ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি, বিদেশি নাগরিকদের লাল কার্ড দেখানো হবে: আসিফ মাহমুদ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে: তারেক রহমান ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতে রাজনৈতিক দলগুলো একমত’:আলী রিয়াজ পুরো বাংলাদেশের কাছে মির্জা আব্বাস বাহিনীর হামলার বিচার দিলাম: নাসীরুদ্দীন চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি: মির্জা আব্বাস শীর্ষ জেনারেলকে বরখাস্ত করলেন শি জিনপিং ইলিয়াস মোল্লাহর জমি–গাড়ি–মার্কেট–ফ্ল্যাট জব্দ, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ ডেনমার্ক-গ্রিনল্যান্ড নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ‘রাজনীতি শুধু ক্রিকেট নয়, গোটা মানবজাতির ক্ষতি করছে’: সাকলাইন মুশতাক ময়মনসিংহে জনসভায় যোগ দিয়েছেন তারেক রহমান

মওদুদ ভাই সঠিক বলেননি: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনকালীন সরকার সংবিধানে নেই বলে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের বক্তব্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ও ধারা উল্লেখ করে মওদুদের যুক্তি খণ্ডন করেছেন।

রবিবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদেরকে এ কথা বলেন ইনু। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় সরকার কী করবে সেটি সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইনে স্পষ্ট করেই বলা আছে। এনিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

গত শুক্রবার জাতির ‍উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষ দিকে ভোট হবে। আর ভোটের আগে গঠন করা হবে নির্বাচনকালীন সরকার।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ পরদিন রাজধানীতে এক আলোচনায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলেছেন, সেটাও সংবিধানে নেই।

এর জবাবে ইনু বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সংবিধানে কোন অস্পষ্টতা নেই। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬ এর ৪, ৫৭ এর ৩, ৫৮ এর ৩ এবং ৪ ধারায় নির্বাচনের সময় কারা ক্ষমতায় থাকবে সে প্রসঙ্গে পরিস্কারভাবে বলা হয়েছে।’

‘সেখানে পরিস্কার বলা হয়েছে পরবর্তী সরকার অর্থ্যাৎ উত্তরাধীকার নির্ণয় না হওয়া পর্যন্ত আগের সংসদের সংসদ সদস্য থেকে আসা প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীরাই দায়িত্বে থাকবেন।’

‘সুতরাং মওদুদ ভাই যেটা বলেছেন সেটা সঠিক নয়। সংবিধানে এ বিষয়ে পরিস্কার করে বলা হয়েছে। নির্বাচনের অব্যবহিত পূর্বে সরকারে কারা থাকবেন এবং কীভাবে থাকবেন সংবিধান পরিস্কার এখতিয়ার দিয়ে দিয়েছে।’

অস্থিরতা তৈরির চক্রান্তে বিএনপি

বিএনপির সংলাপের দাবিতে কালক্ষেপণের নীতি ও অস্থিরতা তৈরির অপকৌশল হিসেবে দেখছেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘ফখরুল সাহেবের সম্প্রতি বলেছেন সংলাপে যখন ডাকা হবে তখন প্রস্তাবনা দেওয়া হবে। তাহলে সংলাপ কেন ডাকব?’।

‘কেবলমাত্র আগামী নির্বাচন নিয়ে কোন আলোচনার প্রয়োজন থাকতে পারে না। বিএনপির সহায়ক সরকারের প্রস্তাবটি আসলে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র। তাদের নির্বাচনে না আসার ওসিলা তৈরি করা। একটা অস্বাভাবিক সরকার আনার একটি অপকৌশল মাত্র।’

দেশে কোনো সংকট নেই মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংকট তৈরি হয় যদি কোন জনগোষ্ঠীকে অধিকার হারা করা হয়। আবার যদি কোন জনগোষ্ঠী প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিদ্রোহ করে অথবা গণতন্ত্র সংকুচিত করার জন্য কোন সাংবিধানিক, প্রশাসনিক ও আইনগত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। আর সেটা এখন হচ্ছে না।’

নির্বাচন নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা নেই জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নতুন নির্বাচন কমিশন তৈরি আছে এবং সেই নির্বাচন কমিশন সবাই মেনেও নিয়েছে।’

