অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান বেঁচে আছেন বলে জানিয়েছে বিমান সংস্থাটি। তবে বিমানটির পাইলট পৃথুলা রশীদসহ তিনজন ক্রু নিহত হয়েছেন বলে কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
সোমবার দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানটি ছেড়ে যায়। নেপালে পৌঁছানোর পর স্থানীয় সময় ২টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৩টা ৫ মিনিট) এটি বিধ্বস্ত হয়।

বিমানটিতে ক্রুসহ মোট ৭১ জন ছিলেন। যাত্রী ছিলেন ৬৭ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশি ছাড়া ৩৩ জন নেপালি, একজন করে মালদ্বীপ ও চীনের যাত্রী ছিলেন।
নেপালের গণমাধ্যম মাই রিপাবলিকা জানায়, কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল(কেএমসি) কর্তৃপক্ষ আহতদের মধ্যে আটজনের মারা যাওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। নিহত ক্রুরা হলেন- পৃথুলা রশীদ, রকিবুল হাসান এবং খাজা হোসাইন।
পৃথুলার ফেইসবুক থেকে জানা যায়, তিনি ২০১৬ সালের জুলাই মাস থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে চাকরি করছেন। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা পৃথুলা উড্ডয়নের ডিগ্রি নিয়েছেন আরিরাং এভিয়েশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে।
ইউএস বাংলার ফার্স্ট অফিসার রিজওয়ান আহমেদ খান জানান., দুর্ঘটনাকবলিত বিমানের ক্যাপ্টেন ছিলেন আবিদ সুলতান। ফার্স্ট অফিসার পৃথুলা ছাড়াও ক্রু হিসেবে ছিলেন নাবিলা ও খাজা হোসেন। কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দেয়া মৃতের তালিকায় ক্রু খাজা হোসেনের নাম রয়েছে।
কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সুশীলা শর্মা জানান, আহতদের মধ্যে দুজনকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট(আইসিইউ)-তে ভর্তি করানো হয়েছে। বাকিদের হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গিয়েছে। তারা হলেন- হরি শঙ্কর পোদেল (৩৫), সাজনা দেবকোটা (৩০) এবং প্রবীণ চিত্রকর। নিহত একজন নারী এবং একজন পুরুষের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















