ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুক্তিকামীদের ওপর গুলিবর্ষণে ছিলেন জিয়াও: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের আগে চট্টগ্রামে ব্যারিকেড দেয়া বাঙালিদের ওপর যে আক্রমণ হয়েছিল, সেখানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর এক সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা এ কথা জানান।

প্রায় ৫০ মিনিটের ভাষণে শেখ হাসিনা মূলত ৭ মার্চের ভাষণের নানা দিক এবং মুক্তিযুদ্ধের কাহিনি বর্ণনা করেন। সচরাচর বিভিন্ন আলোচনায় তিনি যেভাবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দিক নিয়ে কথা বলেন, আজকে সেটা হয়নি।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর পর বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার কথা তুলে ধরে তার কন্যা বলেন, ‘ম্যাসেজটা সমগ্র বাংলাদেশে পৌঁছার সাথে সাথে তিনি যে সংগ্রাম পরিষদ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তারা ব্যারিকেড দিচ্ছিল।’

২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠকারী এবং পরে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীকে প্রতিহত করতে দেয়া ব্যারিকেড ভাঙতে গুলি করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘চিটাগাংয়ে যে ব্যারিকেড দেয়া হয়, সে ব্যারিকেড ভাঙার জন্য যে গুলি চালানো হয়েছিল আর্মির থেকে। ওই ২৫ তারিখ রাত পর্যন্ত, সেখানে কিন্তু জিয়াউর রহমানও একজন ছিল যে এদেরকে গুলি করে।’

‘এখনও চিটাগাং এর বহু নেতারা আছে, তারা ওই ঘটনা জানেন। আন্দোলনরতদের ওপর গুলি চালিয়ে তখন অনেক বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখের বিষয়, তখন যদি সাথে সাথে পদক্ষেপ নিত, তাহলে বহু আর্মির সৈনিকদের বাঁচানো যেত। সেখানে মেজর রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম) থেকে শুরু করে অনেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছিল। বিভিন্ন জায়গায় যে বাঙালি অফিসাররা, তারা কিন্তু তাদের গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে চলে যান।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মুক্তিকামীদের ওপর গুলিবর্ষণে ছিলেন জিয়াও: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:০৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের আগে চট্টগ্রামে ব্যারিকেড দেয়া বাঙালিদের ওপর যে আক্রমণ হয়েছিল, সেখানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর এক সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা এ কথা জানান।

প্রায় ৫০ মিনিটের ভাষণে শেখ হাসিনা মূলত ৭ মার্চের ভাষণের নানা দিক এবং মুক্তিযুদ্ধের কাহিনি বর্ণনা করেন। সচরাচর বিভিন্ন আলোচনায় তিনি যেভাবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দিক নিয়ে কথা বলেন, আজকে সেটা হয়নি।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর পর বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার কথা তুলে ধরে তার কন্যা বলেন, ‘ম্যাসেজটা সমগ্র বাংলাদেশে পৌঁছার সাথে সাথে তিনি যে সংগ্রাম পরিষদ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তারা ব্যারিকেড দিচ্ছিল।’

২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠকারী এবং পরে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীকে প্রতিহত করতে দেয়া ব্যারিকেড ভাঙতে গুলি করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘চিটাগাংয়ে যে ব্যারিকেড দেয়া হয়, সে ব্যারিকেড ভাঙার জন্য যে গুলি চালানো হয়েছিল আর্মির থেকে। ওই ২৫ তারিখ রাত পর্যন্ত, সেখানে কিন্তু জিয়াউর রহমানও একজন ছিল যে এদেরকে গুলি করে।’

‘এখনও চিটাগাং এর বহু নেতারা আছে, তারা ওই ঘটনা জানেন। আন্দোলনরতদের ওপর গুলি চালিয়ে তখন অনেক বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখের বিষয়, তখন যদি সাথে সাথে পদক্ষেপ নিত, তাহলে বহু আর্মির সৈনিকদের বাঁচানো যেত। সেখানে মেজর রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম) থেকে শুরু করে অনেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছিল। বিভিন্ন জায়গায় যে বাঙালি অফিসাররা, তারা কিন্তু তাদের গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে চলে যান।’