ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন গ্রেপ্তার নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল ইরানে বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি জানাল শিক্ষা বোর্ড

এবার পুরুষের পেটে জন্ম নিল কন্যা শিশু

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এ বছরের শুরুর দিকে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর নিজেই প্রকাশ্যে এনেছিলেন তিনি।ব্রিটেনের প্রথম পুরুষ মা হিসেবে নজির গড়লেন ব্রিটেনের স্কট পার্কার। ১৬ জুন গ্লচেস্টারশায়ার রয়্যাল হাসপাতালে একটি কন্যা সন্তানের‌ জন্ম দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, জন্মের পরে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন স্কটের কন্যা।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ব্রিটেনবাসী স্কট বছর কয়েক আগে লিঙ্গ পরিবর্তন করে পুরুষ হন। নিজের নাম পাল্টে রাখেন হেডেন ক্রস। তবে পুরুষ হওয়ার লড়াইটা খুব একটা সহজ ছিল না হেডেনের। মহিলা হিসাবে জন্মগ্রহণ করলেও রূপান্তরকামী ছিলেন তিনি। বরাবরই পুরুষ হতে চাইতেন। পাশাপাশি আরও একটি ইচ্ছে পোষণ করে রেখেছিলেন মনে। মা হওয়ার ইচ্ছে। পুরুষ হলে সেই ইচ্ছেটা অপূর্ণই রয়ে যেত। তাই রূপান্তরের সময়ে তিনি ন্যাশনাল হেলথ‌্ সার্ভিস (এনএইচএস)-এর কাছে নিজের ডিম্বানু সংরক্ষণ করে রাখার অনুরোধ জানান। কিন্তু হেডেনের সে অনুরোধ রাখা হয়নি।

এর পর বেশ কিছু সার্জারির মাধ্যমে তিনি পুরুষ হিসেবে নিজের রূপান্তর ঘটান এবং পুরুষের আইনি স্বীকৃতিও পান। তখনও গর্ভে সন্তান ধারণের পরিকল্পনা ছিল তাঁর। এর পর ফেসবুকের মাধ্যমে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় হেডেনের, যিনি স্পার্ম ডোনেট করেন তাঁকে।
ব্রিটেনে এই ঘটনা আগে কোনও দিনই ঘটেনি। প্রথম মেল প্রেগনেন্সি কেস হিসাবে ব্রিটেনের ইতিহাসে নাম লেখা রইল তাঁর।

এ বছরের শুরুর দিকে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর নিজেই প্রকাশ্যে এনেছিলেন হেডেন। সম্প্রতি তাঁর পরিবারের তরফেও জানানো হয়, একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন হেডেন। মেয়ের নাম রেখেছেন ট্রিনিটি লেই। জন্ম শংসাপত্রে মা হিসাবেই রয়েছে হেডেন ক্রসের নাম, তবে উল্লেখ নেই বাবার নামের। আপাতত সন্তান ও হেডেন দুজনেই সুস্থ আছেন বলে জানান হেডেনের পরিবার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান

এবার পুরুষের পেটে জন্ম নিল কন্যা শিশু

আপডেট সময় ১১:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এ বছরের শুরুর দিকে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর নিজেই প্রকাশ্যে এনেছিলেন তিনি।ব্রিটেনের প্রথম পুরুষ মা হিসেবে নজির গড়লেন ব্রিটেনের স্কট পার্কার। ১৬ জুন গ্লচেস্টারশায়ার রয়্যাল হাসপাতালে একটি কন্যা সন্তানের‌ জন্ম দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, জন্মের পরে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন স্কটের কন্যা।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ব্রিটেনবাসী স্কট বছর কয়েক আগে লিঙ্গ পরিবর্তন করে পুরুষ হন। নিজের নাম পাল্টে রাখেন হেডেন ক্রস। তবে পুরুষ হওয়ার লড়াইটা খুব একটা সহজ ছিল না হেডেনের। মহিলা হিসাবে জন্মগ্রহণ করলেও রূপান্তরকামী ছিলেন তিনি। বরাবরই পুরুষ হতে চাইতেন। পাশাপাশি আরও একটি ইচ্ছে পোষণ করে রেখেছিলেন মনে। মা হওয়ার ইচ্ছে। পুরুষ হলে সেই ইচ্ছেটা অপূর্ণই রয়ে যেত। তাই রূপান্তরের সময়ে তিনি ন্যাশনাল হেলথ‌্ সার্ভিস (এনএইচএস)-এর কাছে নিজের ডিম্বানু সংরক্ষণ করে রাখার অনুরোধ জানান। কিন্তু হেডেনের সে অনুরোধ রাখা হয়নি।

এর পর বেশ কিছু সার্জারির মাধ্যমে তিনি পুরুষ হিসেবে নিজের রূপান্তর ঘটান এবং পুরুষের আইনি স্বীকৃতিও পান। তখনও গর্ভে সন্তান ধারণের পরিকল্পনা ছিল তাঁর। এর পর ফেসবুকের মাধ্যমে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় হেডেনের, যিনি স্পার্ম ডোনেট করেন তাঁকে।
ব্রিটেনে এই ঘটনা আগে কোনও দিনই ঘটেনি। প্রথম মেল প্রেগনেন্সি কেস হিসাবে ব্রিটেনের ইতিহাসে নাম লেখা রইল তাঁর।

এ বছরের শুরুর দিকে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর নিজেই প্রকাশ্যে এনেছিলেন হেডেন। সম্প্রতি তাঁর পরিবারের তরফেও জানানো হয়, একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন হেডেন। মেয়ের নাম রেখেছেন ট্রিনিটি লেই। জন্ম শংসাপত্রে মা হিসাবেই রয়েছে হেডেন ক্রসের নাম, তবে উল্লেখ নেই বাবার নামের। আপাতত সন্তান ও হেডেন দুজনেই সুস্থ আছেন বলে জানান হেডেনের পরিবার।