ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন শাহরাস্তিতে ধর্ষণের শিকার শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত আটক সংসদে প্রবেশে মাথা ঝোঁকানোতে আপত্তি জামায়াত এমপির বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান কারাগারে খেলা শেষ হওয়ার ২ ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ ইরানকে নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে ইরানে নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে চান শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী

আ.লীগের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেয়ার দরকার নেই: মওদুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন ‘সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়া কাউকে চাকরি দেওয়া হয় না।’

আজ সোমবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদসভায় এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ওই প্রতিবাদসভার আয়োজন করে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। সরকার যতই চেষ্টা করুক না কেন তারা নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না।’

সরকারের উদ্দেশে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আপনারা মনে করেছেন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচনে যাবেন? আপনাদের সে আশা কখনো পূরণ হবে না। দেশের মানুষ তা কখনো হতে দিবে না। নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না, ভোটের আগেই আওয়ামী লীগকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সমঝোতা করতে হবে।’

মওদুদ আহমদ আরো বলেন, ‘মিথ্যা ও বানোয়াট, সাজানো মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে, যাতে তারা আবার ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে পারে।’

দলের নেতাদের উদ্দেশে মওদুদ বলেন, ‘আমাদের কারো এখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বড় বড় বক্তৃতা দেওয়ার কোনো দরকার নেই। কারণ আমরা রাস্তায় নামলে রাজনীতির পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে যাবে। মানুষের জোয়ারে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে।’

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নৌকার পক্ষে ভোট চাইছে আর খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন কিছু বলছে না। নির্বাচন কমিশন কথায় বলে তারা স্বাধীন। কিন্তু তারা বর্তমান সরকারে তলপিবাহক হিসেবে কাজ করে। যদিও সাংবিধানিক ভাবে নির্বাচন কমিশন প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’

সংগঠনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক

আ.লীগের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেয়ার দরকার নেই: মওদুদ

আপডেট সময় ০৯:০০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন ‘সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়া কাউকে চাকরি দেওয়া হয় না।’

আজ সোমবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদসভায় এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ওই প্রতিবাদসভার আয়োজন করে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। সরকার যতই চেষ্টা করুক না কেন তারা নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না।’

সরকারের উদ্দেশে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আপনারা মনে করেছেন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচনে যাবেন? আপনাদের সে আশা কখনো পূরণ হবে না। দেশের মানুষ তা কখনো হতে দিবে না। নির্বাচন পর্যন্ত যেতে পারবেন না, ভোটের আগেই আওয়ামী লীগকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সমঝোতা করতে হবে।’

মওদুদ আহমদ আরো বলেন, ‘মিথ্যা ও বানোয়াট, সাজানো মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে, যাতে তারা আবার ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে পারে।’

দলের নেতাদের উদ্দেশে মওদুদ বলেন, ‘আমাদের কারো এখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বড় বড় বক্তৃতা দেওয়ার কোনো দরকার নেই। কারণ আমরা রাস্তায় নামলে রাজনীতির পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে যাবে। মানুষের জোয়ারে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে।’

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নৌকার পক্ষে ভোট চাইছে আর খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন কিছু বলছে না। নির্বাচন কমিশন কথায় বলে তারা স্বাধীন। কিন্তু তারা বর্তমান সরকারে তলপিবাহক হিসেবে কাজ করে। যদিও সাংবিধানিক ভাবে নির্বাচন কমিশন প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’

সংগঠনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা।