ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

শরীরকে নিকোটিনের বিষ থেকে মুক্ত করার উপায়

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন স্নায়ু ও পেশীর কোষ ব্লক করে দেয়। নিকোটিন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে এ নিকোটিন খারাপ প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব।

এ তালিকায় প্রথমেই আছে ব্রোকলি। এটি ফুসফুসকে টক্সিন থেকে রক্ষা করে। ফুসফুসের কোষকে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। নিকোটিন ভিটামিন সি হ্রাস করে এবং চাপ বৃদ্ধি করে। কমলা খেলে ভিটামিন সি-এর স্তর পরিপূর্ণ হয় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা কমে।

ধূমপায়ীদের ফলিক এসিডের সাপ্লাই কম থাকে। এই এসিড মাংসপেশি, স্নায়ু এবং ব্রেইন হেলথ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন। পালং শাকে যা প্রচুর পরিমাণে থাকে।

প্রতিদিন এক কাপ গাজরের জুস পান করলে তা শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

নিকোটিন শরীরকে পানিশূন্য করে। আর নিকোটিনের দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরের যে ক্ষতি হয় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানি।   প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের হয়ে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শরীরকে নিকোটিনের বিষ থেকে মুক্ত করার উপায়

আপডেট সময় ১২:৫২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন স্নায়ু ও পেশীর কোষ ব্লক করে দেয়। নিকোটিন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে এ নিকোটিন খারাপ প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব।

এ তালিকায় প্রথমেই আছে ব্রোকলি। এটি ফুসফুসকে টক্সিন থেকে রক্ষা করে। ফুসফুসের কোষকে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। নিকোটিন ভিটামিন সি হ্রাস করে এবং চাপ বৃদ্ধি করে। কমলা খেলে ভিটামিন সি-এর স্তর পরিপূর্ণ হয় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা কমে।

ধূমপায়ীদের ফলিক এসিডের সাপ্লাই কম থাকে। এই এসিড মাংসপেশি, স্নায়ু এবং ব্রেইন হেলথ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন। পালং শাকে যা প্রচুর পরিমাণে থাকে।

প্রতিদিন এক কাপ গাজরের জুস পান করলে তা শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

নিকোটিন শরীরকে পানিশূন্য করে। আর নিকোটিনের দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরের যে ক্ষতি হয় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানি।   প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের হয়ে যায়।