ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

আখাউড়া মুক্ত দিবস আজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পূর্বাঞ্চল মুক্তিযুদ্ধের প্রবেশদ্বার নামে খ্যাত আখাউড়া মুক্ত দিবস আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর দখল থেকে মুক্ত করে মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাঞ্চলীয় জোনের প্রধান জহুর আহম্মেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন এলাকায় লিলু মিয়া, নাজির হোসেন, দেওয়ান খান খাদেমসহ আরও অনেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বুধবার উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের উদ্যোগে পৌরশহরের সড়ক বাজারের পোস্ট অফিসের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, র‌্যালি, অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, আলোচনা সভা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধে আখাউড়া ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম রণাঙ্গন। ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তঘেঁষা হওয়ায় মুক্তি বাহিনীর সঙ্গে আখাউড়ায় পাক সেনাদের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এই রণাঙ্গনেই ১৮ এপ্রিল পাক সেনাদের গুলিতে শহীদ হয়েছেন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মো. মোস্তফা কামালসহ অসংখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধা। সভ্রম হারিয়েছে শত শত নারী।

২৩ আগস্ট রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী আখাউড়া উপজেলার গঙ্গাসাগরে চালায় গণহত্যা। ওইদিন একই গ্রামের ২৭ জনসহ ৩৩ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে এস ফোর্সের প্রায় দুই বিগ্রেড সৈন্য আখাউড়া রেলস্টেশনে অবস্থান নেয়। এ সময় রেলস্টেশনের যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় দুই শতাধিক সেনা হতাহত হয়। মুক্তি বাহিনীর লে. কর্নেল বদিউজ্জামানসহ অনেকেই এই রণাঙ্গণে শহীদ হন। বীর মুক্তিযোদ্ধারা আখাউড়া অঞ্চল ৬ ডিসেম্বর সম্পূর্ণ হানাদার মুক্ত করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

আখাউড়া মুক্ত দিবস আজ

আপডেট সময় ০৫:২৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পূর্বাঞ্চল মুক্তিযুদ্ধের প্রবেশদ্বার নামে খ্যাত আখাউড়া মুক্ত দিবস আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর দখল থেকে মুক্ত করে মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাঞ্চলীয় জোনের প্রধান জহুর আহম্মেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন এলাকায় লিলু মিয়া, নাজির হোসেন, দেওয়ান খান খাদেমসহ আরও অনেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বুধবার উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের উদ্যোগে পৌরশহরের সড়ক বাজারের পোস্ট অফিসের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, র‌্যালি, অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, আলোচনা সভা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধে আখাউড়া ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম রণাঙ্গন। ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তঘেঁষা হওয়ায় মুক্তি বাহিনীর সঙ্গে আখাউড়ায় পাক সেনাদের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এই রণাঙ্গনেই ১৮ এপ্রিল পাক সেনাদের গুলিতে শহীদ হয়েছেন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মো. মোস্তফা কামালসহ অসংখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধা। সভ্রম হারিয়েছে শত শত নারী।

২৩ আগস্ট রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী আখাউড়া উপজেলার গঙ্গাসাগরে চালায় গণহত্যা। ওইদিন একই গ্রামের ২৭ জনসহ ৩৩ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে এস ফোর্সের প্রায় দুই বিগ্রেড সৈন্য আখাউড়া রেলস্টেশনে অবস্থান নেয়। এ সময় রেলস্টেশনের যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় দুই শতাধিক সেনা হতাহত হয়। মুক্তি বাহিনীর লে. কর্নেল বদিউজ্জামানসহ অনেকেই এই রণাঙ্গণে শহীদ হন। বীর মুক্তিযোদ্ধারা আখাউড়া অঞ্চল ৬ ডিসেম্বর সম্পূর্ণ হানাদার মুক্ত করেন।