ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘জয় বাংলা’ কনসার্টে মুখরিত আর্মি স্টোডিয়াম

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

‘জয় বাংলা’ শ্লোগানটি উচ্চারিত হচ্ছে মঞ্চে, স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজারো দর্শকের কণ্ঠে। মহান মুক্তিযুদ্ধ এই শ্লোগান যেমন সারা দেশের মানুষকে এক সূত্রে গেঁথেছিল, তেমনি প্রতিটি সংকটে এবং জাতির অর্জনেও যেন এই শ্লোগান পুরো জাতিকে একতাবদ্ধ করে। এই প্রত্যয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণ উপলক্ষে ‘জয় বাংলা’ কনসার্টের আয়োজন করে ইয়াং বাংলার সেক্রেটারিয়েট সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)।

‘জয় বাংলা’ শ্লোগানটি কেন এভাবে আমাদের অস্তিত্বের অংশ হয়ে গেল! এই একটি শ্লোগান মুক্তিযুদ্ধে সারাদেশের মানুষকে একটি প্রত্যাশায়, একটি প্রতীজ্ঞায় এক করে তুলেছিল। আর এখন বর্তমান সময়ে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান হচ্ছে প্রত্যেকের অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধে পাওয়া এই বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করে তুলতে কাজ করে যাওয়ার প্রেরণার উচ্চারণ।

আজ বুধবার তরুণদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে ওঠেছে আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত জয় বাংলা কনসার্ট। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হতেই পুরো আর্মি স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। গানের সুরে নেচে গেয়ে বিকাল থেকে আনন্দে মেতে ওঠেছেন তারা। কনসার্টটি উপভোগ করার জন্য প্রায় হাজার হাজার সঙ্গীতানুরাগী ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করে।

একে একে পারফর্ম করেছে পাওয়ারসারজ, আরবোভাইরাস, নেমেসিস্। প্রতিটি ব্যান্ডদলই স্বাধীনবাংলা বেতারকেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রচারিত অনুপ্রেরণামূলক গানগুলো গেয়ে শোনায় দর্শকদের। আর বড় পর্দায় দেখানো হয় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি রঙিন অংশ। এছাড়াও লাল-নীল আলোকরশ্মির লেজার শোতে ফুটে ওঠে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ।

দেশের প্রতিটি দুর্দিনে ৭ মার্চের চেতনায় গর্জে ওঠার দুরন্ত আহ্বান নিয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে হাজির হয়েছে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড দলগুলো। কনসার্টে অংশ নেয় দেশের ৭টি ব্যান্ডদল। এরমধ্যে রয়েছে ব্যান্ডদল- আর্বোভাইরাস, শূন্য, ক্রিপটিক ফেট, নেমেসিস, লালন, চিরকূট ও আর্টসেল।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, বঙ্গবন্ধুর সেই উত্তাল ভাষণ, যা সারা বাংলার মুক্তিকামী জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল ২৪ বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খলা থেকে বের হবার প্রয়াসে। সেই বিশেষ দিনে দেশের তরুণদের ৭ই মার্চের ভাষণে উজ্জীবিত করতে এই কনসার্টের আয়োজন করা হয়। শিল্পীরা কনসার্টে নিজেদের গানের পাশাপাশি গেয়ে শোনান স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অমর গানগুলো যা তারা উৎসর্গ করেছিলেন দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যারা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবনবাজী রেখেছিল।
সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ইয়াং বাংলা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা ‘রূপকল্প-২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষে গঠিত কণ্ঠস্বর। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সর্বস্তরের যুবকদের সমন্বিত করে তাদের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘জয় বাংলা’ কনসার্টে মুখরিত আর্মি স্টোডিয়াম

আপডেট সময় ০৯:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

‘জয় বাংলা’ শ্লোগানটি উচ্চারিত হচ্ছে মঞ্চে, স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজারো দর্শকের কণ্ঠে। মহান মুক্তিযুদ্ধ এই শ্লোগান যেমন সারা দেশের মানুষকে এক সূত্রে গেঁথেছিল, তেমনি প্রতিটি সংকটে এবং জাতির অর্জনেও যেন এই শ্লোগান পুরো জাতিকে একতাবদ্ধ করে। এই প্রত্যয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণ উপলক্ষে ‘জয় বাংলা’ কনসার্টের আয়োজন করে ইয়াং বাংলার সেক্রেটারিয়েট সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)।

‘জয় বাংলা’ শ্লোগানটি কেন এভাবে আমাদের অস্তিত্বের অংশ হয়ে গেল! এই একটি শ্লোগান মুক্তিযুদ্ধে সারাদেশের মানুষকে একটি প্রত্যাশায়, একটি প্রতীজ্ঞায় এক করে তুলেছিল। আর এখন বর্তমান সময়ে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান হচ্ছে প্রত্যেকের অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধে পাওয়া এই বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করে তুলতে কাজ করে যাওয়ার প্রেরণার উচ্চারণ।

আজ বুধবার তরুণদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে ওঠেছে আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত জয় বাংলা কনসার্ট। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হতেই পুরো আর্মি স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। গানের সুরে নেচে গেয়ে বিকাল থেকে আনন্দে মেতে ওঠেছেন তারা। কনসার্টটি উপভোগ করার জন্য প্রায় হাজার হাজার সঙ্গীতানুরাগী ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করে।

একে একে পারফর্ম করেছে পাওয়ারসারজ, আরবোভাইরাস, নেমেসিস্। প্রতিটি ব্যান্ডদলই স্বাধীনবাংলা বেতারকেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রচারিত অনুপ্রেরণামূলক গানগুলো গেয়ে শোনায় দর্শকদের। আর বড় পর্দায় দেখানো হয় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি রঙিন অংশ। এছাড়াও লাল-নীল আলোকরশ্মির লেজার শোতে ফুটে ওঠে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ।

দেশের প্রতিটি দুর্দিনে ৭ মার্চের চেতনায় গর্জে ওঠার দুরন্ত আহ্বান নিয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে হাজির হয়েছে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড দলগুলো। কনসার্টে অংশ নেয় দেশের ৭টি ব্যান্ডদল। এরমধ্যে রয়েছে ব্যান্ডদল- আর্বোভাইরাস, শূন্য, ক্রিপটিক ফেট, নেমেসিস, লালন, চিরকূট ও আর্টসেল।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, বঙ্গবন্ধুর সেই উত্তাল ভাষণ, যা সারা বাংলার মুক্তিকামী জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল ২৪ বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খলা থেকে বের হবার প্রয়াসে। সেই বিশেষ দিনে দেশের তরুণদের ৭ই মার্চের ভাষণে উজ্জীবিত করতে এই কনসার্টের আয়োজন করা হয়। শিল্পীরা কনসার্টে নিজেদের গানের পাশাপাশি গেয়ে শোনান স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অমর গানগুলো যা তারা উৎসর্গ করেছিলেন দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যারা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবনবাজী রেখেছিল।
সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ইয়াং বাংলা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা ‘রূপকল্প-২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষে গঠিত কণ্ঠস্বর। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সর্বস্তরের যুবকদের সমন্বিত করে তাদের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা।