ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

আ.লীগের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেয়ার দরকার নেই: মওদুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন ‘সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়া কাউকে চাকরি দেওয়া হয় না।’

আজ সোমবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদসভায় এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ওই প্রতিবাদসভার আয়োজন করে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। সরকার যতই চেষ্টা করুক না কেন তারা নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না।’

সরকারের উদ্দেশে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আপনারা মনে করেছেন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচনে যাবেন? আপনাদের সে আশা কখনো পূরণ হবে না। দেশের মানুষ তা কখনো হতে দিবে না। নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না, ভোটের আগেই আওয়ামী লীগকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সমঝোতা করতে হবে।’

মওদুদ আহমদ আরো বলেন, ‘মিথ্যা ও বানোয়াট, সাজানো মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে, যাতে তারা আবার ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে পারে।’

দলের নেতাদের উদ্দেশে মওদুদ বলেন, ‘আমাদের কারো এখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বড় বড় বক্তৃতা দেওয়ার কোনো দরকার নেই। কারণ আমরা রাস্তায় নামলে রাজনীতির পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে যাবে। মানুষের জোয়ারে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে।’

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নৌকার পক্ষে ভোট চাইছে আর খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন কিছু বলছে না। নির্বাচন কমিশন কথায় বলে তারা স্বাধীন। কিন্তু তারা বর্তমান সরকারে তলপিবাহক হিসেবে কাজ করে। যদিও সাংবিধানিক ভাবে নির্বাচন কমিশন প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’

সংগঠনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার পরিকল্পনা: বাংলাদেশের সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

আ.লীগের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেয়ার দরকার নেই: মওদুদ

আপডেট সময় ০৯:০০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন ‘সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়া কাউকে চাকরি দেওয়া হয় না।’

আজ সোমবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদসভায় এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ওই প্রতিবাদসভার আয়োজন করে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। সরকার যতই চেষ্টা করুক না কেন তারা নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না।’

সরকারের উদ্দেশে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আপনারা মনে করেছেন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচনে যাবেন? আপনাদের সে আশা কখনো পূরণ হবে না। দেশের মানুষ তা কখনো হতে দিবে না। নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না, ভোটের আগেই আওয়ামী লীগকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সমঝোতা করতে হবে।’

মওদুদ আহমদ আরো বলেন, ‘মিথ্যা ও বানোয়াট, সাজানো মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে, যাতে তারা আবার ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে পারে।’

দলের নেতাদের উদ্দেশে মওদুদ বলেন, ‘আমাদের কারো এখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বড় বড় বক্তৃতা দেওয়ার কোনো দরকার নেই। কারণ আমরা রাস্তায় নামলে রাজনীতির পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে যাবে। মানুষের জোয়ারে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে।’

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নৌকার পক্ষে ভোট চাইছে আর খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন কিছু বলছে না। নির্বাচন কমিশন কথায় বলে তারা স্বাধীন। কিন্তু তারা বর্তমান সরকারে তলপিবাহক হিসেবে কাজ করে। যদিও সাংবিধানিক ভাবে নির্বাচন কমিশন প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’

সংগঠনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা।