ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

মালয়েশিয়ায় অনেক বাংলাদেশি পানি খেয়ে বেঁচে আছেন: আদিলুর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান বলেছেন, তাঁকে মালয়েশিয়া বিমানবন্দরের একটি কক্ষে আটক করে রাখা হয়েছিল। সেখানে ৬০ জনের বেশি ছিলেন, যার অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি। তাঁদের অনেকে বেশ খারাপ অবস্থায় আছেন।

আজ শনিবার রাজধানীর গুলশানে অধিকার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আদিলুর রহমান খান এ কথা বলেন। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের আটকের পর রাখা ডিটেনশন সেন্টার সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ডিটেনশন সেন্টারগুলো সরকারি না। এগুলো বেসরকারি। এখানে শুধু পানি বিনা মূল্যে পাওয়া যায়। টাকা থাকলে খাবার কিনে খাওয়া যায়। নইলে না। এখানে অনেক বাংলাদেশি আছেন, যাঁরা পানি খেয়ে বেঁচে আছেন।

অধিকারের সম্পাদক বলেন, বিমানবন্দরে ওই কক্ষে থাকার সময় কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তাঁদের একজন মো. ইমরান হোসেন। তিনি প্রফেশনাল ভিসা নিয়ে আজকে নিয়ে ষষ্ঠ দিনের মতো আটকা আছেন।

আদিলুর রহমান খান বলেন, তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশি এক নারীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ওই নারী তাঁকে জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী ১১ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় কাজ করেন। তিন মাসের ভিসা নিয়ে তিনি স্বামীর কাছে যাচ্ছিলেন। কোনো কারণ না দেখিয়ে তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

অধিকার সম্পাদক ২০ জুলাই ভোররাত চারটায় ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ায় যান। সেখানে কুয়ালালামপুর ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে নামার পর তাঁকে আর ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একটি মানবাধিকার সংগঠনের সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিলেন। এ ব্যাপারে আজকের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার মানবাধিকার কমিশন বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। এ ব্যাপারে তাই তিনি এখন কিছু বলতে চান না।

অধিকারের সভাপতি সি আর আবরার বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব বাংলাদেশির ব্যাপারে কিছু জানে কি না বা কোনো উদ্যোগ নিয়েছে কি না, তা জানা প্রয়োজন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ

মালয়েশিয়ায় অনেক বাংলাদেশি পানি খেয়ে বেঁচে আছেন: আদিলুর

আপডেট সময় ০৫:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান বলেছেন, তাঁকে মালয়েশিয়া বিমানবন্দরের একটি কক্ষে আটক করে রাখা হয়েছিল। সেখানে ৬০ জনের বেশি ছিলেন, যার অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি। তাঁদের অনেকে বেশ খারাপ অবস্থায় আছেন।

আজ শনিবার রাজধানীর গুলশানে অধিকার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আদিলুর রহমান খান এ কথা বলেন। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের আটকের পর রাখা ডিটেনশন সেন্টার সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ডিটেনশন সেন্টারগুলো সরকারি না। এগুলো বেসরকারি। এখানে শুধু পানি বিনা মূল্যে পাওয়া যায়। টাকা থাকলে খাবার কিনে খাওয়া যায়। নইলে না। এখানে অনেক বাংলাদেশি আছেন, যাঁরা পানি খেয়ে বেঁচে আছেন।

অধিকারের সম্পাদক বলেন, বিমানবন্দরে ওই কক্ষে থাকার সময় কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তাঁদের একজন মো. ইমরান হোসেন। তিনি প্রফেশনাল ভিসা নিয়ে আজকে নিয়ে ষষ্ঠ দিনের মতো আটকা আছেন।

আদিলুর রহমান খান বলেন, তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশি এক নারীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ওই নারী তাঁকে জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী ১১ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় কাজ করেন। তিন মাসের ভিসা নিয়ে তিনি স্বামীর কাছে যাচ্ছিলেন। কোনো কারণ না দেখিয়ে তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

অধিকার সম্পাদক ২০ জুলাই ভোররাত চারটায় ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ায় যান। সেখানে কুয়ালালামপুর ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে নামার পর তাঁকে আর ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একটি মানবাধিকার সংগঠনের সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিলেন। এ ব্যাপারে আজকের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার মানবাধিকার কমিশন বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। এ ব্যাপারে তাই তিনি এখন কিছু বলতে চান না।

অধিকারের সভাপতি সি আর আবরার বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব বাংলাদেশির ব্যাপারে কিছু জানে কি না বা কোনো উদ্যোগ নিয়েছে কি না, তা জানা প্রয়োজন।