ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবদান নিয়ে বিতর্ক তুলে যারা অনৈক্য তৈরি করেছে ব্যর্থতার দায় তাদের: এবি পার্টি তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী আমরা ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি : মির্জা ফখরুল জুলাইয়ে দেশে এলো ৩৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স মার্কিন চুক্তির মাঝেই গাজায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ডাক ইসরাইলের স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে সরকার সৌদি জোটে যোগদান ইরানকে আঘাত করা নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ১৬ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে জুলাইয়ের ভিত্তি রচিত হয় : পানিসম্পদমন্ত্রী বেনজিরকে ফেরাতে ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের প্রতিবাদে যাত্রাবাড়ীতে বিএনপির বিক্ষোভ

আ.লীগের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেয়ার দরকার নেই: মওদুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন ‘সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়া কাউকে চাকরি দেওয়া হয় না।’

আজ সোমবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদসভায় এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ওই প্রতিবাদসভার আয়োজন করে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। সরকার যতই চেষ্টা করুক না কেন তারা নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না।’

সরকারের উদ্দেশে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আপনারা মনে করেছেন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচনে যাবেন? আপনাদের সে আশা কখনো পূরণ হবে না। দেশের মানুষ তা কখনো হতে দিবে না। নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না, ভোটের আগেই আওয়ামী লীগকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সমঝোতা করতে হবে।’

মওদুদ আহমদ আরো বলেন, ‘মিথ্যা ও বানোয়াট, সাজানো মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে, যাতে তারা আবার ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে পারে।’

দলের নেতাদের উদ্দেশে মওদুদ বলেন, ‘আমাদের কারো এখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বড় বড় বক্তৃতা দেওয়ার কোনো দরকার নেই। কারণ আমরা রাস্তায় নামলে রাজনীতির পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে যাবে। মানুষের জোয়ারে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে।’

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নৌকার পক্ষে ভোট চাইছে আর খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন কিছু বলছে না। নির্বাচন কমিশন কথায় বলে তারা স্বাধীন। কিন্তু তারা বর্তমান সরকারে তলপিবাহক হিসেবে কাজ করে। যদিও সাংবিধানিক ভাবে নির্বাচন কমিশন প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’

সংগঠনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুকে হত্যার অভিযোগে মা আটক

আ.লীগের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেয়ার দরকার নেই: মওদুদ

আপডেট সময় ০৯:০০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন ‘সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়া কাউকে চাকরি দেওয়া হয় না।’

আজ সোমবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদসভায় এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ওই প্রতিবাদসভার আয়োজন করে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। সরকার যতই চেষ্টা করুক না কেন তারা নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না।’

সরকারের উদ্দেশে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আপনারা মনে করেছেন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচনে যাবেন? আপনাদের সে আশা কখনো পূরণ হবে না। দেশের মানুষ তা কখনো হতে দিবে না। নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না, ভোটের আগেই আওয়ামী লীগকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সমঝোতা করতে হবে।’

মওদুদ আহমদ আরো বলেন, ‘মিথ্যা ও বানোয়াট, সাজানো মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে, যাতে তারা আবার ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে পারে।’

দলের নেতাদের উদ্দেশে মওদুদ বলেন, ‘আমাদের কারো এখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বড় বড় বক্তৃতা দেওয়ার কোনো দরকার নেই। কারণ আমরা রাস্তায় নামলে রাজনীতির পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে যাবে। মানুষের জোয়ারে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে।’

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নৌকার পক্ষে ভোট চাইছে আর খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন কিছু বলছে না। নির্বাচন কমিশন কথায় বলে তারা স্বাধীন। কিন্তু তারা বর্তমান সরকারে তলপিবাহক হিসেবে কাজ করে। যদিও সাংবিধানিক ভাবে নির্বাচন কমিশন প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’

সংগঠনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা।