ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় ঝিনাইদহে চার পুলিশ ক্লোজড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে। ক্লোজ হওয়া অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন- কনস্টেবল মনিরুজ্জামান, ড্রাইভার এইচএম এরশাদ ও ওলিয়ার রহমান। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক কারণে পুলিশ সদস্যদের ক্লোজ করার কথা বলা হলেও স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মহেশপুরের সুন্দরপুর নামে স্থানে সোনার তরী পরিবহনে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পরিচয়ে কতিপয় ব্যক্তি ৬৫টি সোনার বার উদ্ধার করে। পরে বিষয়টি লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের মধ্যে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। পরে এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছে মহেশপুর থানার এসআই আনিসুর রহমান।

এরপর সকালে মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়। তবে সোনার বার উদ্ধার ও আত্মসাতের বিষয়টি পুলিশের পক্ষ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, স্বর্ণ উদ্ধারের মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ক্লোজ হওয়া পুলিশের এসআই নাজমুল হক জানান, আমি ঘটনার দিন রাতে হাইওয়ে ডিউটিতে ছিলাম। সকালে শুনি আমিসহ চার পুলিশ ক্লোজ হয়েছি। কি কারণে আমিসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে তা জানি না।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহম্মেদ কবির জানান, প্রশাসনিক কারণে তাদের সোমবার সকালে ক্লোজ করা হয়েছে। এর বাইরে তাদের কি কারণে ক্লোজ করা হয়েছে তা আমি জানি না। তবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করছে। ঝিনাইদহের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ জানান, স্বর্ণ উদ্ধার নয়, প্রশাসনিক কারণে এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় ঝিনাইদহে চার পুলিশ ক্লোজড

আপডেট সময় ০২:২১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে। ক্লোজ হওয়া অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন- কনস্টেবল মনিরুজ্জামান, ড্রাইভার এইচএম এরশাদ ও ওলিয়ার রহমান। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক কারণে পুলিশ সদস্যদের ক্লোজ করার কথা বলা হলেও স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মহেশপুরের সুন্দরপুর নামে স্থানে সোনার তরী পরিবহনে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পরিচয়ে কতিপয় ব্যক্তি ৬৫টি সোনার বার উদ্ধার করে। পরে বিষয়টি লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের মধ্যে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। পরে এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছে মহেশপুর থানার এসআই আনিসুর রহমান।

এরপর সকালে মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়। তবে সোনার বার উদ্ধার ও আত্মসাতের বিষয়টি পুলিশের পক্ষ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, স্বর্ণ উদ্ধারের মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ক্লোজ হওয়া পুলিশের এসআই নাজমুল হক জানান, আমি ঘটনার দিন রাতে হাইওয়ে ডিউটিতে ছিলাম। সকালে শুনি আমিসহ চার পুলিশ ক্লোজ হয়েছি। কি কারণে আমিসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে তা জানি না।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহম্মেদ কবির জানান, প্রশাসনিক কারণে তাদের সোমবার সকালে ক্লোজ করা হয়েছে। এর বাইরে তাদের কি কারণে ক্লোজ করা হয়েছে তা আমি জানি না। তবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করছে। ঝিনাইদহের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ জানান, স্বর্ণ উদ্ধার নয়, প্রশাসনিক কারণে এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।