ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাতে নগরীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার বিকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার দুইজন হলেন- জয়পুরহাটের সতিঘাটা এলাকার আব্দুর রহিম মোল্লার ছেলে সোহেল রানা ওরফে একরাম এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মানু কাজির ছেলে জয়নাল আবেদীন। এদের মধ্যে জয়নাল প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেডের রাজশাহী রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর ও ইসলামি তাকাফুল বিমা ডিভিশনের রাজশাহীর ইনচার্জ পদে কর্মরত আছেন। আর একরাম তার বন্ধু। একরামের বিরুদ্ধেই ধর্ষণের অভিযোগ। অপরজন গ্রেপ্তার সহযোগিতার অভিযোগে।

বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমান উল্লাহ বলেন, একরামের সঙ্গে নগরীর এক কলেজছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি একরাম মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন এবং মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। এ নিয়ে গত শনিবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়।

পুলিশ অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়। উদ্ধার করা হয় ধর্ষণের ভিডিও ফুটেজও। পরে নগরীর মালোপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয় একরাম ও জয়নালকে। জয়নালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ধর্ষণে সহায়তা করেছেন এবং ভিডিওচিত্র সংরক্ষণ করেছেন।

ওসি জানান, এ নিয়ে মেয়েটির মা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণের মামলা করেছেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার বিকালে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০১:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাতে নগরীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার বিকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার দুইজন হলেন- জয়পুরহাটের সতিঘাটা এলাকার আব্দুর রহিম মোল্লার ছেলে সোহেল রানা ওরফে একরাম এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মানু কাজির ছেলে জয়নাল আবেদীন। এদের মধ্যে জয়নাল প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেডের রাজশাহী রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর ও ইসলামি তাকাফুল বিমা ডিভিশনের রাজশাহীর ইনচার্জ পদে কর্মরত আছেন। আর একরাম তার বন্ধু। একরামের বিরুদ্ধেই ধর্ষণের অভিযোগ। অপরজন গ্রেপ্তার সহযোগিতার অভিযোগে।

বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমান উল্লাহ বলেন, একরামের সঙ্গে নগরীর এক কলেজছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি একরাম মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন এবং মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। এ নিয়ে গত শনিবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়।

পুলিশ অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়। উদ্ধার করা হয় ধর্ষণের ভিডিও ফুটেজও। পরে নগরীর মালোপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয় একরাম ও জয়নালকে। জয়নালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ধর্ষণে সহায়তা করেছেন এবং ভিডিওচিত্র সংরক্ষণ করেছেন।

ওসি জানান, এ নিয়ে মেয়েটির মা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণের মামলা করেছেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার বিকালে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।