ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে সোয়া কোটি টাকা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার ১ কোটি ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭১ টাকা পাওয়া গেছে। আজ শনিবার বিকেলে গণনা শেষে এই টাকার হিসাব পাওয়া যায়। টাকা ছাড়াও দান হিসেবে অনেক স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দান বাক্সগুলো খোলা হয়। পরে শুরু হয় টাকা গণনার পালা।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসাইন, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী হাকিম আবু তাহের মো. সাঈদ, সিন্দুক খোলা কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মো. আসাদউল্লাহসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টাকা গণনার কাজ তদারক করেন।

জেলা প্রশাসক ও মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস বলেন, দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত এই মসজিদটিকে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স’ নামকরণ করা হয়েছে। এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের আয় থেকে মসজিদ ও এতিমখানা ছাড়াও বিভিন্ন মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজ এবং সেবামূলক খাতে সাহায্য করা হয়ে থাকে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, জেলা শহরের গাইটাল এলাকার নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এই মসজিদের দানবাক্স খুলে প্রতিবারই কোটি টাকার ওপরে পাওয়া যায়। প্রতিদিন জেলার বাসিন্দারা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ মসজিদের দানবাক্সগুলোয় অর্থ ছাড়াও স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন। গত বছরের ২৬ আগস্ট এই মসজিদের দানবাক্স খুলে গণনা করে ১ কোটি ১৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এবার সেই অঙ্কও ছাড়িয়ে গেছে। চার মাস পরপর দান বাক্স খোলা হয়ে থাকে।

টাকা গণনা কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী হাকিম আবু তাহের মো. সাঈদ এবার দানবাক্স খুলে ১ কোটি ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭১ টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে। আর যে স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে, তা আগের স্বর্ণালংকারের সঙ্গে যোগ করে একটি সিন্দুকে রেখে দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে সোয়া কোটি টাকা

আপডেট সময় ১২:৫০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার ১ কোটি ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭১ টাকা পাওয়া গেছে। আজ শনিবার বিকেলে গণনা শেষে এই টাকার হিসাব পাওয়া যায়। টাকা ছাড়াও দান হিসেবে অনেক স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দান বাক্সগুলো খোলা হয়। পরে শুরু হয় টাকা গণনার পালা।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসাইন, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী হাকিম আবু তাহের মো. সাঈদ, সিন্দুক খোলা কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মো. আসাদউল্লাহসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টাকা গণনার কাজ তদারক করেন।

জেলা প্রশাসক ও মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস বলেন, দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত এই মসজিদটিকে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স’ নামকরণ করা হয়েছে। এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের আয় থেকে মসজিদ ও এতিমখানা ছাড়াও বিভিন্ন মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজ এবং সেবামূলক খাতে সাহায্য করা হয়ে থাকে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, জেলা শহরের গাইটাল এলাকার নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এই মসজিদের দানবাক্স খুলে প্রতিবারই কোটি টাকার ওপরে পাওয়া যায়। প্রতিদিন জেলার বাসিন্দারা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ মসজিদের দানবাক্সগুলোয় অর্থ ছাড়াও স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন। গত বছরের ২৬ আগস্ট এই মসজিদের দানবাক্স খুলে গণনা করে ১ কোটি ১৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এবার সেই অঙ্কও ছাড়িয়ে গেছে। চার মাস পরপর দান বাক্স খোলা হয়ে থাকে।

টাকা গণনা কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী হাকিম আবু তাহের মো. সাঈদ এবার দানবাক্স খুলে ১ কোটি ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭১ টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে। আর যে স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে, তা আগের স্বর্ণালংকারের সঙ্গে যোগ করে একটি সিন্দুকে রেখে দেওয়া হয়েছে।