ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলবে চায়না অর্থনৈতিক অঞ্চল : অর্থমন্ত্রী কমিউনিটি এনগেজমেন্টের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শক্তিশালী করতে হবে: ববি হাজ্জাজ এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার রাবি ছাত্রীকে চাকু-পিস্তলের ভয় দেখানোর অভিযোগ, পদ্মায় ফেলে দেওয়ার হুমকি বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান চলছে, তবে আলোচনার পরিস্থিতি নেই: ইরান শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ:শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

কোটা প্রথার সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। রোববার সকাল ১১টার থেকে সড়ক বন্ধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন প্লাকার্ডে ও স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। প্লাকার্ডগুলোয় লেখা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় কোটা বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘১০%–এর বেশি কোটা নয়’, ‘নিয়োগে অভিন্ন কার্ড মার্ক নিশ্চিত কর’।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটার বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪ শতাংশ রাখা হয়েছে। সেই ৪৪ শতাংশে আবার থাকছে মুক্তিযোদ্ধা, নারী ও উপজাতি কোটায় আসা মেধাবীরা। এত কোটা দেওয়া হয়েছে, যার বিপরীতে সবসময় শূন্যপদ থাকে। যেখানে কারও নিয়োগ দেওয়া হয় না। এটা একটা বৈষম্য। আমাদের আন্দোলন কোটার বিপক্ষে না। আমরা আন্দোলন করছি কোটা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনার জন্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৭:০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

কোটা প্রথার সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। রোববার সকাল ১১টার থেকে সড়ক বন্ধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন প্লাকার্ডে ও স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। প্লাকার্ডগুলোয় লেখা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় কোটা বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘১০%–এর বেশি কোটা নয়’, ‘নিয়োগে অভিন্ন কার্ড মার্ক নিশ্চিত কর’।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটার বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪ শতাংশ রাখা হয়েছে। সেই ৪৪ শতাংশে আবার থাকছে মুক্তিযোদ্ধা, নারী ও উপজাতি কোটায় আসা মেধাবীরা। এত কোটা দেওয়া হয়েছে, যার বিপরীতে সবসময় শূন্যপদ থাকে। যেখানে কারও নিয়োগ দেওয়া হয় না। এটা একটা বৈষম্য। আমাদের আন্দোলন কোটার বিপক্ষে না। আমরা আন্দোলন করছি কোটা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনার জন্য।