ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

কোটা প্রথার সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। রোববার সকাল ১১টার থেকে সড়ক বন্ধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন প্লাকার্ডে ও স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। প্লাকার্ডগুলোয় লেখা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় কোটা বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘১০%–এর বেশি কোটা নয়’, ‘নিয়োগে অভিন্ন কার্ড মার্ক নিশ্চিত কর’।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটার বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪ শতাংশ রাখা হয়েছে। সেই ৪৪ শতাংশে আবার থাকছে মুক্তিযোদ্ধা, নারী ও উপজাতি কোটায় আসা মেধাবীরা। এত কোটা দেওয়া হয়েছে, যার বিপরীতে সবসময় শূন্যপদ থাকে। যেখানে কারও নিয়োগ দেওয়া হয় না। এটা একটা বৈষম্য। আমাদের আন্দোলন কোটার বিপক্ষে না। আমরা আন্দোলন করছি কোটা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনার জন্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৭:০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

কোটা প্রথার সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। রোববার সকাল ১১টার থেকে সড়ক বন্ধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন প্লাকার্ডে ও স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। প্লাকার্ডগুলোয় লেখা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় কোটা বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘১০%–এর বেশি কোটা নয়’, ‘নিয়োগে অভিন্ন কার্ড মার্ক নিশ্চিত কর’।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটার বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪ শতাংশ রাখা হয়েছে। সেই ৪৪ শতাংশে আবার থাকছে মুক্তিযোদ্ধা, নারী ও উপজাতি কোটায় আসা মেধাবীরা। এত কোটা দেওয়া হয়েছে, যার বিপরীতে সবসময় শূন্যপদ থাকে। যেখানে কারও নিয়োগ দেওয়া হয় না। এটা একটা বৈষম্য। আমাদের আন্দোলন কোটার বিপক্ষে না। আমরা আন্দোলন করছি কোটা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনার জন্য।