ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

দেশে বিড়ি থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের তামাক বাজারের ৮০ শতাংশ বিড়ি ও কমদামি সিগারেটের দখলে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ভবিষ্যতে দেশে আর বিড়ি থাকবে না। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের কোম্পনিগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।সিগারেটের মূল্যস্তর পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এ বিষয়ে কারখানা মালিকরা তাদের প্রস্তাব দিয়েছেন। এখন আমরা নিজেরা বসে সিদ্ধান্ত নেব- কোনটা কি করব।”

মুহিত বলেন, তামাক কোম্পানিগুলো তাদের সব ধরনের চাহিদার কথা জানিয়েছে। দুই পক্ষ থেকেই আলোচনা হয়েছে। “তামাক বাজারের ৮০ শতাংশ বিড়িসহ অন্যান্য কম দামি সিগারেটের দখলে। এসব তামাক পণ্য স্বাস্থ্যের জন্য খুব বেশি ক্ষতিকারক। এগুলো কীভাব নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে বিষয়ে সরকার ডেফিনেটলি পলিসি গ্রহণ করবে।”

তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর ভাষ্য, বাংলাদেশে ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের ৪৫ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে তামাক সেবন করে। তামাকজনিত স্বাস্থ্য জটিলতায় বাংলাদেশে প্রতিবছর ৫৭ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। আরও প্রায় তিন লাখ মানুষকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগতে হয়।কিন্তু তারপরও তামাক চাষ প্রতিবছরই বাড়ছে। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে যেখানে দেশে ২৯ হাজার ২৭৬ হেক্টর জমিতে তামাকের চাষ হত, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তা বেড়েছে ৭৮ হাজার ৭২৪ হেক্টর হয়েছে।

বিড়ি বন্ধ হয়ে গেলে ফলে রাজস্ব আদায়ে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা- এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, “রাজস্ব আয়ে এমন কিছু হবে না। তবে চাহিদা কমলে রাজস্ব আয় একটু কমতে পারে।” বিড়ি শিল্প টিকিয়ে রাখতে রাজনৈতিক বা সংসদ সদস্যেদের চাপ রয়েছে বলে বিভিন্ন তামাক কোম্পানির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এ বিষয়ে গতবার অসংখ্য চিঠি পেয়েছিলাম। এবার মাত্র দু-চারটা পেয়েছি। উই হ্যাভ ডিসাইডেড এলং ইউথ সাম অফ বিড়িওয়ালাস দ্যাট, বিড়ি ইউল আউট অব বাংলাদেশ।”

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

দেশে বিড়ি থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের তামাক বাজারের ৮০ শতাংশ বিড়ি ও কমদামি সিগারেটের দখলে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ভবিষ্যতে দেশে আর বিড়ি থাকবে না। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের কোম্পনিগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।সিগারেটের মূল্যস্তর পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এ বিষয়ে কারখানা মালিকরা তাদের প্রস্তাব দিয়েছেন। এখন আমরা নিজেরা বসে সিদ্ধান্ত নেব- কোনটা কি করব।”

মুহিত বলেন, তামাক কোম্পানিগুলো তাদের সব ধরনের চাহিদার কথা জানিয়েছে। দুই পক্ষ থেকেই আলোচনা হয়েছে। “তামাক বাজারের ৮০ শতাংশ বিড়িসহ অন্যান্য কম দামি সিগারেটের দখলে। এসব তামাক পণ্য স্বাস্থ্যের জন্য খুব বেশি ক্ষতিকারক। এগুলো কীভাব নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে বিষয়ে সরকার ডেফিনেটলি পলিসি গ্রহণ করবে।”

তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর ভাষ্য, বাংলাদেশে ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের ৪৫ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে তামাক সেবন করে। তামাকজনিত স্বাস্থ্য জটিলতায় বাংলাদেশে প্রতিবছর ৫৭ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। আরও প্রায় তিন লাখ মানুষকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগতে হয়।কিন্তু তারপরও তামাক চাষ প্রতিবছরই বাড়ছে। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে যেখানে দেশে ২৯ হাজার ২৭৬ হেক্টর জমিতে তামাকের চাষ হত, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তা বেড়েছে ৭৮ হাজার ৭২৪ হেক্টর হয়েছে।

বিড়ি বন্ধ হয়ে গেলে ফলে রাজস্ব আদায়ে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা- এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, “রাজস্ব আয়ে এমন কিছু হবে না। তবে চাহিদা কমলে রাজস্ব আয় একটু কমতে পারে।” বিড়ি শিল্প টিকিয়ে রাখতে রাজনৈতিক বা সংসদ সদস্যেদের চাপ রয়েছে বলে বিভিন্ন তামাক কোম্পানির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এ বিষয়ে গতবার অসংখ্য চিঠি পেয়েছিলাম। এবার মাত্র দু-চারটা পেয়েছি। উই হ্যাভ ডিসাইডেড এলং ইউথ সাম অফ বিড়িওয়ালাস দ্যাট, বিড়ি ইউল আউট অব বাংলাদেশ।”

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।