ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩২ ধারা নিয়ে এখনই কিছু বলবেন না ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ নিয়ে এখনই কিছু বলতে চান না তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, আগে শুনতে চাই কে কি বলে। এরপর প্রয়োজন হলে প্রতিক্রিয়া দেবো। মঙ্গলবার সচিবালয়ে নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

অষ্টম ওয়েজ বোর্ড এখন অনেক সংবাদ মাধ্যমে বাস্তবায়ন হয়নি, এক্ষেত্রে আপনাদের ভূমিকা কী, এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে আমাদের ভূমিকা বলতে ডিএফপি নামে আমাদের সংস্থা আছে। সেখানে এসব মনিটরিংয়ে জন্য কমিটি আছে, যারা খবরদারি বা তদারকি করে। সেখানে বড় বড় সাংবাদিকরাও আছেন।

নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বছরের শুরুতেই আমরা আপনাদের (সাংবাদিকদের) সুসংবাদ দিতে পেরেছি। এটি নিয়ে ২০১৬ সাল থেকেই কাজ করেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের পর আজকে এটি চূড়ান্ত রূপ পেল। এই বোর্ডের নেতৃত্বে আছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিজামুল হক। তিনি অত্যন্ত দক্ষ একজন মানুষ। চাইলে তিনি আজকে থেকেই কাজ শুরু করতে পারেন। তার নেতৃত্বে আরও ১২জন সদস্য আছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এ সম্মেলন থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নবম ওয়েজবোর্ড অনুমোদনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। ধন্যবাদ জানাই অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এবং যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে, তাদের সদয় সহযোগিতার জন্য। সকল গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দকেও আন্তরিক ধন্যবাদ, যারা এ বিষয়ে একাগ্রচিত্তে কাজ করেছেন, সময়ে সময়ে গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে নবম ওয়েজবোর্ড গঠনে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করেছেন।’

ইনু বলেন, ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ১৪৩ ধারা অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান ও সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ এবং সামাজিক ও সংবাদপত্র কর্মচারী/শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী সমসংখ্যক প্রতিনিধি সমন্বয়ে নবগঠিত এ সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড পূর্বের রোয়েদাদ, সংবাদপত্র শিল্পের আর্থিক অবস্থা, সক্ষমতা, জীবনযাত্রার ব্যয়, সমতুল্য মজুরিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি পর্যালোচনা করবে এবং সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থায় নিয়োজিত সাংবাদিক, কর্মচারী ও প্রেস শ্রমিকদের জন্য বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ছয় মাসের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রেস) নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং তথ্য মন্ত্রণালয় বোর্ডকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। প্রস্তাবিত ওয়েজ বোর্ড প্রয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সংবাদপত্র কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা প্রদানের বিষয় বিবেচনা করে সরকারের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশও পেশ করতে পারবে বলে জানান মন্ত্রী।

ইনু জানান, নবম ওয়েজবোর্ড গঠনের লক্ষ্যে আমরা ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর অংশীজনদের নিয়ে প্রথম বৈঠক আয়োজন করি। সেই থেকে অব্যাহত সভা এবং প্রচেষ্টার ফসল এই নবম মজুরি বোর্ড। নবম মজুরি বোর্ড যাতে সাংবাদিকদের জন্য উপকার বয়ে আনতে পারে, সেজন্য মালিকপক্ষের প্রতিনিধি নিয়েই বোর্ড গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছিলো। খানিক সময় লাগলেও আমরা সেভাবেই তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।

মন্ত্রী বলেন, মনে রাখা প্রয়োজন, শেখ হাসিনার সরকার একই সঙ্গে যেমন জনবান্ধব, কৃষিবান্ধব, উন্নয়নবান্ধব, প্রযুক্তিবান্ধব, তেমিন গণমাধ্যমবান্ধব সরকার। এ সরকারের আমলেই যেমন বেসরকারি খাতে প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছে, তেমনি সাংবাদিকদের কল্যাণের বিষয়টিও পেয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। লক্ষ্য করলে দেখবেন, ১৯৯৭ সালে শেখ হাসিনার সরকারই পঞ্চম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণা করে, যার পরে অন্য সরকারের কাছ থেকে রোয়েদাদ পেতে সময় লেগেছে দশ বছরেরও বেশি। আবার শেখ হাসিনার সরকারের আমলেই ২০১২ সালের ১৮ জুন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হকের নেতৃত্বে অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের সুপারিশক্রমে ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর অষ্টম সংবাদপত্র রোয়েদাদের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছিল।

মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে আমরা শুধু সাংবাদিক সহায়তা নীতি প্রণয়ন করেই ক্ষান্ত হইনি, আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট। বেসরকারি টেলিভিশন, রেডিও ও অনলাইন গণমাধ্যমের সুষ্ঠু বিকাশের লক্ষ্যে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা, জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণয়ন করেছি এবং জাতীয় সম্প্রচার আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।

ইনু বলেন, ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমকে মজুরি বোর্ড রোয়েদাদের আওতায় আনতে সরকারের সদিচ্ছার কোনো অভাব নেই। ২০১৬ সালের প্রথম সভাতেই আমরা এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলাম এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সংগঠনগুলো সমন্বয়ে কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। এ সত্ত্বেও সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিক ও কর্মচারিদের সঙ্গে ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও কর্মচারিদের পদসোপানের সমতা বিধান করে কোনো প্রস্তাব এখনও পাওয়া যায়নি। তবুও আমরা হাল ছাড়িনি। লক্ষ্য করলে দেখবেন, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কর্মীদের বিষয়টিও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এ বোর্ড সুপারিশ প্রণয়ন করবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৩২ ধারা নিয়ে এখনই কিছু বলবেন না ইনু

