ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

জেরুজালেমের সিদ্ধান্তে সাময়িক শান্তি নষ্ট হবে: হোয়াইট হাউস

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মুসলমানদের পুণ্যভূমি জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি দেয়ায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে ব্যাহত হবে বলে স্বীকার করেছেন হোয়াইট হাউসের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের কাছে বৃহস্পতিবার তারা এই বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তাদের নাম প্রকাশ করেনি সিএনএন।

হোয়াইট হাউসের ঐ দুই কর্মকর্তার কাছে সিএনএনের প্রশ্ন ছিল কতদিন চলবে এই অবস্থা? হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘শান্তি প্রক্রিয়ার এই ব্যাঘাতের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি- এটি সাময়িক হবে, আশাকরি।’

তিনি স্বীকার করেছেন, ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর ফিলিস্তিনের ক্ষুব্ধ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পিস টিম এখন পর্যন্ত কোনো যোগাযোগ করেনি। ট্রাম্পের নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করতে গিয়ে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ‘শান্তি প্রক্রিয়া বিঘ্নিত’ হওয়ার জন্য হোয়াইট হাউসকে মাশুল দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

হোয়াইট হাউসের ঐ দুই কর্মকর্তা বলেছেন, তারা মনে করছেন ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সমঝোতার টেবিলে বসার আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ঘোষণা শান্তি প্রক্রিয়ার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাহায্য করবে। তাদের একজন বলছেন, ‘শান্তি প্রক্রিয়া বাইরে রেখে একই সময়ে আমরা এই সিদ্ধান্ত কিভাবে বাস্তবায়ন করব তা নিয়ে অনেকেই মাথা ঘামাচ্ছেন।’

অপর হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা বলেন, ‘এই মুহূর্তে সেখানে ঐক্যের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তবে আমরা জানি সেখানে স্বল্প সময়ের জন্য শান্তি নষ্ট হতে পারে, তবে এটি দীর্ঘ মেয়াদের জন্য ভালো হবে।’

বাংলাদেশ সময় গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১২টার দিকে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘ, আরব ও মুসলমান-অধ্যুষিত দেশ, এমনকি মার্কিন মিত্রদের আপত্তিকে পাত্তা না দিয়ে তিনি নিজের একগুঁয়েমি সিদ্ধান্তেই অনড় থাকেন। একই সঙ্গে ইসরায়েলের তেলআবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেয়ার কথা জানান ট্রাম্প।

সাত দশক ধরে মার্কিন প্রশাসনের কাছে এটি ‘স্পর্শকাতর’ বিষয় হিসেবেই চিহ্নিত ছিল। বিতর্ক এড়াতেই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। দীর্ঘদিন ধরে চলা মার্কিন এই নীতির লঙ্ঘন করলেন ট্রাম্প। জেরুজালেমের ভাগ্য ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের মধ্যে চলা সবচেয়ে সমস্যাসঙ্কুল বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ দুটি দেশই রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে চায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

জেরুজালেমের সিদ্ধান্তে সাময়িক শান্তি নষ্ট হবে: হোয়াইট হাউস

আপডেট সময় ০২:৩০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মুসলমানদের পুণ্যভূমি জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি দেয়ায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে ব্যাহত হবে বলে স্বীকার করেছেন হোয়াইট হাউসের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের কাছে বৃহস্পতিবার তারা এই বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তাদের নাম প্রকাশ করেনি সিএনএন।

হোয়াইট হাউসের ঐ দুই কর্মকর্তার কাছে সিএনএনের প্রশ্ন ছিল কতদিন চলবে এই অবস্থা? হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘শান্তি প্রক্রিয়ার এই ব্যাঘাতের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি- এটি সাময়িক হবে, আশাকরি।’

তিনি স্বীকার করেছেন, ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর ফিলিস্তিনের ক্ষুব্ধ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পিস টিম এখন পর্যন্ত কোনো যোগাযোগ করেনি। ট্রাম্পের নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করতে গিয়ে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ‘শান্তি প্রক্রিয়া বিঘ্নিত’ হওয়ার জন্য হোয়াইট হাউসকে মাশুল দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

হোয়াইট হাউসের ঐ দুই কর্মকর্তা বলেছেন, তারা মনে করছেন ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সমঝোতার টেবিলে বসার আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ঘোষণা শান্তি প্রক্রিয়ার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাহায্য করবে। তাদের একজন বলছেন, ‘শান্তি প্রক্রিয়া বাইরে রেখে একই সময়ে আমরা এই সিদ্ধান্ত কিভাবে বাস্তবায়ন করব তা নিয়ে অনেকেই মাথা ঘামাচ্ছেন।’

অপর হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা বলেন, ‘এই মুহূর্তে সেখানে ঐক্যের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তবে আমরা জানি সেখানে স্বল্প সময়ের জন্য শান্তি নষ্ট হতে পারে, তবে এটি দীর্ঘ মেয়াদের জন্য ভালো হবে।’

বাংলাদেশ সময় গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১২টার দিকে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘ, আরব ও মুসলমান-অধ্যুষিত দেশ, এমনকি মার্কিন মিত্রদের আপত্তিকে পাত্তা না দিয়ে তিনি নিজের একগুঁয়েমি সিদ্ধান্তেই অনড় থাকেন। একই সঙ্গে ইসরায়েলের তেলআবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেয়ার কথা জানান ট্রাম্প।

সাত দশক ধরে মার্কিন প্রশাসনের কাছে এটি ‘স্পর্শকাতর’ বিষয় হিসেবেই চিহ্নিত ছিল। বিতর্ক এড়াতেই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। দীর্ঘদিন ধরে চলা মার্কিন এই নীতির লঙ্ঘন করলেন ট্রাম্প। জেরুজালেমের ভাগ্য ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের মধ্যে চলা সবচেয়ে সমস্যাসঙ্কুল বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ দুটি দেশই রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে চায়।