ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

ইতিহাসের এই দিনে, ১২ ডিসেম্বর

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ (মঙ্গলবার) ১২ ডিসেম্বর’ ২০১৭

(সাংবাদিক নজামুদ্দীনের মৃত্যু)
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালনকারী সাংবাদিক নিজামুদ্দীনের আজ মৃত্যুবার্ষিকী। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে ১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর আলবদররা ঢাকার বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে হত্যা করে। ১৯৯৩ সালে মরণোত্তর একুশে পদক দেয়া হয় তাকে । নিজামুদ্দীনের জন্ম ১৯২৯ সালে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরে। ১৯৫২ তে ভাষা আন্দোলনের বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অনার্সসহ স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই যুক্ত ছিলেন সাংবাদিকতায়।

লাহোরের সিভিল মিলিটারি গেজেট, ঢাকার দৈনিক মিল্লাত, এপিপি প্রভৃতি পত্রিকা ও সংবাদ সংস্থায় কাজ করেছেন। ১৯৫৯-এ যোগ দেন তদানীন্তন পাকিস্তান প্রেস ইন্টারন্যাশনাল সংস্থায়। তার প্রচেষ্টায় ঢাকায় এই সংবাদ সংস্থার শাখা দপ্তর খোলা হয়। পরে তিনি এর সম্পাদক হন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।

৬৫ তে ক্ষমতাসীন কনভেনশন মুসলিম লীগের মনোনয়নে পশ্চিম বিক্রমপুর থেকে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ‘৬৯-এ আইয়ুব বিরোধী গণআন্দোলন এবং ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে পূর্ববাংলায় পাকিস্তানিদের নির্যাতন-নৃশংসতার খবর সরবরাহ করতেন । তার প্রেরিত সংবাদগুলো মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষকে উদ্দীপ্ত করেছে। বহির্বিশ্বে জনমত তৈরি করেছে স্বাধীনতার স্বপক্ষে ।

১৯০১ সালের এ দিনে ইতালির পদার্থবিদ এবং বেতার যন্ত্রের অগ্রদূত গুগলিয়েলমো মার্কনি আটলান্টিক মহাসাগরের এক কুল থেকে অপর কুলে প্রথম সফল ভাবে বেতার বার্তা প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই বার্তাটি ছিলো ইংরেজী বর্ণ ‘এস’ এবং এটি প্রেরণ করা হয়েছিলো মোর্স কোডের মাধ্যমে। ইংল্যান্ড থেকে পাঠানো বেতার বার্তাটি গ্রহণ করা হয়েছিলো দু হাজার মাইল দূরের কানাডার উপকুলে।

এই বেতার বার্তা পাঠানোর আগে অনেক সমালোচকই বলেছিলেন পৃথিবী গোলাকার হওয়ার কারণে বেতার বার্তা ২০০ মাইল বা তার চেয়ে কম পথ পাড়ি দিতে পারবে। মার্কনির জন্ম হয়েছিলো ১৮৭৪ সালে। তার মা ছিলেন আইরিশ এবং বাবা ছিলেন ইতালির। তিনি পদার্থবিদ্যা নিয়ে অধ্যায়ন করেন পরে জার্মান পদার্থবিদ হেনিরখ হার্টস বেতার তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা করছেন জানতে পেরে নিজেও এ ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে পড়েন। ১৮৯৪ সালে মার্কনি প্রথম দেড় মাইল দূরে বেতার সংকেত প্রেরণের ব্যাপারে সফল হন।

তবে ইতালিতে তার এই গবেষণা নিয়ে তৎকালে তেমন কোনো উৎসাহ দেখানো হয়নি বলে তিনি ১৮৯৬ সালে ইংল্যান্ডে চলে যান। ১৮৯৯ সালে প্রথম তিনি ইংলিশ চ্যানেলের অপর পাড়ে বেতার সংকেত পাঠানোর কাজে সফল হন। ১৯৩৭ সালে তিনি পরলোকগমন করেন। এর আগে ১৯০৯ সালে বেতার আবিষ্কারের জন্য তাকে জার্মানির আবিষ্কারক ফার্ডিন্যান্ড ব্রাউনের সাথে পদার্থ বিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছিলো।

১৯৮৯ সালের এ দিনে জাতিসংঘ শিশুর নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত একটি সনদ গ্রহণ করে। জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুযায়ী পরিবারকে সমাজের প্রাথমিক সংগঠন হিসেবে এই সনদে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সনদে আরো বলা হয়েছে, প্রতিটি শিশুর প্রাপ্য হচ্ছে বিশেষ যতœ ও সহায়তা। জাতিসংঘের এই সনদে ১৮ বছরের নীচের সব মানবসন্তানকে শিশু হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

সনদে বলা হয়েছে, শিশু বিষয়ে যে কোন ধরনের কার্যক্রমে শিশুর স্বার্থই হবে প্রথম ও প্রধান বিবেচনায় বিষয় ৷ এছাড়া জরুরী অবস্থা এবং সশস্ত্র সংঘাতকালীন সময়েও মহিলা ও শিশুর নিরাপত্তা বজায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে ৷ এই সনদে প্রতিটি শিশুর বেঁচে থাকার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার এবং শিশুর উন্নয়নের জন্য যথাসম্ভব সর্বাধিক নিশ্চয়তার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

শিশুকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার বাবা মায়ের কাছ থেকে বিছিন্ন না করার নিশ্চিয়তা প্রদানের জন্য সনদে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর প্রতি আহবান জানানো হয়। সকল শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং সহজলভ্য করার আহবান এই সনদে জানানো হয়েছে৷ সনদে বয়সের সাথে সঙ্গতি রেখে শিশুর বিশ্রাম, অবসর যাপন, বয়স অনুযায়ী, বিনোদনমূলক কর্মসূচী এবং সাংস্কৃতিক, সুকুমার শিল্পে অংশগ্রহণের অবাধ অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

১৯০৪ সালের এ দিনে আলেম ও স্বাধীনতাকামীরা তেহরান ত্যাগ করে পবিত্র নগরী কোমে অভিবাসন শুরু করেছিলেন। কাজার রাজ বংশের শাসক মোহাম্মদ আলী শাহ কাজারের নির্যাতনের প্রতিবাদে এই অভিবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো। আর এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ স্যাইয়্যেদ আবদুল্লাহ বেহবাহানি এবং আয়াতুল্লাহ স্যাইয়্যেদ মোহাম্মদ তাবাতাবাই।

জনগণের সাথে তৎকালীন সরকারী বাহিনীর সংঘাত প্রতিহত করার লক্ষ্যে তারা তেহরান ত্যাগের পথ বেছে নিয়েছিলেন। তারা তেহরানে প্রত্যাবর্তনের জন্য যে শর্ত দিয়েছিলেন তা ছিলো, সমগ্র ইরানে ইসলামী আইন কায়েম করতে হবে এবং সরকারী কৌশলীর দফতর স্থাপন করতে হবে।

১৯২৫ সালের এ দিনে ইরানের রাজবংশের পরিবর্তন ঘটে। ১৫৩ বছরের কাজার রাজ বংশের অবসান ঘটে এবং পাহলভী বংশের ৫৩ বছরের শাসনের শুরু হয়। এই দুই বংশের শাসকদের শাসনের মধ্যে বেশ মিল খুজে পাওয়া যায়। দুই বংশের শাসকরাই নির্যাতন ও জুলুম করেছে, বিদেশীদের তল্লীবাহক ছিলেন এবং সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনা কাজে অক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন।

সেনাকর্মকর্তা রেজা খান ষড়যন্ত্র, অভ্যুত্থান এবং বৃটিশদের যোগসাজশের মাধ্যমে ক্ষমতা নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে পাহলভী শাসনের অবসান ঘটেছিলো।

  • দিল্লীতে তৈমুর লং কর্তৃক ১ লাখ লোক খুন (১৩৩৮)
  • মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর জন্ম (১৮৮০)
  • ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিংয়ের মৃত্যু (১৮৮৯)
  • বঙ্গভঙ্গ আইন রদ। ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তর (১৯১১)
  • কেনিয়ার স্বাধীনতা লাভ (১৯৬৩)
  • কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে ৭শ’ প্রাণহানি (১৯৭৯)
  • অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি গুলাম ইসহাক খান পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত (১৯৮৮)
  • দুনীতির অভিযোগে বাংলাদেশের পতিত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সপরিবারে গ্রেফতার (১৯৯০)
  • উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষর (১৯৯১)
  • ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে আড়াই হাজার লোকের প্রাণহানি (১৯৯২)
  • শেখ হাসিনা ও দেবগৌড়ার মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত ৩০ বছর মেয়াদী পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর (১৯৯৬)
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাসের এই দিনে, ১২ ডিসেম্বর

আপডেট সময় ০২:৪১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ (মঙ্গলবার) ১২ ডিসেম্বর’ ২০১৭

(সাংবাদিক নজামুদ্দীনের মৃত্যু)
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালনকারী সাংবাদিক নিজামুদ্দীনের আজ মৃত্যুবার্ষিকী। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে ১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর আলবদররা ঢাকার বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে হত্যা করে। ১৯৯৩ সালে মরণোত্তর একুশে পদক দেয়া হয় তাকে । নিজামুদ্দীনের জন্ম ১৯২৯ সালে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরে। ১৯৫২ তে ভাষা আন্দোলনের বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অনার্সসহ স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই যুক্ত ছিলেন সাংবাদিকতায়।

লাহোরের সিভিল মিলিটারি গেজেট, ঢাকার দৈনিক মিল্লাত, এপিপি প্রভৃতি পত্রিকা ও সংবাদ সংস্থায় কাজ করেছেন। ১৯৫৯-এ যোগ দেন তদানীন্তন পাকিস্তান প্রেস ইন্টারন্যাশনাল সংস্থায়। তার প্রচেষ্টায় ঢাকায় এই সংবাদ সংস্থার শাখা দপ্তর খোলা হয়। পরে তিনি এর সম্পাদক হন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।

৬৫ তে ক্ষমতাসীন কনভেনশন মুসলিম লীগের মনোনয়নে পশ্চিম বিক্রমপুর থেকে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ‘৬৯-এ আইয়ুব বিরোধী গণআন্দোলন এবং ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে পূর্ববাংলায় পাকিস্তানিদের নির্যাতন-নৃশংসতার খবর সরবরাহ করতেন । তার প্রেরিত সংবাদগুলো মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষকে উদ্দীপ্ত করেছে। বহির্বিশ্বে জনমত তৈরি করেছে স্বাধীনতার স্বপক্ষে ।

১৯০১ সালের এ দিনে ইতালির পদার্থবিদ এবং বেতার যন্ত্রের অগ্রদূত গুগলিয়েলমো মার্কনি আটলান্টিক মহাসাগরের এক কুল থেকে অপর কুলে প্রথম সফল ভাবে বেতার বার্তা প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই বার্তাটি ছিলো ইংরেজী বর্ণ ‘এস’ এবং এটি প্রেরণ করা হয়েছিলো মোর্স কোডের মাধ্যমে। ইংল্যান্ড থেকে পাঠানো বেতার বার্তাটি গ্রহণ করা হয়েছিলো দু হাজার মাইল দূরের কানাডার উপকুলে।

এই বেতার বার্তা পাঠানোর আগে অনেক সমালোচকই বলেছিলেন পৃথিবী গোলাকার হওয়ার কারণে বেতার বার্তা ২০০ মাইল বা তার চেয়ে কম পথ পাড়ি দিতে পারবে। মার্কনির জন্ম হয়েছিলো ১৮৭৪ সালে। তার মা ছিলেন আইরিশ এবং বাবা ছিলেন ইতালির। তিনি পদার্থবিদ্যা নিয়ে অধ্যায়ন করেন পরে জার্মান পদার্থবিদ হেনিরখ হার্টস বেতার তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা করছেন জানতে পেরে নিজেও এ ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে পড়েন। ১৮৯৪ সালে মার্কনি প্রথম দেড় মাইল দূরে বেতার সংকেত প্রেরণের ব্যাপারে সফল হন।

তবে ইতালিতে তার এই গবেষণা নিয়ে তৎকালে তেমন কোনো উৎসাহ দেখানো হয়নি বলে তিনি ১৮৯৬ সালে ইংল্যান্ডে চলে যান। ১৮৯৯ সালে প্রথম তিনি ইংলিশ চ্যানেলের অপর পাড়ে বেতার সংকেত পাঠানোর কাজে সফল হন। ১৯৩৭ সালে তিনি পরলোকগমন করেন। এর আগে ১৯০৯ সালে বেতার আবিষ্কারের জন্য তাকে জার্মানির আবিষ্কারক ফার্ডিন্যান্ড ব্রাউনের সাথে পদার্থ বিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছিলো।

১৯৮৯ সালের এ দিনে জাতিসংঘ শিশুর নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত একটি সনদ গ্রহণ করে। জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুযায়ী পরিবারকে সমাজের প্রাথমিক সংগঠন হিসেবে এই সনদে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সনদে আরো বলা হয়েছে, প্রতিটি শিশুর প্রাপ্য হচ্ছে বিশেষ যতœ ও সহায়তা। জাতিসংঘের এই সনদে ১৮ বছরের নীচের সব মানবসন্তানকে শিশু হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

সনদে বলা হয়েছে, শিশু বিষয়ে যে কোন ধরনের কার্যক্রমে শিশুর স্বার্থই হবে প্রথম ও প্রধান বিবেচনায় বিষয় ৷ এছাড়া জরুরী অবস্থা এবং সশস্ত্র সংঘাতকালীন সময়েও মহিলা ও শিশুর নিরাপত্তা বজায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে ৷ এই সনদে প্রতিটি শিশুর বেঁচে থাকার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার এবং শিশুর উন্নয়নের জন্য যথাসম্ভব সর্বাধিক নিশ্চয়তার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

শিশুকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার বাবা মায়ের কাছ থেকে বিছিন্ন না করার নিশ্চিয়তা প্রদানের জন্য সনদে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর প্রতি আহবান জানানো হয়। সকল শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং সহজলভ্য করার আহবান এই সনদে জানানো হয়েছে৷ সনদে বয়সের সাথে সঙ্গতি রেখে শিশুর বিশ্রাম, অবসর যাপন, বয়স অনুযায়ী, বিনোদনমূলক কর্মসূচী এবং সাংস্কৃতিক, সুকুমার শিল্পে অংশগ্রহণের অবাধ অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

১৯০৪ সালের এ দিনে আলেম ও স্বাধীনতাকামীরা তেহরান ত্যাগ করে পবিত্র নগরী কোমে অভিবাসন শুরু করেছিলেন। কাজার রাজ বংশের শাসক মোহাম্মদ আলী শাহ কাজারের নির্যাতনের প্রতিবাদে এই অভিবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো। আর এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ স্যাইয়্যেদ আবদুল্লাহ বেহবাহানি এবং আয়াতুল্লাহ স্যাইয়্যেদ মোহাম্মদ তাবাতাবাই।

জনগণের সাথে তৎকালীন সরকারী বাহিনীর সংঘাত প্রতিহত করার লক্ষ্যে তারা তেহরান ত্যাগের পথ বেছে নিয়েছিলেন। তারা তেহরানে প্রত্যাবর্তনের জন্য যে শর্ত দিয়েছিলেন তা ছিলো, সমগ্র ইরানে ইসলামী আইন কায়েম করতে হবে এবং সরকারী কৌশলীর দফতর স্থাপন করতে হবে।

১৯২৫ সালের এ দিনে ইরানের রাজবংশের পরিবর্তন ঘটে। ১৫৩ বছরের কাজার রাজ বংশের অবসান ঘটে এবং পাহলভী বংশের ৫৩ বছরের শাসনের শুরু হয়। এই দুই বংশের শাসকদের শাসনের মধ্যে বেশ মিল খুজে পাওয়া যায়। দুই বংশের শাসকরাই নির্যাতন ও জুলুম করেছে, বিদেশীদের তল্লীবাহক ছিলেন এবং সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনা কাজে অক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন।

সেনাকর্মকর্তা রেজা খান ষড়যন্ত্র, অভ্যুত্থান এবং বৃটিশদের যোগসাজশের মাধ্যমে ক্ষমতা নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে পাহলভী শাসনের অবসান ঘটেছিলো।

  • দিল্লীতে তৈমুর লং কর্তৃক ১ লাখ লোক খুন (১৩৩৮)
  • মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর জন্ম (১৮৮০)
  • ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিংয়ের মৃত্যু (১৮৮৯)
  • বঙ্গভঙ্গ আইন রদ। ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তর (১৯১১)
  • কেনিয়ার স্বাধীনতা লাভ (১৯৬৩)
  • কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে ৭শ’ প্রাণহানি (১৯৭৯)
  • অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি গুলাম ইসহাক খান পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত (১৯৮৮)
  • দুনীতির অভিযোগে বাংলাদেশের পতিত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সপরিবারে গ্রেফতার (১৯৯০)
  • উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষর (১৯৯১)
  • ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে আড়াই হাজার লোকের প্রাণহানি (১৯৯২)
  • শেখ হাসিনা ও দেবগৌড়ার মধ্যে বাংলাদেশ-ভারত ৩০ বছর মেয়াদী পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর (১৯৯৬)