমে গেছে মুশফিকের রুপগঞ্জ। তবে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমেই মাত্র ১ রানের মাথায় ওপেনার আব্দুল মজিদের উইকেটটি হারিয়ে বিপাকে পড়ে রুপগঞ্জ।

শুন্য রান করে মেহেদি হাসান মিরাজের বলে ফিরতে হয়েছে মজিদকে। তাঁর ফেরার পর মোহাম্মদ নাইম এবং অভিষেক মিত্রের ব্যাটে বিপদ কাটিয়ে উঠছিলো রুপগঞ্জ। তবে দলীয় ৪১ রানের মাথায় আবারো আঘাত হানেন মিরাজ। ১৩ রান করা অভিষেককে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ বানিয়ে আউট করেন তিনি।

অভিষেকের পর ক্রিজে মোহাম্মদ নাইমের সাথে ব্যাটিংয়ে যোগ দেন টাইগার উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। এই দুই ব্যাটসম্যানের ৯১ রানের জুটিতে এরপর শত রানের কোটা পার করে রুপগঞ্জ। আর এই জুটি গড়ার পথে নিজের হাফসেঞ্চুরিও তুলে নেন নাইম। দারুণ ব্যাটিং করে সেঞ্চুরির পথে এগিয়েও যাচ্ছিলেন ওপেনার নাইম।

তবে শেষ পর্যন্ত ৭০ রান করে নাসির হোসেনের বলে বোল্ড হয়ে গেলে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি তাঁর। রুপগঞ্জ ওপেনারের পর ক্রিজে মুশফিকের সাথে হাল ধরতে ক্রিজে এসেছেন দলপতি নাইম ইসলাম। এদিকে এরই মধ্যে নিজের হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

বর্তমানে তিনি ৫০ এবং নাইম ১৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। আর এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রুপগঞ্জের দলীয় সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান (২৪ ওভার)।

আবাহনী লিমিটেড-

নাজমুল হাসান শান্ত, আনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিথুন (উইকেটরক্ষক), নাসির হোসেন (অধিনায়ক), হানুমা বিহারি, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মাশরাফি বিন মর্তুজা, সানজামুল ইসলাম, মেহেদি হাসান মিরাজ, সাকলাইন সজীব, সন্দ্বীপ রায়।

লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জ-

আব্দুল মজিদ, মোহাম্মদ নাইম, অভিষেক মিত্র, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), নাইম ইসলাম (অধিনায়ক),পারভেজ রসুল, মোশাররফ হোসেন, নাজমুল হোসেন মিলন, আসিফ হাসান, মোহাম্মদ শহীদ, আশিকুজ্জামান।