ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরমাণু যুদ্ধকালে শীর্ষ নেতাদের বাঁচাতে চীনের বাঙ্কার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সম্ভাব্য পরমাণু যুদ্ধকালে নেতাদের বাঁচাতে ভূগর্ভে বাঙ্কার তৈরি করেছে চীন। চীনা দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট- এসসিএমপির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে। রাজধানী বেইজিংয়ের কাছে জাতীয় পার্কের নিচে এ বাঙ্কারটি তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই রয়েছে চীন সরকারের সদর দফতর।

ভূপৃষ্ঠ থেকে দুই কিলোমিটারের বেশি নিচে এ বাঙ্কারটি তৈরি করা হয়েছে। এতে রয়েছে পুরু পাথরের শক্ত স্তর। এসসিএমপির জানায়, পরমাণু যুদ্ধ শুরু হলে যাতে চীনের নেতারা, তাদের গুরুত্বপূর্ণ সহকর্মীরা, সেনা কর্মকর্তা ও স্টাফদের সুরক্ষার জন্য এই বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছে।

হংকং থেকে প্রকাশিত পত্রিকাটি বলছে, ২০১৬ সালে এ বাঙ্কারের কথা প্রকাশ করা হয়। চীনের কেন্দ্রীয় যৌথ যুদ্ধ কমান্ডের অংশ হিসেবে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বিশেষ পোশাক পরে এ বাঙ্কার পরিদর্শন করেছিলেন বলে জানিয়েছে এসসিএমপি।

পত্রিকাটি আরও উল্লেখ করেছে, এ বাঙ্কারকে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির ‘মস্তিষ্ক’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। কারণ যুদ্ধের সময় সব সিদ্ধান্ত এ বাঙ্কার থেকে নেয়া হবে। এসসিএমপি দাবি করছে, এ ধরনের আরও বেশ কয়েকটি স্থাপনা তৈরি করেছে বেইজিং তবে সেগুলোর কথা গোপন রাখা হয়েছে।

কোনো ধরনের পরমাণু যুদ্ধ শুরু হলে বাইরের কোনো সরবরাহ ছাড়াই এসব বাঙ্কার দীর্ঘদিন ধরে কাজ চালিয়ে নিতে পারবে। পাশাপাশি পরমাণু বোমা হামলার পর যাতে বাঙ্কার তেজস্ক্রিয় পদার্থ ঢুকতে না পারে, সে জন্য বিশেষ ধরনের বায়ু চলাচল ও অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় নিয়োগ দিচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

পরমাণু যুদ্ধকালে শীর্ষ নেতাদের বাঁচাতে চীনের বাঙ্কার

আপডেট সময় ০২:৫৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সম্ভাব্য পরমাণু যুদ্ধকালে নেতাদের বাঁচাতে ভূগর্ভে বাঙ্কার তৈরি করেছে চীন। চীনা দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট- এসসিএমপির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে। রাজধানী বেইজিংয়ের কাছে জাতীয় পার্কের নিচে এ বাঙ্কারটি তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই রয়েছে চীন সরকারের সদর দফতর।

ভূপৃষ্ঠ থেকে দুই কিলোমিটারের বেশি নিচে এ বাঙ্কারটি তৈরি করা হয়েছে। এতে রয়েছে পুরু পাথরের শক্ত স্তর। এসসিএমপির জানায়, পরমাণু যুদ্ধ শুরু হলে যাতে চীনের নেতারা, তাদের গুরুত্বপূর্ণ সহকর্মীরা, সেনা কর্মকর্তা ও স্টাফদের সুরক্ষার জন্য এই বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছে।

হংকং থেকে প্রকাশিত পত্রিকাটি বলছে, ২০১৬ সালে এ বাঙ্কারের কথা প্রকাশ করা হয়। চীনের কেন্দ্রীয় যৌথ যুদ্ধ কমান্ডের অংশ হিসেবে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বিশেষ পোশাক পরে এ বাঙ্কার পরিদর্শন করেছিলেন বলে জানিয়েছে এসসিএমপি।

পত্রিকাটি আরও উল্লেখ করেছে, এ বাঙ্কারকে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির ‘মস্তিষ্ক’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। কারণ যুদ্ধের সময় সব সিদ্ধান্ত এ বাঙ্কার থেকে নেয়া হবে। এসসিএমপি দাবি করছে, এ ধরনের আরও বেশ কয়েকটি স্থাপনা তৈরি করেছে বেইজিং তবে সেগুলোর কথা গোপন রাখা হয়েছে।

কোনো ধরনের পরমাণু যুদ্ধ শুরু হলে বাইরের কোনো সরবরাহ ছাড়াই এসব বাঙ্কার দীর্ঘদিন ধরে কাজ চালিয়ে নিতে পারবে। পাশাপাশি পরমাণু বোমা হামলার পর যাতে বাঙ্কার তেজস্ক্রিয় পদার্থ ঢুকতে না পারে, সে জন্য বিশেষ ধরনের বায়ু চলাচল ও অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে।