ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

মওদুদ ভাই সঠিক বলেননি: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনকালীন সরকার সংবিধানে নেই বলে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের বক্তব্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ও ধারা উল্লেখ করে মওদুদের যুক্তি খণ্ডন করেছেন।

রবিবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদেরকে এ কথা বলেন ইনু। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় সরকার কী করবে সেটি সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইনে স্পষ্ট করেই বলা আছে। এনিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

গত শুক্রবার জাতির ‍উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষ দিকে ভোট হবে। আর ভোটের আগে গঠন করা হবে নির্বাচনকালীন সরকার।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ পরদিন রাজধানীতে এক আলোচনায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলেছেন, সেটাও সংবিধানে নেই।

এর জবাবে ইনু বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সংবিধানে কোন অস্পষ্টতা নেই। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬ এর ৪, ৫৭ এর ৩, ৫৮ এর ৩ এবং ৪ ধারায় নির্বাচনের সময় কারা ক্ষমতায় থাকবে সে প্রসঙ্গে পরিস্কারভাবে বলা হয়েছে।’

‘সেখানে পরিস্কার বলা হয়েছে পরবর্তী সরকার অর্থ্যাৎ উত্তরাধীকার নির্ণয় না হওয়া পর্যন্ত আগের সংসদের সংসদ সদস্য থেকে আসা প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীরাই দায়িত্বে থাকবেন।’

‘সুতরাং মওদুদ ভাই যেটা বলেছেন সেটা সঠিক নয়। সংবিধানে এ বিষয়ে পরিস্কার করে বলা হয়েছে। নির্বাচনের অব্যবহিত পূর্বে সরকারে কারা থাকবেন এবং কীভাবে থাকবেন সংবিধান পরিস্কার এখতিয়ার দিয়ে দিয়েছে।’

অস্থিরতা তৈরির চক্রান্তে বিএনপি

বিএনপির সংলাপের দাবিতে কালক্ষেপণের নীতি ও অস্থিরতা তৈরির অপকৌশল হিসেবে দেখছেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘ফখরুল সাহেবের সম্প্রতি বলেছেন সংলাপে যখন ডাকা হবে তখন প্রস্তাবনা দেওয়া হবে। তাহলে সংলাপ কেন ডাকব?’।

‘কেবলমাত্র আগামী নির্বাচন নিয়ে কোন আলোচনার প্রয়োজন থাকতে পারে না। বিএনপির সহায়ক সরকারের প্রস্তাবটি আসলে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র। তাদের নির্বাচনে না আসার ওসিলা তৈরি করা। একটা অস্বাভাবিক সরকার আনার একটি অপকৌশল মাত্র।’

দেশে কোনো সংকট নেই মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংকট তৈরি হয় যদি কোন জনগোষ্ঠীকে অধিকার হারা করা হয়। আবার যদি কোন জনগোষ্ঠী প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিদ্রোহ করে অথবা গণতন্ত্র সংকুচিত করার জন্য কোন সাংবিধানিক, প্রশাসনিক ও আইনগত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। আর সেটা এখন হচ্ছে না।’

নির্বাচন নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা নেই জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নতুন নির্বাচন কমিশন তৈরি আছে এবং সেই নির্বাচন কমিশন সবাই মেনেও নিয়েছে।’

‘ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সব দলের সঙ্গে নির্বাচন পলিসি নিয়ে কথা বলেছে। সেই সংলাপে বিএনপি সরাসরি অংশ নিয়েছে। সেখানে সব দল যেসব প্রস্তাবনা দিয়েছে তা নিয়ে তারা কম্পাইল তৈরি করছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হার্ট অ্যাটাকে হাসপাতালে ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর রইছখ্যাত বিজয়

মওদুদ ভাই সঠিক বলেননি: ইনু

আপডেট সময় ০৯:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনকালীন সরকার সংবিধানে নেই বলে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের বক্তব্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ও ধারা উল্লেখ করে মওদুদের যুক্তি খণ্ডন করেছেন।

রবিবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদেরকে এ কথা বলেন ইনু। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় সরকার কী করবে সেটি সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইনে স্পষ্ট করেই বলা আছে। এনিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

গত শুক্রবার জাতির ‍উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষ দিকে ভোট হবে। আর ভোটের আগে গঠন করা হবে নির্বাচনকালীন সরকার।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ পরদিন রাজধানীতে এক আলোচনায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলেছেন, সেটাও সংবিধানে নেই।

এর জবাবে ইনু বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সংবিধানে কোন অস্পষ্টতা নেই। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬ এর ৪, ৫৭ এর ৩, ৫৮ এর ৩ এবং ৪ ধারায় নির্বাচনের সময় কারা ক্ষমতায় থাকবে সে প্রসঙ্গে পরিস্কারভাবে বলা হয়েছে।’

‘সেখানে পরিস্কার বলা হয়েছে পরবর্তী সরকার অর্থ্যাৎ উত্তরাধীকার নির্ণয় না হওয়া পর্যন্ত আগের সংসদের সংসদ সদস্য থেকে আসা প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীরাই দায়িত্বে থাকবেন।’

‘সুতরাং মওদুদ ভাই যেটা বলেছেন সেটা সঠিক নয়। সংবিধানে এ বিষয়ে পরিস্কার করে বলা হয়েছে। নির্বাচনের অব্যবহিত পূর্বে সরকারে কারা থাকবেন এবং কীভাবে থাকবেন সংবিধান পরিস্কার এখতিয়ার দিয়ে দিয়েছে।’

অস্থিরতা তৈরির চক্রান্তে বিএনপি

বিএনপির সংলাপের দাবিতে কালক্ষেপণের নীতি ও অস্থিরতা তৈরির অপকৌশল হিসেবে দেখছেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘ফখরুল সাহেবের সম্প্রতি বলেছেন সংলাপে যখন ডাকা হবে তখন প্রস্তাবনা দেওয়া হবে। তাহলে সংলাপ কেন ডাকব?’।

‘কেবলমাত্র আগামী নির্বাচন নিয়ে কোন আলোচনার প্রয়োজন থাকতে পারে না। বিএনপির সহায়ক সরকারের প্রস্তাবটি আসলে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র। তাদের নির্বাচনে না আসার ওসিলা তৈরি করা। একটা অস্বাভাবিক সরকার আনার একটি অপকৌশল মাত্র।’

দেশে কোনো সংকট নেই মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংকট তৈরি হয় যদি কোন জনগোষ্ঠীকে অধিকার হারা করা হয়। আবার যদি কোন জনগোষ্ঠী প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিদ্রোহ করে অথবা গণতন্ত্র সংকুচিত করার জন্য কোন সাংবিধানিক, প্রশাসনিক ও আইনগত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। আর সেটা এখন হচ্ছে না।’

নির্বাচন নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা নেই জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নতুন নির্বাচন কমিশন তৈরি আছে এবং সেই নির্বাচন কমিশন সবাই মেনেও নিয়েছে।’

‘ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সব দলের সঙ্গে নির্বাচন পলিসি নিয়ে কথা বলেছে। সেই সংলাপে বিএনপি সরাসরি অংশ নিয়েছে। সেখানে সব দল যেসব প্রস্তাবনা দিয়েছে তা নিয়ে তারা কম্পাইল তৈরি করছে।’