ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

রংপুরে ভোট কমেছে আ.লীগের, বেড়েছে জাপা-বিএনপির

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুর সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচনে আগের বারের তুলনায় আওয়ামী লীগের ভোট অনেক কমেছে। বিপুল ভোট বেড়েছে জাতীয় পার্টির। আর সামান্য বেড়েছে বিএনপির। রংপুর সিটির প্রথম নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিন দলের এবারের তিন প্রার্থী। সেই সময় জাতীয় পার্টির ভোট ভাগাভাগি হওয়ায় বাজিমাত করেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমদ ঝন্টু। আর এবার বাজিমাত করলেন জাপা প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাফা।

এই সিটিতে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হয়েছে। বরাবরই রংপুর এরশাদের ঘাঁটি। গত নির্বাচনে জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক না থাকা এবং দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোট ভাগাভাগির কারণে আওয়ামী লীগের কাছে হেরেছিলেন এরশাদের প্রার্থী। তবে এবার লাঙ্গল প্রতীক থাকায় এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ বিদ্রোহী হিসেবে দাঁড়ালেও কোনো পাত্তা পাননি।

২০১২ সালের প্রথম নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমদ ঝন্টু ভোট পেয়েছিলেন এক লাখ ছয় হাজার ২৫৫টি। এবার তিনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪০০ ভোট। তার কমেছে ৪৪ হাজার ভোট।

অন্যদিকে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ২০১২ সালের নির্বাচনে পেয়েছিলেন ৭৭ হাজার ৮০৫ ভোট। এবার তিনি বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৬০ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়ে। তার ভোট বেড়ে প্রায় ৮৪ হাজার। সেই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির আরেক নেতা আব্দুর রঊফ মানিক পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ২০৮ ভোট। দুই প্রার্থীর ভোট এক বাক্সে পড়লে সেই নির্বাচনেই জাতীয় পার্টি সমর্থিত মেয়র পেত রংপুর।

রংপুরে ভোটের হিসাব বিএনপি বরাবরই পিছিয়ে। রংপুরের কোনো আসনেই বিএনপি সাধারণত জিততে পারে না। এবারের প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা গতবারও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন। সেই নির্বাচনে তার অবস্থান ছিল চতুর্থ। তিনি তখন পেয়েছিলেন ২১ হাজার ২৩৫ ভোট। এবারের নির্বাচনে অবশ্য তার ভোটের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। তিনি পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১৩৬ ভোট।

গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটে নতুন নগরপিতা পেয়েছে রংপুর সিটি করপোরেশন। জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও সাবেক মেয়রকে পরাজিত করেন। বিজয়ী হওয়ার পর মোস্তফা সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘আমাকে ভোট দেয়ায় আমি রংপুরবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। রংপুর সিটিকে একটি বাসযোগ্য নগরী করার জন্য আমি যে নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছি, তা পূরণ করতে আমি আমার জীবন উৎসর্গ করব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

রংপুরে ভোট কমেছে আ.লীগের, বেড়েছে জাপা-বিএনপির

আপডেট সময় ০১:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুর সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচনে আগের বারের তুলনায় আওয়ামী লীগের ভোট অনেক কমেছে। বিপুল ভোট বেড়েছে জাতীয় পার্টির। আর সামান্য বেড়েছে বিএনপির। রংপুর সিটির প্রথম নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিন দলের এবারের তিন প্রার্থী। সেই সময় জাতীয় পার্টির ভোট ভাগাভাগি হওয়ায় বাজিমাত করেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমদ ঝন্টু। আর এবার বাজিমাত করলেন জাপা প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাফা।

এই সিটিতে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হয়েছে। বরাবরই রংপুর এরশাদের ঘাঁটি। গত নির্বাচনে জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক না থাকা এবং দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোট ভাগাভাগির কারণে আওয়ামী লীগের কাছে হেরেছিলেন এরশাদের প্রার্থী। তবে এবার লাঙ্গল প্রতীক থাকায় এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ বিদ্রোহী হিসেবে দাঁড়ালেও কোনো পাত্তা পাননি।

২০১২ সালের প্রথম নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমদ ঝন্টু ভোট পেয়েছিলেন এক লাখ ছয় হাজার ২৫৫টি। এবার তিনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪০০ ভোট। তার কমেছে ৪৪ হাজার ভোট।

অন্যদিকে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ২০১২ সালের নির্বাচনে পেয়েছিলেন ৭৭ হাজার ৮০৫ ভোট। এবার তিনি বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৬০ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়ে। তার ভোট বেড়ে প্রায় ৮৪ হাজার। সেই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির আরেক নেতা আব্দুর রঊফ মানিক পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ২০৮ ভোট। দুই প্রার্থীর ভোট এক বাক্সে পড়লে সেই নির্বাচনেই জাতীয় পার্টি সমর্থিত মেয়র পেত রংপুর।

রংপুরে ভোটের হিসাব বিএনপি বরাবরই পিছিয়ে। রংপুরের কোনো আসনেই বিএনপি সাধারণত জিততে পারে না। এবারের প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা গতবারও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন। সেই নির্বাচনে তার অবস্থান ছিল চতুর্থ। তিনি তখন পেয়েছিলেন ২১ হাজার ২৩৫ ভোট। এবারের নির্বাচনে অবশ্য তার ভোটের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। তিনি পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১৩৬ ভোট।

গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটে নতুন নগরপিতা পেয়েছে রংপুর সিটি করপোরেশন। জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও সাবেক মেয়রকে পরাজিত করেন। বিজয়ী হওয়ার পর মোস্তফা সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘আমাকে ভোট দেয়ায় আমি রংপুরবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। রংপুর সিটিকে একটি বাসযোগ্য নগরী করার জন্য আমি যে নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছি, তা পূরণ করতে আমি আমার জীবন উৎসর্গ করব।’