ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাজশাহীতে আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘৭ই মার্চের ভাষণ’কে ইউনেস্কো ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ ঘোষণা করায় আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল নামে। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসন আয়োজিত হাজারো মানুষের পদচারণায় তিল ধারণের ঠাঁই হারায় রাজশাহী মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র সাহেববাজার এলাকা।

সকাল ১০টায় নগরীর আলুপট্টি মোড় থেকে জেলা প্রশাসক হেলাল মাহমুদ শরীফের নেতৃত্বে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে সাহেববাজার হয়ে রাজশাহী কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এরপর আলুপট্টি মোড় থেকে একের পর এক শোভাযাত্রা গিয়ে মিলিত হয় কলেজ মাঠে। জেলা সদরের প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে এসব শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শোভাযাত্রায় সবার হাতে হাতে শোভা পায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ফেস্টুন এবং প্ল্যাকার্ড। মাইকে প্রচার করা হয় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ এবং দেশাত্মবোধক গান। ঢাক-ঢোল বাজিয়ে, নেচে-গেয়ে আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে তারা স্মরণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

পরে বেলা ১১টায় রাজশাহী কলেজ মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর যে চক্র ক্ষমতায় ছিল, সে চক্র ভাষণটি প্রচার করতে দেয়নি। বহু বছর ভাষণটি অনাদরে পড়ে ছিল এবং এটিকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, এখন প্রমাণিত হয়েছে- মিথ্যা দিয়ে সত্যকে আড়াল করা যায় না। স্বাধীনতার মূল ঘোষণাকে যারা অস্বীকার করেছে, আজ তারাই ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। স্বীকৃতি মিলেছে, বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি পৃথিবীর অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ ভাষণ। কে মানল, কে মানল না, এটি বড় কথা নয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বিবিসির জরিপে অনেক আগেই এটি প্রমাণিত হয়েছে।

শোভাযাত্রায় অংশ নেয়ায় সবার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান। এসময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আমিনুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মাহাবুবর রহমান, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সমাজসেবী শাহীন আক্তার রেনী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মর্জিনা পারভিন, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ হবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রাজশাহীতে আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

আপডেট সময় ০৫:৪৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘৭ই মার্চের ভাষণ’কে ইউনেস্কো ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ ঘোষণা করায় আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল নামে। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসন আয়োজিত হাজারো মানুষের পদচারণায় তিল ধারণের ঠাঁই হারায় রাজশাহী মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র সাহেববাজার এলাকা।

সকাল ১০টায় নগরীর আলুপট্টি মোড় থেকে জেলা প্রশাসক হেলাল মাহমুদ শরীফের নেতৃত্বে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে সাহেববাজার হয়ে রাজশাহী কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এরপর আলুপট্টি মোড় থেকে একের পর এক শোভাযাত্রা গিয়ে মিলিত হয় কলেজ মাঠে। জেলা সদরের প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে এসব শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শোভাযাত্রায় সবার হাতে হাতে শোভা পায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ফেস্টুন এবং প্ল্যাকার্ড। মাইকে প্রচার করা হয় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ এবং দেশাত্মবোধক গান। ঢাক-ঢোল বাজিয়ে, নেচে-গেয়ে আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে তারা স্মরণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

পরে বেলা ১১টায় রাজশাহী কলেজ মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর যে চক্র ক্ষমতায় ছিল, সে চক্র ভাষণটি প্রচার করতে দেয়নি। বহু বছর ভাষণটি অনাদরে পড়ে ছিল এবং এটিকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, এখন প্রমাণিত হয়েছে- মিথ্যা দিয়ে সত্যকে আড়াল করা যায় না। স্বাধীনতার মূল ঘোষণাকে যারা অস্বীকার করেছে, আজ তারাই ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। স্বীকৃতি মিলেছে, বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি পৃথিবীর অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ ভাষণ। কে মানল, কে মানল না, এটি বড় কথা নয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বিবিসির জরিপে অনেক আগেই এটি প্রমাণিত হয়েছে।

শোভাযাত্রায় অংশ নেয়ায় সবার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান। এসময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আমিনুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মাহাবুবর রহমান, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সমাজসেবী শাহীন আক্তার রেনী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মর্জিনা পারভিন, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ হবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।