ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

মুক্তিপণ না দেয়ায় শিশুকে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের শিবজয়নগর এলাকার একটি ডোবা থেকে থেকে অপহৃত সাত বছর বয়সী শিশু শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুইজনকে।

শিশু পরান সাতপাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র এবং শিব জয়নগরের মো. সাবাস মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়- গত ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সাতপাড়িয়া একটি দোকানের সামনে থেকে শাহ পরানকে অপহরণ করে নিয়ে যায় একই গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া ও তার সহযোগী বড়লেখা উপজেলার চাঁনগ্রাম আকুল নগরের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেল মিয়া। সন্ধ্যায় শাহ পরান বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাতে জালাল ও রাশেল মোবাইলে শাহ পরানের মুক্তির জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

৭ জানুয়ারি শাহ পরানের বাবা সাবাস মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। জিডিতে উল্লেখিত মোবাইল নম্বর ট্রাকিং করে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার ভোরে জালাল মিয়া ও রাশেল মিয়াকে বড়লেখা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে শিবজয়নগর একটি ডোবার পানির নিচ থেকে শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুক্তিপণের টাকা না দেয়ায় তাকে হত্যা করে মরদেহ পানির ডুবিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকেই আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের

মুক্তিপণ না দেয়ায় শিশুকে হত্যা

আপডেট সময় ১০:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের শিবজয়নগর এলাকার একটি ডোবা থেকে থেকে অপহৃত সাত বছর বয়সী শিশু শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুইজনকে।

শিশু পরান সাতপাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র এবং শিব জয়নগরের মো. সাবাস মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়- গত ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সাতপাড়িয়া একটি দোকানের সামনে থেকে শাহ পরানকে অপহরণ করে নিয়ে যায় একই গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া ও তার সহযোগী বড়লেখা উপজেলার চাঁনগ্রাম আকুল নগরের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেল মিয়া। সন্ধ্যায় শাহ পরান বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাতে জালাল ও রাশেল মোবাইলে শাহ পরানের মুক্তির জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

৭ জানুয়ারি শাহ পরানের বাবা সাবাস মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। জিডিতে উল্লেখিত মোবাইল নম্বর ট্রাকিং করে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার ভোরে জালাল মিয়া ও রাশেল মিয়াকে বড়লেখা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে শিবজয়নগর একটি ডোবার পানির নিচ থেকে শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুক্তিপণের টাকা না দেয়ায় তাকে হত্যা করে মরদেহ পানির ডুবিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকেই আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা হয়নি।