ঢাকা ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় টাউন হল সভা চালু থাকবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার দেশে ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে কাল থেকে ৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু, যাদের না দেয়ার পরামর্শ জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ‘নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়’ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটে মিলবে ফ্রি ইন্টারনেট: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তেল আছে শুধু সংসদে: জামায়াত আমির

জাতির পিতার জন্মদিনে আজ জাতিকে একটা সুখবর দিতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণে একধাপ এগিয়ে গেলাম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিতার জন্মদিনে আজ জাতিকে একটা সুখবর দিতে চাই। আজ বাংলাদেশ জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে। আমাদের পাশের দেশগুলো এই স্বীকৃতি আগেই অর্জন করেছিল। আজ থেকে আমরা তা অর্জন করলাম। এর মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নপূরণে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম আমরা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। এরমধ্যেই তিনি দেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। আরেকটু সময় পেলে এই বাংলাদেশকে আরও আগেই উন্নত ও সমৃদ্ধশালী করতে পারতেন। কিন্তু তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমরা দুই বোন বিদেশে ছিলাম বলেই বেঁচে গিয়েছি। বিদেশে আমরা দুই বছর রিফিউজির জীবন যাপন করেছি। তারপরেও আমার বাবার স্বপ্ন পূরণে রাজনীতিতে এসেছি। সব সময় দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।

বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মানুষের জন্য নিরন্তর কাজ করতে গিয়ে একটানা দুই বছরও আমার বাবা কারাগারের বাইরে থাকতে পারেননি। এতেই বোঝা যায় তিনি কী গভীরভাবে বাংলার মানুষকে ভালোবাসতেন। এমনকি পরিবারের চেয়ে দেশের মানুষকে তিনি বেশি ভালোবাসতেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর লেখা কারাগারের রোজনামচা ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম এবং দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসার বিষয়টি বোঝা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের জাতির ভবিষ্যত হিসেবে উল্লেখ করে তাদের নিয়মিত লেখাপড়া করার পরামর্শ দেন।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের মন কোমল। এসময় তারা যা দেখবে, তাদের যা শেখানো হবে সেটাই তারা করবে। তাই তারা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে সেগুলো খেয়াল রাখবেন।

‘কোনো শিশু যেন বিপথে না যায়, তারা যেন কোনো জঙ্গিমূলক কাজে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

জাতির পিতার জন্মদিনে আজ জাতিকে একটা সুখবর দিতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণে একধাপ এগিয়ে গেলাম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিতার জন্মদিনে আজ জাতিকে একটা সুখবর দিতে চাই। আজ বাংলাদেশ জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে। আমাদের পাশের দেশগুলো এই স্বীকৃতি আগেই অর্জন করেছিল। আজ থেকে আমরা তা অর্জন করলাম। এর মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নপূরণে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম আমরা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। এরমধ্যেই তিনি দেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। আরেকটু সময় পেলে এই বাংলাদেশকে আরও আগেই উন্নত ও সমৃদ্ধশালী করতে পারতেন। কিন্তু তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমরা দুই বোন বিদেশে ছিলাম বলেই বেঁচে গিয়েছি। বিদেশে আমরা দুই বছর রিফিউজির জীবন যাপন করেছি। তারপরেও আমার বাবার স্বপ্ন পূরণে রাজনীতিতে এসেছি। সব সময় দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।

বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মানুষের জন্য নিরন্তর কাজ করতে গিয়ে একটানা দুই বছরও আমার বাবা কারাগারের বাইরে থাকতে পারেননি। এতেই বোঝা যায় তিনি কী গভীরভাবে বাংলার মানুষকে ভালোবাসতেন। এমনকি পরিবারের চেয়ে দেশের মানুষকে তিনি বেশি ভালোবাসতেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর লেখা কারাগারের রোজনামচা ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম এবং দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসার বিষয়টি বোঝা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের জাতির ভবিষ্যত হিসেবে উল্লেখ করে তাদের নিয়মিত লেখাপড়া করার পরামর্শ দেন।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের মন কোমল। এসময় তারা যা দেখবে, তাদের যা শেখানো হবে সেটাই তারা করবে। তাই তারা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে সেগুলো খেয়াল রাখবেন।

‘কোনো শিশু যেন বিপথে না যায়, তারা যেন কোনো জঙ্গিমূলক কাজে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।