ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের বাহুবলে চাঞ্চল্যকর চার শিশু হত্যাকাণ্ডের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর তিনজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসান।দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুানালের পিপি কিশোর কুমার কর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় হবিগঞ্জের সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ইছাবিল এলাকা থেকে বালিচাপা অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই চার শিশু হলো সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আবদাল মিয়া তালুকদারের ছেলে মনির মিয়া (৭), ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আবদুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)। এ ঘটনায় বাহুবল থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন আবদাল মিয়া।

একই বছরের ২৯ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তৎকালীন ওসি মোক্তাদির হোসেন নয় জনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দেন।সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দুই পঞ্চায়েত আবদাল মিয়া তালুকদার ও আব্দুল আলী বাগালের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড বলে মামলার তদন্ত ও আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে।

এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামিরা হলো পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী বাগাল, তার দুই ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া ও শাহেদ মিয়া। আসামিদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া নামের একজন র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। এ মামলার পলাতক আসামি উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও বিল্লাল পলাতক। গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০১:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হবিগঞ্জের বাহুবলে চাঞ্চল্যকর চার শিশু হত্যাকাণ্ডের মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় আরও দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর তিনজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসান।দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুানালের পিপি কিশোর কুমার কর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় হবিগঞ্জের সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ইছাবিল এলাকা থেকে বালিচাপা অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই চার শিশু হলো সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আবদাল মিয়া তালুকদারের ছেলে মনির মিয়া (৭), ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আবদুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)। এ ঘটনায় বাহুবল থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন আবদাল মিয়া।

একই বছরের ২৯ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তৎকালীন ওসি মোক্তাদির হোসেন নয় জনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দেন।সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দুই পঞ্চায়েত আবদাল মিয়া তালুকদার ও আব্দুল আলী বাগালের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড বলে মামলার তদন্ত ও আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে।

এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামিরা হলো পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী বাগাল, তার দুই ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া ও শাহেদ মিয়া। আসামিদের মধ্যে বাচ্চু মিয়া নামের একজন র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। এ মামলার পলাতক আসামি উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও বিল্লাল পলাতক। গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।