ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোর জোড়া আঘাত, পর্তুগালের ৫-০ গোলের বড় জয় ভারত থেকে আমদানি ৯.৬২ বিলিয়ন ডলার, রপ্তানি ১.৭৬ বিলিয়ন মারা গেছেন কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল সেই কবির হোসেন বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী:মাহদী আমিন সংসদ অধিবেশনের চেয়ে কোনো রাষ্ট্রীয় কাজই গুরুত্বপূর্ণ নয়: স্পিকার ফরিদপুরে মাদক কারবারি সন্দেহে গণপিটুনি ও প্রাইভেটকারে আগুন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, সংসদে জানালেন স্পিকার তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ গত অর্থবছরে দেশে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

জাতির পিতার জন্মদিনে আজ জাতিকে একটা সুখবর দিতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণে একধাপ এগিয়ে গেলাম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিতার জন্মদিনে আজ জাতিকে একটা সুখবর দিতে চাই। আজ বাংলাদেশ জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে। আমাদের পাশের দেশগুলো এই স্বীকৃতি আগেই অর্জন করেছিল। আজ থেকে আমরা তা অর্জন করলাম। এর মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নপূরণে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম আমরা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। এরমধ্যেই তিনি দেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। আরেকটু সময় পেলে এই বাংলাদেশকে আরও আগেই উন্নত ও সমৃদ্ধশালী করতে পারতেন। কিন্তু তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমরা দুই বোন বিদেশে ছিলাম বলেই বেঁচে গিয়েছি। বিদেশে আমরা দুই বছর রিফিউজির জীবন যাপন করেছি। তারপরেও আমার বাবার স্বপ্ন পূরণে রাজনীতিতে এসেছি। সব সময় দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।

বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মানুষের জন্য নিরন্তর কাজ করতে গিয়ে একটানা দুই বছরও আমার বাবা কারাগারের বাইরে থাকতে পারেননি। এতেই বোঝা যায় তিনি কী গভীরভাবে বাংলার মানুষকে ভালোবাসতেন। এমনকি পরিবারের চেয়ে দেশের মানুষকে তিনি বেশি ভালোবাসতেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর লেখা কারাগারের রোজনামচা ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম এবং দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসার বিষয়টি বোঝা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের জাতির ভবিষ্যত হিসেবে উল্লেখ করে তাদের নিয়মিত লেখাপড়া করার পরামর্শ দেন।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের মন কোমল। এসময় তারা যা দেখবে, তাদের যা শেখানো হবে সেটাই তারা করবে। তাই তারা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে সেগুলো খেয়াল রাখবেন।

‘কোনো শিশু যেন বিপথে না যায়, তারা যেন কোনো জঙ্গিমূলক কাজে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোনালদোর জোড়া আঘাত, পর্তুগালের ৫-০ গোলের বড় জয়

জাতির পিতার জন্মদিনে আজ জাতিকে একটা সুখবর দিতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণে একধাপ এগিয়ে গেলাম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিতার জন্মদিনে আজ জাতিকে একটা সুখবর দিতে চাই। আজ বাংলাদেশ জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে। আমাদের পাশের দেশগুলো এই স্বীকৃতি আগেই অর্জন করেছিল। আজ থেকে আমরা তা অর্জন করলাম। এর মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নপূরণে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম আমরা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। এরমধ্যেই তিনি দেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। আরেকটু সময় পেলে এই বাংলাদেশকে আরও আগেই উন্নত ও সমৃদ্ধশালী করতে পারতেন। কিন্তু তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমরা দুই বোন বিদেশে ছিলাম বলেই বেঁচে গিয়েছি। বিদেশে আমরা দুই বছর রিফিউজির জীবন যাপন করেছি। তারপরেও আমার বাবার স্বপ্ন পূরণে রাজনীতিতে এসেছি। সব সময় দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।

বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মানুষের জন্য নিরন্তর কাজ করতে গিয়ে একটানা দুই বছরও আমার বাবা কারাগারের বাইরে থাকতে পারেননি। এতেই বোঝা যায় তিনি কী গভীরভাবে বাংলার মানুষকে ভালোবাসতেন। এমনকি পরিবারের চেয়ে দেশের মানুষকে তিনি বেশি ভালোবাসতেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর লেখা কারাগারের রোজনামচা ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম এবং দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসার বিষয়টি বোঝা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের জাতির ভবিষ্যত হিসেবে উল্লেখ করে তাদের নিয়মিত লেখাপড়া করার পরামর্শ দেন।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের মন কোমল। এসময় তারা যা দেখবে, তাদের যা শেখানো হবে সেটাই তারা করবে। তাই তারা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে সেগুলো খেয়াল রাখবেন।

‘কোনো শিশু যেন বিপথে না যায়, তারা যেন কোনো জঙ্গিমূলক কাজে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।