ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুক্তিপণ না দেয়ায় শিশুকে হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের শিবজয়নগর এলাকার একটি ডোবা থেকে থেকে অপহৃত সাত বছর বয়সী শিশু শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুইজনকে।

শিশু পরান সাতপাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র এবং শিব জয়নগরের মো. সাবাস মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়- গত ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সাতপাড়িয়া একটি দোকানের সামনে থেকে শাহ পরানকে অপহরণ করে নিয়ে যায় একই গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া ও তার সহযোগী বড়লেখা উপজেলার চাঁনগ্রাম আকুল নগরের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেল মিয়া। সন্ধ্যায় শাহ পরান বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাতে জালাল ও রাশেল মোবাইলে শাহ পরানের মুক্তির জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

৭ জানুয়ারি শাহ পরানের বাবা সাবাস মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। জিডিতে উল্লেখিত মোবাইল নম্বর ট্রাকিং করে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার ভোরে জালাল মিয়া ও রাশেল মিয়াকে বড়লেখা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে শিবজয়নগর একটি ডোবার পানির নিচ থেকে শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুক্তিপণের টাকা না দেয়ায় তাকে হত্যা করে মরদেহ পানির ডুবিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকেই আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মুক্তিপণ না দেয়ায় শিশুকে হত্যা

আপডেট সময় ১০:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের শিবজয়নগর এলাকার একটি ডোবা থেকে থেকে অপহৃত সাত বছর বয়সী শিশু শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। অপহরণের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুইজনকে।

শিশু পরান সাতপাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র এবং শিব জয়নগরের মো. সাবাস মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়- গত ৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সাতপাড়িয়া একটি দোকানের সামনে থেকে শাহ পরানকে অপহরণ করে নিয়ে যায় একই গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া ও তার সহযোগী বড়লেখা উপজেলার চাঁনগ্রাম আকুল নগরের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেল মিয়া। সন্ধ্যায় শাহ পরান বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাতে জালাল ও রাশেল মোবাইলে শাহ পরানের মুক্তির জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

৭ জানুয়ারি শাহ পরানের বাবা সাবাস মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। জিডিতে উল্লেখিত মোবাইল নম্বর ট্রাকিং করে থানার এসআই মমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার ভোরে জালাল মিয়া ও রাশেল মিয়াকে বড়লেখা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাতে শিবজয়নগর একটি ডোবার পানির নিচ থেকে শাহ পরানের লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুক্তিপণের টাকা না দেয়ায় তাকে হত্যা করে মরদেহ পানির ডুবিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকেই আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা হয়নি।