ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি : মির্জা ফখরুল হত্যা মামলায় আবুল বারকাতের জামিন আবেদন মঞ্জুর কারিকুলাম, শিক্ষক ও অবকাঠামোসহ শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিলেন জেলেনস্কি ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প রামিসা হত্যা মামলা: হাইকোর্টে শুনানির পেপারবুক প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক দিল্লির বিমানবন্দরে কী ঘটেছে, জানালেন ডা. জাহেদ উর রহমান আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী

একাত্তরের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ, ১২ ডিসেম্বর

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

১২ ডিসেম্বর ১৯৭১, পাক-হানাদার বাহিনী বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা করে।

যৌথবাহিনীর টাঙ্গাইল আক্রমণ, সারাদিন-রাত যুদ্ধ শেষে ভোরে হানাদার বাহিনীর অস্ত্র সংবরণ। ঢাকায় সামরিক অবস্থানের ওপর বিমান হামলা অব্যাহত। কোনো সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়নি এদিন। ঢাকায় কারফিউ অব্যাহত থাকে এবং ঘরে ঘরে তল্লাশি চলে।

রাতে ঢাকা সেনানিবাসে প্রাদেশিক সরকারের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর সভাপতিত্বে আলবদর, আলশামস কেন্দ্রীয় অধিনায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা প্রণয়ন করা হয়। ফরমান আলী তাদের হাতে তুলে দেন বুদ্ধিজীবীসহ বিশেষ বিশেষ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের নামের তালিকা। বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা হিসেবে সে রাতেই আলবদর বাহিনী সাংবাদিক নিজামউদ্দিন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফাকে তাদের বাসভবন থেকে অপহরণ করে। তারা আর কখনো ফিরে আসেননি। পাক হানাদার বাহিনীর দোসর ধর্মান্ধ ফ্যাসিস্ট বাহিনীর হাতে তারা শহীদ হলেন।

এদিন চার নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিবাহিনী হরিপুর আক্রমণ করে এবং পরদিন হরিপুর শত্রুমুক্ত হয়। নীলফামারী, গাইবান্ধা, নরসিংদী, সরিষাবাড়ী, ভেড়ামারা, শ্রীপুর হানাদারমুক্ত হয়। এদিকে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সভাপতি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দেয়ার জন্য ভারত সরকার ও ভারতীয় জনগণকে ধন্যবাদ জানান। বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ‘আমার শেষ সংগ্রাম বাংলাদেশকে স্বাধীন করা, সমাজতন্ত্রবাদ প্রতিষ্ঠা এবং ভারতের সঙ্গে কনফেডারেশন। এ তিন কাজের সাধন ইনশাআল্লাহ আমার জীবিতকালেই দেখবার প্রবল ইচ্ছা অন্তরে পোষণ করি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি : মির্জা ফখরুল

একাত্তরের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ, ১২ ডিসেম্বর

আপডেট সময় ০২:৪৪:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

১২ ডিসেম্বর ১৯৭১, পাক-হানাদার বাহিনী বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা করে।

যৌথবাহিনীর টাঙ্গাইল আক্রমণ, সারাদিন-রাত যুদ্ধ শেষে ভোরে হানাদার বাহিনীর অস্ত্র সংবরণ। ঢাকায় সামরিক অবস্থানের ওপর বিমান হামলা অব্যাহত। কোনো সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়নি এদিন। ঢাকায় কারফিউ অব্যাহত থাকে এবং ঘরে ঘরে তল্লাশি চলে।

রাতে ঢাকা সেনানিবাসে প্রাদেশিক সরকারের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর সভাপতিত্বে আলবদর, আলশামস কেন্দ্রীয় অধিনায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা প্রণয়ন করা হয়। ফরমান আলী তাদের হাতে তুলে দেন বুদ্ধিজীবীসহ বিশেষ বিশেষ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের নামের তালিকা। বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা হিসেবে সে রাতেই আলবদর বাহিনী সাংবাদিক নিজামউদ্দিন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফাকে তাদের বাসভবন থেকে অপহরণ করে। তারা আর কখনো ফিরে আসেননি। পাক হানাদার বাহিনীর দোসর ধর্মান্ধ ফ্যাসিস্ট বাহিনীর হাতে তারা শহীদ হলেন।

এদিন চার নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিবাহিনী হরিপুর আক্রমণ করে এবং পরদিন হরিপুর শত্রুমুক্ত হয়। নীলফামারী, গাইবান্ধা, নরসিংদী, সরিষাবাড়ী, ভেড়ামারা, শ্রীপুর হানাদারমুক্ত হয়। এদিকে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সভাপতি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দেয়ার জন্য ভারত সরকার ও ভারতীয় জনগণকে ধন্যবাদ জানান। বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ‘আমার শেষ সংগ্রাম বাংলাদেশকে স্বাধীন করা, সমাজতন্ত্রবাদ প্রতিষ্ঠা এবং ভারতের সঙ্গে কনফেডারেশন। এ তিন কাজের সাধন ইনশাআল্লাহ আমার জীবিতকালেই দেখবার প্রবল ইচ্ছা অন্তরে পোষণ করি।’