আপডেট সময় ০৮:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ নিয়ে এখনই কিছু বলতে চান না তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, আগে শুনতে চাই কে কি বলে। এরপর প্রয়োজন হলে প্রতিক্রিয়া দেবো। মঙ্গলবার সচিবালয়ে নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

অষ্টম ওয়েজ বোর্ড এখন অনেক সংবাদ মাধ্যমে বাস্তবায়ন হয়নি, এক্ষেত্রে আপনাদের ভূমিকা কী, এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে আমাদের ভূমিকা বলতে ডিএফপি নামে আমাদের সংস্থা আছে। সেখানে এসব মনিটরিংয়ে জন্য কমিটি আছে, যারা খবরদারি বা তদারকি করে। সেখানে বড় বড় সাংবাদিকরাও আছেন।

নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বছরের শুরুতেই আমরা আপনাদের (সাংবাদিকদের) সুসংবাদ দিতে পেরেছি। এটি নিয়ে ২০১৬ সাল থেকেই কাজ করেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের পর আজকে এটি চূড়ান্ত রূপ পেল। এই বোর্ডের নেতৃত্বে আছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিজামুল হক। তিনি অত্যন্ত দক্ষ একজন মানুষ। চাইলে তিনি আজকে থেকেই কাজ শুরু করতে পারেন। তার নেতৃত্বে আরও ১২জন সদস্য আছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এ সম্মেলন থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নবম ওয়েজবোর্ড অনুমোদনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। ধন্যবাদ জানাই অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এবং যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে, তাদের সদয় সহযোগিতার জন্য। সকল গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দকেও আন্তরিক ধন্যবাদ, যারা এ বিষয়ে একাগ্রচিত্তে কাজ করেছেন, সময়ে সময়ে গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে নবম ওয়েজবোর্ড গঠনে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করেছেন।’

ইনু বলেন, ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ১৪৩ ধারা অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান ও সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ এবং সামাজিক ও সংবাদপত্র কর্মচারী/শ্রমিকগণের প্রতিনিধিত্বকারী সমসংখ্যক প্রতিনিধি সমন্বয়ে নবগঠিত এ সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড পূর্বের রোয়েদাদ, সংবাদপত্র শিল্পের আর্থিক অবস্থা, সক্ষমতা, জীবনযাত্রার ব্যয়, সমতুল্য মজুরিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি পর্যালোচনা করবে এবং সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থায় নিয়োজিত সাংবাদিক, কর্মচারী ও প্রেস শ্রমিকদের জন্য বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ছয় মাসের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রেস) নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং তথ্য মন্ত্রণালয় বোর্ডকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। প্রস্তাবিত ওয়েজ বোর্ড প্রয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সংবাদপত্র কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা প্রদানের বিষয় বিবেচনা করে সরকারের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশও পেশ করতে পারবে বলে জানান মন্ত্রী।

ইনু জানান, নবম ওয়েজবোর্ড গঠনের লক্ষ্যে আমরা ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর অংশীজনদের নিয়ে প্রথম বৈঠক আয়োজন করি। সেই থেকে অব্যাহত সভা এবং প্রচেষ্টার ফসল এই নবম মজুরি বোর্ড। নবম মজুরি বোর্ড যাতে সাংবাদিকদের জন্য উপকার বয়ে আনতে পারে, সেজন্য মালিকপক্ষের প্রতিনিধি নিয়েই বোর্ড গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছিলো। খানিক সময় লাগলেও আমরা সেভাবেই তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।

মন্ত্রী বলেন, মনে রাখা প্রয়োজন, শেখ হাসিনার সরকার একই সঙ্গে যেমন জনবান্ধব, কৃষিবান্ধব, উন্নয়নবান্ধব, প্রযুক্তিবান্ধব, তেমিন গণমাধ্যমবান্ধব সরকার। এ সরকারের আমলেই যেমন বেসরকারি খাতে প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছে, তেমনি সাংবাদিকদের কল্যাণের বিষয়টিও পেয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। লক্ষ্য করলে দেখবেন, ১৯৯৭ সালে শেখ হাসিনার সরকারই পঞ্চম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণা করে, যার পরে অন্য সরকারের কাছ থেকে রোয়েদাদ পেতে সময় লেগেছে দশ বছরেরও বেশি। আবার শেখ হাসিনার সরকারের আমলেই ২০১২ সালের ১৮ জুন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হকের নেতৃত্বে অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের সুপারিশক্রমে ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর অষ্টম সংবাদপত্র রোয়েদাদের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছিল।

মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে আমরা শুধু সাংবাদিক সহায়তা নীতি প্রণয়ন করেই ক্ষান্ত হইনি, আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট। বেসরকারি টেলিভিশন, রেডিও ও অনলাইন গণমাধ্যমের সুষ্ঠু বিকাশের লক্ষ্যে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা, জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণয়ন করেছি এবং জাতীয় সম্প্রচার আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।

ইনু বলেন, ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমকে মজুরি বোর্ড রোয়েদাদের আওতায় আনতে সরকারের সদিচ্ছার কোনো অভাব নেই। ২০১৬ সালের প্রথম সভাতেই আমরা এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলাম এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সংগঠনগুলো সমন্বয়ে কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। এ সত্ত্বেও সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিক ও কর্মচারিদের সঙ্গে ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও কর্মচারিদের পদসোপানের সমতা বিধান করে কোনো প্রস্তাব এখনও পাওয়া যায়নি। তবুও আমরা হাল ছাড়িনি। লক্ষ্য করলে দেখবেন, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কর্মীদের বিষয়টিও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এ বোর্ড সুপারিশ প্রণয়ন করবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।