ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

৮৫ বছরে পা রাখলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মন্ত্রিসভার তো বটেই, সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বুড়ো অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের অাজ জন্মদিন।আজ ৮৪ বছর শেষ করে ৮৫ বছরে পা রাখলেন তিনি। তার জন্মদিনে তাকে শুভেচ্ছায় সিক্ত করলেন মন্ত্রণালয় ও এর বিভিন্ন বিভাগের কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় এবং অর্থ বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কল্যাণ সমিতির নেতা ও সদস্যারা অর্থমন্ত্রীকে জন্মদিনের শভেচ্ছা জানান। এসময় অর্থমন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ধন্যবাদ জানান।

সাত যুগ পার করে আসা মুহিত কিন্তু এখনও ভীষণ সক্রিয় মানুষ। তিনি ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পরিশ্রম করেন বলে জানিয়েছেন নিজে। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রায়ই মুহিতের কর্মতৎপরতার উদাহরণ দেন।

দীর্ঘ কর্মময় জীবন পেয়ে স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। দেশের মানুষের কাছেও ঋণ তার। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন টানা ৮ বছর তার ওপর আস্থা রাখার জন্য।

বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী সিলেটের এই কৃতি সন্তান পাকিস্তান আন্দোলন ও তৎকালীন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের অন্যতম নেতা অ্যাডভোকেট আবু আহমদ আব্দুল হাফিজের দ্বিতীয় পুত্র তিনি। তার মা সৈয়দ শাহার বানু চৌধুরীও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়া আবদুল মুহিত বরাবরই একজন মেধাবী মানুষ। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। পরের বছর একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার আগে অংশ নেন ভাষা আন্দোলনে। ছাত্রজীবনে সলিমুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের ভিপিও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ১৯৫৬ সালে তিনি যোগ দেন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি)।

সিএসপিতে যোগ দিয়ে তিনি ওয়াশিংটন দূতাবাসে পাকিস্তানের কূটনীতিকের দায়িত্ব নেন এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের জুনে পাকিস্তানের পক্ষও ত্যাগ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ হবে এক দৃপ্ত অহংকারের নাম-এই স্বপ্নে বাকি জীবন বেঁচে থাকতে চাই। ’স্ত্রী সৈয়দা সাবিয়া মুহিত, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ‘ভালো আছি’,বলেন অর্থমন্ত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

৮৫ বছরে পা রাখলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত

আপডেট সময় ০২:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মন্ত্রিসভার তো বটেই, সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বুড়ো অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের অাজ জন্মদিন।আজ ৮৪ বছর শেষ করে ৮৫ বছরে পা রাখলেন তিনি। তার জন্মদিনে তাকে শুভেচ্ছায় সিক্ত করলেন মন্ত্রণালয় ও এর বিভিন্ন বিভাগের কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় এবং অর্থ বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কল্যাণ সমিতির নেতা ও সদস্যারা অর্থমন্ত্রীকে জন্মদিনের শভেচ্ছা জানান। এসময় অর্থমন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ধন্যবাদ জানান।

সাত যুগ পার করে আসা মুহিত কিন্তু এখনও ভীষণ সক্রিয় মানুষ। তিনি ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পরিশ্রম করেন বলে জানিয়েছেন নিজে। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রায়ই মুহিতের কর্মতৎপরতার উদাহরণ দেন।

দীর্ঘ কর্মময় জীবন পেয়ে স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। দেশের মানুষের কাছেও ঋণ তার। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন টানা ৮ বছর তার ওপর আস্থা রাখার জন্য।

বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী সিলেটের এই কৃতি সন্তান পাকিস্তান আন্দোলন ও তৎকালীন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের অন্যতম নেতা অ্যাডভোকেট আবু আহমদ আব্দুল হাফিজের দ্বিতীয় পুত্র তিনি। তার মা সৈয়দ শাহার বানু চৌধুরীও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়া আবদুল মুহিত বরাবরই একজন মেধাবী মানুষ। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। পরের বছর একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার আগে অংশ নেন ভাষা আন্দোলনে। ছাত্রজীবনে সলিমুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের ভিপিও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ১৯৫৬ সালে তিনি যোগ দেন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি)।

সিএসপিতে যোগ দিয়ে তিনি ওয়াশিংটন দূতাবাসে পাকিস্তানের কূটনীতিকের দায়িত্ব নেন এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের জুনে পাকিস্তানের পক্ষও ত্যাগ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ হবে এক দৃপ্ত অহংকারের নাম-এই স্বপ্নে বাকি জীবন বেঁচে থাকতে চাই। ’স্ত্রী সৈয়দা সাবিয়া মুহিত, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ‘ভালো আছি’,বলেন অর্থমন্ত্রী।