ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

এনামুল-শান্ত’র জোড়া সেঞ্চুরিতে জিতেছে আবাহনী

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দুই ওপেনার এনামুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত’র জোড়া সেঞ্চুরিতে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটের লিগের (ডিপিডিসিএল) সুপার সিক্সে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ জয় পেয়েছে আবাহনী লিমিটেড। বৃষ্টি আইনে প্রাইম দোলেশ্বর স্পোটিং ক্লাবকে ২০ রানে হারিয়েছে তারা। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ স্থান ধরে রাখলো আবাহনী। ১৪ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে দলটি।সমানসংখ্যক ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থস্থানে প্রাইম দোলেশ্বর।

শিরোপা জয়ের পথে ভালোভাবে টিকে থাকতে হলে এ ম্যাচে জয়ই প্রধান লক্ষ্য ছিলো আবাহনীর। সাভারের বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেয় আবাহনী। দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দলের দুই ওপেনার এনামুল ও শান্ত। ২১৯ বল মোকাবেলা করে উদ্বোধণী জুটিতে ২৩৬ রান যোগ করেন তারা। দু’জনই সেঞ্চুরি তুলে নেন।

প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পান এনামুল। শেষ পর্যন্ত ১২৮ রানে থেমে যান তিনি। নিজের ১২৬ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কা হাকান এনামুল। এনামুলের বিদায়ের পর সেঞ্চুরির স্বাদ নেন শান্ত। তার ব্যাট থেকে আসে ১২১ রান। ১০৬ বল মোকাবেলা করে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন শান্ত।

দুই ওপেনারর জোড়া সেঞ্চুরির পর ভারতের হানুমা বিহারির ৬৬ ও উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ মিথুনের অপরাজিত ৪৭ রানের সুবাদে ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৯৩ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় আবাহনী। বাংলাদেশের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটিই সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। আগেরটি ছিলো ৫ উইকেটে ৩৭১ রান। ২০১৬ সালে মোহামেডানের বিপক্ষে করেছিলো আবাহনীই।

জয়ের জন্য ৩৯৪ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে বিপদে পড়ে যায় প্রাইম দোলেশ্বর। ৩৩ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় তারা। তবে দুই সতীর্থর বিদায় আমলে নেয়নি পরের দুই ব্যাটসম্যান ফজলে মাহমুদ ও মার্শাল আইয়ুব। আবাহনীর বোলারদের বিপক্ষে বুক উচিয়ে ব্যাট করেছেন তারা। ফলে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখছিলো প্রাইম দোলেশ্বর। ৩০ ওভারে ২ উইকেটে ২১৭ রান পেয়ে যায় প্রাইম দোলেশ্বর। এরপরই বৃষ্টির কারণে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। এসময় প্রাইম দোলেশ্বরের প্রয়োজন ছিলো ২০ ওভারে ১৭৭ রান।

পরবর্তীতে খেলা শুরু হলে বৃষ্টি আইনে ২৪ বলে ৫৫ রান দরকার পড়ে প্রাইম দোলেশ্বরের। কিন্তু শেষ ২৪ বলে ২৬ রানের বেশি করতে পারেনি তারা। বৃষ্টি আইনে ২৬৫ রানের টার্গেটে ৩ উইকেটে ২৪৪ রান করে প্রাইম দোলেশ্বর। ফজলে ১০০ রানে আউট হলেও, মার্শাল ১০৮ রানে অপরাজিত থাকেন। আবাহনীর তাসকিন ৬২ রানে ৩ উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন আবাহনীর এনামুল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৬ অক্টোবর চারদিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

এনামুল-শান্ত’র জোড়া সেঞ্চুরিতে জিতেছে আবাহনী

আপডেট সময় ০৯:১১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দুই ওপেনার এনামুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত’র জোড়া সেঞ্চুরিতে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটের লিগের (ডিপিডিসিএল) সুপার সিক্সে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ জয় পেয়েছে আবাহনী লিমিটেড। বৃষ্টি আইনে প্রাইম দোলেশ্বর স্পোটিং ক্লাবকে ২০ রানে হারিয়েছে তারা। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ স্থান ধরে রাখলো আবাহনী। ১৪ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে দলটি।সমানসংখ্যক ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থস্থানে প্রাইম দোলেশ্বর।

শিরোপা জয়ের পথে ভালোভাবে টিকে থাকতে হলে এ ম্যাচে জয়ই প্রধান লক্ষ্য ছিলো আবাহনীর। সাভারের বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেয় আবাহনী। দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দলের দুই ওপেনার এনামুল ও শান্ত। ২১৯ বল মোকাবেলা করে উদ্বোধণী জুটিতে ২৩৬ রান যোগ করেন তারা। দু’জনই সেঞ্চুরি তুলে নেন।

প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পান এনামুল। শেষ পর্যন্ত ১২৮ রানে থেমে যান তিনি। নিজের ১২৬ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কা হাকান এনামুল। এনামুলের বিদায়ের পর সেঞ্চুরির স্বাদ নেন শান্ত। তার ব্যাট থেকে আসে ১২১ রান। ১০৬ বল মোকাবেলা করে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন শান্ত।

দুই ওপেনারর জোড়া সেঞ্চুরির পর ভারতের হানুমা বিহারির ৬৬ ও উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ মিথুনের অপরাজিত ৪৭ রানের সুবাদে ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৯৩ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় আবাহনী। বাংলাদেশের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটিই সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। আগেরটি ছিলো ৫ উইকেটে ৩৭১ রান। ২০১৬ সালে মোহামেডানের বিপক্ষে করেছিলো আবাহনীই।

জয়ের জন্য ৩৯৪ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে বিপদে পড়ে যায় প্রাইম দোলেশ্বর। ৩৩ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় তারা। তবে দুই সতীর্থর বিদায় আমলে নেয়নি পরের দুই ব্যাটসম্যান ফজলে মাহমুদ ও মার্শাল আইয়ুব। আবাহনীর বোলারদের বিপক্ষে বুক উচিয়ে ব্যাট করেছেন তারা। ফলে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখছিলো প্রাইম দোলেশ্বর। ৩০ ওভারে ২ উইকেটে ২১৭ রান পেয়ে যায় প্রাইম দোলেশ্বর। এরপরই বৃষ্টির কারণে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। এসময় প্রাইম দোলেশ্বরের প্রয়োজন ছিলো ২০ ওভারে ১৭৭ রান।

পরবর্তীতে খেলা শুরু হলে বৃষ্টি আইনে ২৪ বলে ৫৫ রান দরকার পড়ে প্রাইম দোলেশ্বরের। কিন্তু শেষ ২৪ বলে ২৬ রানের বেশি করতে পারেনি তারা। বৃষ্টি আইনে ২৬৫ রানের টার্গেটে ৩ উইকেটে ২৪৪ রান করে প্রাইম দোলেশ্বর। ফজলে ১০০ রানে আউট হলেও, মার্শাল ১০৮ রানে অপরাজিত থাকেন। আবাহনীর তাসকিন ৬২ রানে ৩ উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন আবাহনীর এনামুল।