‘ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সব দলের সঙ্গে নির্বাচন পলিসি নিয়ে কথা বলেছে। সেই সংলাপে বিএনপি সরাসরি অংশ নিয়েছে। সেখানে সব দল যেসব প্রস্তাবনা দিয়েছে তা নিয়ে তারা কম্পাইল তৈরি করছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি, বিদেশি নাগরিকদের লাল কার্ড দেখানো হবে: আসিফ মাহমুদ

মওদুদ ভাই সঠিক বলেননি: ইনু

আপডেট সময় ০৯:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনকালীন সরকার সংবিধানে নেই বলে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের বক্তব্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ও ধারা উল্লেখ করে মওদুদের যুক্তি খণ্ডন করেছেন।

রবিবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদেরকে এ কথা বলেন ইনু। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় সরকার কী করবে সেটি সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইনে স্পষ্ট করেই বলা আছে। এনিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

গত শুক্রবার জাতির ‍উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষ দিকে ভোট হবে। আর ভোটের আগে গঠন করা হবে নির্বাচনকালীন সরকার।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ পরদিন রাজধানীতে এক আলোচনায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলেছেন, সেটাও সংবিধানে নেই।

এর জবাবে ইনু বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সংবিধানে কোন অস্পষ্টতা নেই। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬ এর ৪, ৫৭ এর ৩, ৫৮ এর ৩ এবং ৪ ধারায় নির্বাচনের সময় কারা ক্ষমতায় থাকবে সে প্রসঙ্গে পরিস্কারভাবে বলা হয়েছে।’

‘সেখানে পরিস্কার বলা হয়েছে পরবর্তী সরকার অর্থ্যাৎ উত্তরাধীকার নির্ণয় না হওয়া পর্যন্ত আগের সংসদের সংসদ সদস্য থেকে আসা প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীরাই দায়িত্বে থাকবেন।’

‘সুতরাং মওদুদ ভাই যেটা বলেছেন সেটা সঠিক নয়। সংবিধানে এ বিষয়ে পরিস্কার করে বলা হয়েছে। নির্বাচনের অব্যবহিত পূর্বে সরকারে কারা থাকবেন এবং কীভাবে থাকবেন সংবিধান পরিস্কার এখতিয়ার দিয়ে দিয়েছে।’

অস্থিরতা তৈরির চক্রান্তে বিএনপি

বিএনপির সংলাপের দাবিতে কালক্ষেপণের নীতি ও অস্থিরতা তৈরির অপকৌশল হিসেবে দেখছেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘ফখরুল সাহেবের সম্প্রতি বলেছেন সংলাপে যখন ডাকা হবে তখন প্রস্তাবনা দেওয়া হবে। তাহলে সংলাপ কেন ডাকব?’।

‘কেবলমাত্র আগামী নির্বাচন নিয়ে কোন আলোচনার প্রয়োজন থাকতে পারে না। বিএনপির সহায়ক সরকারের প্রস্তাবটি আসলে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র। তাদের নির্বাচনে না আসার ওসিলা তৈরি করা। একটা অস্বাভাবিক সরকার আনার একটি অপকৌশল মাত্র।’

দেশে কোনো সংকট নেই মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংকট তৈরি হয় যদি কোন জনগোষ্ঠীকে অধিকার হারা করা হয়। আবার যদি কোন জনগোষ্ঠী প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিদ্রোহ করে অথবা গণতন্ত্র সংকুচিত করার জন্য কোন সাংবিধানিক, প্রশাসনিক ও আইনগত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। আর সেটা এখন হচ্ছে না।’

নির্বাচন নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা নেই জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নতুন নির্বাচন কমিশন তৈরি আছে এবং সেই নির্বাচন কমিশন সবাই মেনেও নিয়েছে।’

‘ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সব দলের সঙ্গে নির্বাচন পলিসি নিয়ে কথা বলেছে। সেই সংলাপে বিএনপি সরাসরি অংশ নিয়েছে। সেখানে সব দল যেসব প্রস্তাবনা দিয়েছে তা নিয়ে তারা কম্পাইল তৈরি করছে।’