ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বাগেরহাটে মুখে বিষ ঢেলে স্ত্রীকে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের যৌতুকের দাবিতে মুখে বিষ ঢেলে স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার মধ্য রাতে কচুয়া উপজেলার আড়িয়ামর্দন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খাদিজার (২২) ভাই আবু বক্কর জানান, নয় বছর আগে উপজেলার আড়িয়ামর্দন গ্রামের খলিল পাইকের ছেলে সিদ্দিক পাইকের (২৫) সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবিতে সিদ্দিক আমার বোনের ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করত। কিন্তু বোনের ঘরে দুটি সন্তান থাকার কারণে আমরা বিষয়টি নিয়ে কোনো কথা বলিনি। শনিবার মধ্যরাতে সিদ্দিক খাদিজাকে বেদম মারধর করে মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরে সিদ্দিকের পরিবারের লোকজন খাদিজাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তখন সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় সিদ্দিকের পরিবারের লোকজন হাসপাতালে খাদিজাকে রেখে পালিয়ে যায়।

সিদ্দিকের প্রতিবেশী সেকেন্দার মোল্লা বলেন, সিদ্দিক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিল। সে প্রায়ই তার স্ত্রীকে মারধর করত। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও সিদ্দিক তার বউকে মারধর বন্ধ করেনি। অবশেষে খাদিজাকে সে মেরেই ফেলল।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মুশফিকার শামস বলেন, শনিবার রাত ১টার দিকে খাদিজা বেগম নামে এক গৃহবধূকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রোগীকে ফেলে রেখে স্বজনরা পালিয়ে যায়।

বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মো. মাহাতাব উদ্দিন বলেন, হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে মুখে বিষ ঢেলে স্ত্রীকে হত্যা

আপডেট সময় ০৯:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের যৌতুকের দাবিতে মুখে বিষ ঢেলে স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার মধ্য রাতে কচুয়া উপজেলার আড়িয়ামর্দন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খাদিজার (২২) ভাই আবু বক্কর জানান, নয় বছর আগে উপজেলার আড়িয়ামর্দন গ্রামের খলিল পাইকের ছেলে সিদ্দিক পাইকের (২৫) সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবিতে সিদ্দিক আমার বোনের ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করত। কিন্তু বোনের ঘরে দুটি সন্তান থাকার কারণে আমরা বিষয়টি নিয়ে কোনো কথা বলিনি। শনিবার মধ্যরাতে সিদ্দিক খাদিজাকে বেদম মারধর করে মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরে সিদ্দিকের পরিবারের লোকজন খাদিজাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তখন সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় সিদ্দিকের পরিবারের লোকজন হাসপাতালে খাদিজাকে রেখে পালিয়ে যায়।

সিদ্দিকের প্রতিবেশী সেকেন্দার মোল্লা বলেন, সিদ্দিক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিল। সে প্রায়ই তার স্ত্রীকে মারধর করত। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও সিদ্দিক তার বউকে মারধর বন্ধ করেনি। অবশেষে খাদিজাকে সে মেরেই ফেলল।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মুশফিকার শামস বলেন, শনিবার রাত ১টার দিকে খাদিজা বেগম নামে এক গৃহবধূকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রোগীকে ফেলে রেখে স্বজনরা পালিয়ে যায়।

বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মো. মাহাতাব উদ্দিন বলেন, হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।