ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা জুলাইযোদ্ধাদের চেয়ে বেশি করার প্রস্তাব ফজলুর রহমানের ভেনেজুয়েলার পর জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প সাভারে পাঁচ মাসের মধ্যে মাদক নির্মূল হবে: এমপি সালাউদ্দিন গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ‘সরকার ৪ মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের কথা ভাবলেন না কেন, সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই খেলাপি ঋণে ব্যাংক খাত সম্পূর্ণ বেহাল: সংসদে রেজা কিবরিয়া ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেব, সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় ঝিনাইদহে চার পুলিশ ক্লোজড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে। ক্লোজ হওয়া অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন- কনস্টেবল মনিরুজ্জামান, ড্রাইভার এইচএম এরশাদ ও ওলিয়ার রহমান। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক কারণে পুলিশ সদস্যদের ক্লোজ করার কথা বলা হলেও স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মহেশপুরের সুন্দরপুর নামে স্থানে সোনার তরী পরিবহনে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পরিচয়ে কতিপয় ব্যক্তি ৬৫টি সোনার বার উদ্ধার করে। পরে বিষয়টি লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের মধ্যে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। পরে এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছে মহেশপুর থানার এসআই আনিসুর রহমান।

এরপর সকালে মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়। তবে সোনার বার উদ্ধার ও আত্মসাতের বিষয়টি পুলিশের পক্ষ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, স্বর্ণ উদ্ধারের মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ক্লোজ হওয়া পুলিশের এসআই নাজমুল হক জানান, আমি ঘটনার দিন রাতে হাইওয়ে ডিউটিতে ছিলাম। সকালে শুনি আমিসহ চার পুলিশ ক্লোজ হয়েছি। কি কারণে আমিসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে তা জানি না।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহম্মেদ কবির জানান, প্রশাসনিক কারণে তাদের সোমবার সকালে ক্লোজ করা হয়েছে। এর বাইরে তাদের কি কারণে ক্লোজ করা হয়েছে তা আমি জানি না। তবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করছে। ঝিনাইদহের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ জানান, স্বর্ণ উদ্ধার নয়, প্রশাসনিক কারণে এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন

স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় ঝিনাইদহে চার পুলিশ ক্লোজড

আপডেট সময় ০২:২১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে। ক্লোজ হওয়া অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন- কনস্টেবল মনিরুজ্জামান, ড্রাইভার এইচএম এরশাদ ও ওলিয়ার রহমান। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক কারণে পুলিশ সদস্যদের ক্লোজ করার কথা বলা হলেও স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মহেশপুরের সুন্দরপুর নামে স্থানে সোনার তরী পরিবহনে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পরিচয়ে কতিপয় ব্যক্তি ৬৫টি সোনার বার উদ্ধার করে। পরে বিষয়টি লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের মধ্যে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। পরে এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছে মহেশপুর থানার এসআই আনিসুর রহমান।

এরপর সকালে মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়। তবে সোনার বার উদ্ধার ও আত্মসাতের বিষয়টি পুলিশের পক্ষ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, স্বর্ণ উদ্ধারের মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ক্লোজ হওয়া পুলিশের এসআই নাজমুল হক জানান, আমি ঘটনার দিন রাতে হাইওয়ে ডিউটিতে ছিলাম। সকালে শুনি আমিসহ চার পুলিশ ক্লোজ হয়েছি। কি কারণে আমিসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে তা জানি না।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহম্মেদ কবির জানান, প্রশাসনিক কারণে তাদের সোমবার সকালে ক্লোজ করা হয়েছে। এর বাইরে তাদের কি কারণে ক্লোজ করা হয়েছে তা আমি জানি না। তবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করছে। ঝিনাইদহের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ জানান, স্বর্ণ উদ্ধার নয়, প্রশাসনিক কারণে এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।