ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শাপলা চত্বরে গণহত্যা মামলা: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ বিয়ে বাড়িতে প্রেমিকার হানা, লজ্জায় বাবার আত্মহত্যা মিসর বন্দরে ড্রোন হামলা, দুই জাহাজে আগুন আগুনে পুড়ে নিহত ৬ প্রবাসীর কঙ্কাল উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে জটিলতা সিজারের ক্ষেত্রে ডাক্তারদের নিরুৎসাহিত করার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপির নেতারা হজের খরচ কমাতে সৌদির সঙ্গে আলোচনা চলছে : বিমান প্রতিমন্ত্রী মানবপাচার প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ দেশে যখনই পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে, তখনই প্রাণ দিতে হয়েছে: মির্জা ফখরুল জামায়াতের পতন আমরা দেখতে পাচ্ছি : শাহেদ আলম

সেই মামলায় তিনি জেলে আছেন ধরতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সোমবার চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আগামী চার মাসের মধ্যে মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করতে সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দেন আদালত।

হাইকোর্ট বলেছেন, পেপারবুক প্রস্তুত হয়ে গেলে যে কোনো পক্ষ শুনানির জন্য আপিল উপস্থাপন করতে পারবে।

এ মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড নিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে আছেন। সে হিসেবে ৩৪ দিন পর বুধবার খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়টি চূড়ান্ত ফয়সালার জন্য উপস্থাপন হচ্ছে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে।

এদিকে আপিল বিভাগের বুধবারের কার্যতালিকায় এক এবং দুই নম্বরে আবেদন দুটি শুনানির জন্য রাখা হয়েছে। সকাল ৯টায় এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আপিল বিভাগ কী আদেশ দেন, এতে তিনি কারামুক্ত হতে পারবেন কিনা তা জানতে সবাই সেদিকে তাকিয়ে আছেন।

মঙ্গলবার চেম্বার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম , দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান ও খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন।

এ মামলায় জামিনের বিষয়ে আপিল বিভাগে চূড়ান্ত ফয়সালা হলে খালেদা জিয়া মুক্ত হতে পারবেন কিনা জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লায় গাড়ি পোড়ানোর মামলায় কাস্টডি ওয়ারেন্ট দেয়া আছে। সেই মামলায় তিনি জেলে আছেন ধরতে হবে। কাজেই ওই মামলাতে জামিন না নিয়ে কারাগার থেকে বের হওয়ার কোনো অবকাশ নেই।

আদালতের শুনানিতে কি বলেছেন জানতে চাইলেতিনি বলেন, আদালতে আমি বলেছি, খালেদা জিয়ার ১০ বছর সাজা হওয়া মর্মে নিম্ন আদালত মত দিয়েছেন। কিন্তু তাকে ৫ বছর করা হয়েছে তার বয়সের কথা বিবেচনা করে। আমি বলেছি, যেহেতু এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে নিম্ন আদালত দণ্ড কমিয়ে দিয়েছেন, সাজা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং জামিন শুনানির ক্ষেত্রে একই বিষয়গুলো পুনরায় বিবেচনা করার কোনো সুযোগ নেই। এখন আপিল শুনানি হবে আপিল শুনানিতে যদি দেখা যায় না। ওনার বিরুদ্ধে মামলা টিকে না তাহলে উনি খালাস পাবেন। আর যদি দেখা যায় ঠিকমতোই বিচার করা হয়েছে। তাহলে উনি জেলেই থাকবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাপলা চত্বরে গণহত্যা মামলা: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

সেই মামলায় তিনি জেলে আছেন ধরতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

আপডেট সময় ০৭:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সোমবার চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আগামী চার মাসের মধ্যে মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করতে সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দেন আদালত।

হাইকোর্ট বলেছেন, পেপারবুক প্রস্তুত হয়ে গেলে যে কোনো পক্ষ শুনানির জন্য আপিল উপস্থাপন করতে পারবে।

এ মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড নিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে আছেন। সে হিসেবে ৩৪ দিন পর বুধবার খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়টি চূড়ান্ত ফয়সালার জন্য উপস্থাপন হচ্ছে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে।

এদিকে আপিল বিভাগের বুধবারের কার্যতালিকায় এক এবং দুই নম্বরে আবেদন দুটি শুনানির জন্য রাখা হয়েছে। সকাল ৯টায় এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আপিল বিভাগ কী আদেশ দেন, এতে তিনি কারামুক্ত হতে পারবেন কিনা তা জানতে সবাই সেদিকে তাকিয়ে আছেন।

মঙ্গলবার চেম্বার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম , দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান ও খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন।

এ মামলায় জামিনের বিষয়ে আপিল বিভাগে চূড়ান্ত ফয়সালা হলে খালেদা জিয়া মুক্ত হতে পারবেন কিনা জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লায় গাড়ি পোড়ানোর মামলায় কাস্টডি ওয়ারেন্ট দেয়া আছে। সেই মামলায় তিনি জেলে আছেন ধরতে হবে। কাজেই ওই মামলাতে জামিন না নিয়ে কারাগার থেকে বের হওয়ার কোনো অবকাশ নেই।

আদালতের শুনানিতে কি বলেছেন জানতে চাইলেতিনি বলেন, আদালতে আমি বলেছি, খালেদা জিয়ার ১০ বছর সাজা হওয়া মর্মে নিম্ন আদালত মত দিয়েছেন। কিন্তু তাকে ৫ বছর করা হয়েছে তার বয়সের কথা বিবেচনা করে। আমি বলেছি, যেহেতু এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে নিম্ন আদালত দণ্ড কমিয়ে দিয়েছেন, সাজা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং জামিন শুনানির ক্ষেত্রে একই বিষয়গুলো পুনরায় বিবেচনা করার কোনো সুযোগ নেই। এখন আপিল শুনানি হবে আপিল শুনানিতে যদি দেখা যায় না। ওনার বিরুদ্ধে মামলা টিকে না তাহলে উনি খালাস পাবেন। আর যদি দেখা যায় ঠিকমতোই বিচার করা হয়েছে। তাহলে উনি জেলেই থাকবেন।