ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভয়াবহতম দুর্ভিক্ষের মুখে ইয়েমেন: জাতিসংঘ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইয়েমেনে প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব স্মরণকালের সবচেয়ে বড় দুর্ভিক্ষ দেখতে যাচ্ছে বলে মন্তব্র করেছেন জাতিসংঘের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। আকাশ, নৌ ও স্থলপথে অবরোধের কারণে যুদ্ধবিধস্ত ইয়েমেনে দ্রুত সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার নিরাপত্তা পরিষদে এ-সংক্রান্ত এক ব্রিফিং শেষে অবরোধ সরিয়ে নিতে সৌদি জোটের প্রতি আহ্বান জানান জাতিসংঘের মানবিক বিষয় সংক্রান্ত আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক লোকক।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাদশা খালেদ বিমানবন্দরের কাছে হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর সোমবার সৌদি জোট ইয়েমেনে প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দেয়।

তেহরান যেন আর ইয়েমেনে অস্ত্র পাঠাতে না পারে সে জন্য এই অবরোধ দেওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানিয়েছে সৌদি জোট। অন্যদিকে ইরান হুতিদের অস্ত্র দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছে।

রেডক্রস বলছে, তাদের ক্লোরিন ট্যাবলেটের একটি চালান অবরোধে আটকে গেছে। কলেরা মহামারির ঝুঁকিতে থাকা অন্তত ৯ লাখ ইয়েমেনির জন্য এই ট্যাবলেট সরবরাহ করা জরুরি। অন্যদিকে জাতিসংঘ বলছে, অবরোধের কারণে ৭ লাখ লোক দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়াবহতম দুর্ভিক্ষের মুখে ইয়েমেন: জাতিসংঘ

আপডেট সময় ০২:১৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইয়েমেনে প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব স্মরণকালের সবচেয়ে বড় দুর্ভিক্ষ দেখতে যাচ্ছে বলে মন্তব্র করেছেন জাতিসংঘের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। আকাশ, নৌ ও স্থলপথে অবরোধের কারণে যুদ্ধবিধস্ত ইয়েমেনে দ্রুত সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার নিরাপত্তা পরিষদে এ-সংক্রান্ত এক ব্রিফিং শেষে অবরোধ সরিয়ে নিতে সৌদি জোটের প্রতি আহ্বান জানান জাতিসংঘের মানবিক বিষয় সংক্রান্ত আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক লোকক।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাদশা খালেদ বিমানবন্দরের কাছে হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর সোমবার সৌদি জোট ইয়েমেনে প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দেয়।

তেহরান যেন আর ইয়েমেনে অস্ত্র পাঠাতে না পারে সে জন্য এই অবরোধ দেওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানিয়েছে সৌদি জোট। অন্যদিকে ইরান হুতিদের অস্ত্র দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছে।

রেডক্রস বলছে, তাদের ক্লোরিন ট্যাবলেটের একটি চালান অবরোধে আটকে গেছে। কলেরা মহামারির ঝুঁকিতে থাকা অন্তত ৯ লাখ ইয়েমেনির জন্য এই ট্যাবলেট সরবরাহ করা জরুরি। অন্যদিকে জাতিসংঘ বলছে, অবরোধের কারণে ৭ লাখ লোক দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে আছে।