ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

কোটা প্রথার সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। রোববার সকাল ১১টার থেকে সড়ক বন্ধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন প্লাকার্ডে ও স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। প্লাকার্ডগুলোয় লেখা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় কোটা বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘১০%–এর বেশি কোটা নয়’, ‘নিয়োগে অভিন্ন কার্ড মার্ক নিশ্চিত কর’।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটার বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪ শতাংশ রাখা হয়েছে। সেই ৪৪ শতাংশে আবার থাকছে মুক্তিযোদ্ধা, নারী ও উপজাতি কোটায় আসা মেধাবীরা। এত কোটা দেওয়া হয়েছে, যার বিপরীতে সবসময় শূন্যপদ থাকে। যেখানে কারও নিয়োগ দেওয়া হয় না। এটা একটা বৈষম্য। আমাদের আন্দোলন কোটার বিপক্ষে না। আমরা আন্দোলন করছি কোটা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনার জন্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৭:০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

কোটা প্রথার সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। রোববার সকাল ১১টার থেকে সড়ক বন্ধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা বিভিন্ন প্লাকার্ডে ও স্লোগানে স্লোগানে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। প্লাকার্ডগুলোয় লেখা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় কোটা বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘১০%–এর বেশি কোটা নয়’, ‘নিয়োগে অভিন্ন কার্ড মার্ক নিশ্চিত কর’।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটার বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪ শতাংশ রাখা হয়েছে। সেই ৪৪ শতাংশে আবার থাকছে মুক্তিযোদ্ধা, নারী ও উপজাতি কোটায় আসা মেধাবীরা। এত কোটা দেওয়া হয়েছে, যার বিপরীতে সবসময় শূন্যপদ থাকে। যেখানে কারও নিয়োগ দেওয়া হয় না। এটা একটা বৈষম্য। আমাদের আন্দোলন কোটার বিপক্ষে না। আমরা আন্দোলন করছি কোটা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কমিয়ে আনার জন্য।