ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

গৌরীপুর হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গৌরীপুর ইউনিয়নের ইচুলিয়া গ্রামের সবদর আলীর ছেলে রুস্তম আলী (৪৫) নামে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটলেও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়নি।

পূর্বের কর্তব্যরত ডাক্তার জেসমিন আক্তারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন কর্তব্যরত ডাক্তার শাহল রহমান খান। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, সকাল ১০টায় নির্ধারিত ডিউটি শেষে জেসমিন আক্তার হাসপাতালে থেকে বেরিয়ে যান। এরপর ডা. শাহল রহমান খানই দায়িত্বে ছিলেন।

অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার আহম্মদ ও পরিদর্শক (তদন্ত) তারেকুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ মোতায়েন করেন। রোগীর ভাতিজা আবু তালেব ফকিরের ছেলে মো. সোবহান আলী জানান, দুপুর ১টার দিকে মধ্যবাজারে চা খাওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় ১টা ২৫মিনিটে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। এ সময় কোনো মেডিকেল অফিসার ছিলেন না।

কর্তব্যরত উপসহকারী মেডিকেল অফিসার আক্তার হোসেন রোগীকে ভর্তির নির্দেশ দেন। এরপর হাসপাতালে আসেন ডা. শাহল রহমান খান। তিনি রোগীকে দেখে একটি ইনজেকশন লিখে দেন। ইনজেকশন দেয়ার সময় চাচার মৃত্যু হয়।

আক্তার হোসেন জানান, রুস্তুম আলী দীর্ঘদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল ছিলেন। এ সময় কোনো মেডিকেল অফিসার ছিলেন না। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার, মেডিসিন কনসালটেন্টের সঙ্গেও যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে রোগীকে ভর্তির আদেশ দেই। তখন প্রেসারও স্বাভাবিক ছিল।

এরপর ডা. শাহল রহমান খান আসেন তাকে রোগীর বিস্তারিত বলে ডিউটি শেষ করে চলে আসি। তিনি রোগী দেখে ক্লোনাট্রিল নামক ইনজেকশন লিখে দেন বলে জানান তিনি। রোগী আনয়নকারী ব্যবসায়ী মো. সাদেক মিয়া জানান, রোগীর ভর্তির সময় কোনো মেডিকেল অফিসার হাসপাতালে ছিলেন না। এরপর ইনজেকশন দিতেই রোগী মারা গেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. মো. রবিউল ইসলাম জানান, আমি ট্রেনিংয়ে ঢাকায় আছি। মৃত্যুর কারণ ও ডাক্তারের কর্তব্যে অবহেলা থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার আহম্মদ জানান, রোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দিতে রাজি হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ গ্রহণের আবেদন করায় পরিবারের সদস্যদের কাছে লাশ বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

গৌরীপুর হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু

আপডেট সময় ১১:২৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গৌরীপুর ইউনিয়নের ইচুলিয়া গ্রামের সবদর আলীর ছেলে রুস্তম আলী (৪৫) নামে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটলেও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়নি।

পূর্বের কর্তব্যরত ডাক্তার জেসমিন আক্তারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন কর্তব্যরত ডাক্তার শাহল রহমান খান। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, সকাল ১০টায় নির্ধারিত ডিউটি শেষে জেসমিন আক্তার হাসপাতালে থেকে বেরিয়ে যান। এরপর ডা. শাহল রহমান খানই দায়িত্বে ছিলেন।

অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার আহম্মদ ও পরিদর্শক (তদন্ত) তারেকুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ মোতায়েন করেন। রোগীর ভাতিজা আবু তালেব ফকিরের ছেলে মো. সোবহান আলী জানান, দুপুর ১টার দিকে মধ্যবাজারে চা খাওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় ১টা ২৫মিনিটে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। এ সময় কোনো মেডিকেল অফিসার ছিলেন না।

কর্তব্যরত উপসহকারী মেডিকেল অফিসার আক্তার হোসেন রোগীকে ভর্তির নির্দেশ দেন। এরপর হাসপাতালে আসেন ডা. শাহল রহমান খান। তিনি রোগীকে দেখে একটি ইনজেকশন লিখে দেন। ইনজেকশন দেয়ার সময় চাচার মৃত্যু হয়।

আক্তার হোসেন জানান, রুস্তুম আলী দীর্ঘদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল ছিলেন। এ সময় কোনো মেডিকেল অফিসার ছিলেন না। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার, মেডিসিন কনসালটেন্টের সঙ্গেও যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে রোগীকে ভর্তির আদেশ দেই। তখন প্রেসারও স্বাভাবিক ছিল।

এরপর ডা. শাহল রহমান খান আসেন তাকে রোগীর বিস্তারিত বলে ডিউটি শেষ করে চলে আসি। তিনি রোগী দেখে ক্লোনাট্রিল নামক ইনজেকশন লিখে দেন বলে জানান তিনি। রোগী আনয়নকারী ব্যবসায়ী মো. সাদেক মিয়া জানান, রোগীর ভর্তির সময় কোনো মেডিকেল অফিসার হাসপাতালে ছিলেন না। এরপর ইনজেকশন দিতেই রোগী মারা গেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. মো. রবিউল ইসলাম জানান, আমি ট্রেনিংয়ে ঢাকায় আছি। মৃত্যুর কারণ ও ডাক্তারের কর্তব্যে অবহেলা থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গৌরীপুর থানার ওসি দেলোয়ার আহম্মদ জানান, রোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দিতে রাজি হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ গ্রহণের আবেদন করায় পরিবারের সদস্যদের কাছে লাশ বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।