ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

হজরত মুয়াযকে যে দোয়া পড়তে বললেন প্রিয়নবী

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হজরত মুয়ায (রা:) নবীকরিম (সা:) এর সম্মানিত সাহাবি। প্রিয়নবীর জীবদ্দশায় তাকে মুফতি হিসেবে গণ্য করা হতো। তিনি কুরআনের নির্ভরযোগ্য কারি এবং সুবিজ্ঞ আলিম ছিলেন। হজরত মুয়ায ইবনে জাবাল অত্যন্ত সুদর্শন, মিষ্ট স্বভাব, মুক্ত হস্ত দানশীল, ভদ্র, সুবক্তা ও সুকণ্ঠের অধিকারী ছিলেন।

নবীকরিম (সা:) তাকে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের জন্য দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। যে দিক নির্দেশনা উম্মতে মুসলিমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একদিন নবীকরিম (সা:) তাকে বললেন, ‘হে মুয়াজ! ফরজ নামাজগুলোর পর এ দোয়া পাঠ কর-

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আইন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাকে তোমার জিকির ও শোকর আদায় করার তাওফিক দাও এবং উত্তমরূপে তোমার ইবাদত করার তাওফিক দান কর।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

হজরত মুয়াযকে যে দোয়া পড়তে বললেন প্রিয়নবী

আপডেট সময় ১০:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হজরত মুয়ায (রা:) নবীকরিম (সা:) এর সম্মানিত সাহাবি। প্রিয়নবীর জীবদ্দশায় তাকে মুফতি হিসেবে গণ্য করা হতো। তিনি কুরআনের নির্ভরযোগ্য কারি এবং সুবিজ্ঞ আলিম ছিলেন। হজরত মুয়ায ইবনে জাবাল অত্যন্ত সুদর্শন, মিষ্ট স্বভাব, মুক্ত হস্ত দানশীল, ভদ্র, সুবক্তা ও সুকণ্ঠের অধিকারী ছিলেন।

নবীকরিম (সা:) তাকে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের জন্য দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। যে দিক নির্দেশনা উম্মতে মুসলিমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একদিন নবীকরিম (সা:) তাকে বললেন, ‘হে মুয়াজ! ফরজ নামাজগুলোর পর এ দোয়া পাঠ কর-

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আইন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাকে তোমার জিকির ও শোকর আদায় করার তাওফিক দাও এবং উত্তমরূপে তোমার ইবাদত করার তাওফিক দান কর।’