ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল সংবিধান সংশোধন: প্রতিশ্রুতি ছাড়া কমিটিতে থাকতে চায় না জামায়াত পশ্চিমবঙ্গে জোট নয়; ‘একলা লড়াই’র ডাক রাহুল গান্ধীর বিশেষায়িত ইউনিটে জনবল বৃদ্ধি চায় পুলিশ পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৮ সেনা নিহত হয় চুক্তি করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে: ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে ২০২৪ সালেই প্রশ্ন তুলেছিলাম: তাসনিম জারা পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান কৃষক কার্ডে ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা: চিফ হুইপ

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

কোটা প্রথার সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। রোববার সকাল ১১টার থেকে সড়ক বন্ধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন প্লাকার্ডে ও স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। প্লাকার্ডগুলোয় লেখা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় কোটা বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘১০%–এর বেশি কোটা নয়’, ‘নিয়োগে অভিন্ন কার্ড মার্ক নিশ্চিত কর’।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটার বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪ শতাংশ রাখা হয়েছে। সেই ৪৪ শতাংশে আবার থাকছে মুক্তিযোদ্ধা, নারী ও উপজাতি কোটায় আসা মেধাবীরা। এত কোটা দেওয়া হয়েছে, যার বিপরীতে সবসময় শূন্যপদ থাকে। যেখানে কারও নিয়োগ দেওয়া হয় না। এটা একটা বৈষম্য। আমাদের আন্দোলন কোটার বিপক্ষে না। আমরা আন্দোলন করছি কোটা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনার জন্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘মৃত্যু নিয়ে এমন ব্যবসা ঠিক না’, কারিনার মৃত্যুর গুজবে কায়সার হামিদের ক্ষোভ

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৭:০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

কোটা প্রথার সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। রোববার সকাল ১১টার থেকে সড়ক বন্ধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন প্লাকার্ডে ও স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। প্লাকার্ডগুলোয় লেখা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় কোটা বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘১০%–এর বেশি কোটা নয়’, ‘নিয়োগে অভিন্ন কার্ড মার্ক নিশ্চিত কর’।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটার বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪ শতাংশ রাখা হয়েছে। সেই ৪৪ শতাংশে আবার থাকছে মুক্তিযোদ্ধা, নারী ও উপজাতি কোটায় আসা মেধাবীরা। এত কোটা দেওয়া হয়েছে, যার বিপরীতে সবসময় শূন্যপদ থাকে। যেখানে কারও নিয়োগ দেওয়া হয় না। এটা একটা বৈষম্য। আমাদের আন্দোলন কোটার বিপক্ষে না। আমরা আন্দোলন করছি কোটা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনার জন্য।