ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্য ধারণ করেন: সিইসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কাউকে খুশি করতে নয় বরং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ‘তথ্যভিত্তিক’ কথা বলেছেন বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। জিয়াউর রহমানকে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা’ বলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমালোচনার মুখে পড়া সিইসি বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ওই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি ঘটান।

তিনি বলেন, জিয়াই বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুণঃপ্রতিষ্ঠাতা। আমি এটা ওন (ধারণ) করি। কাউকে খুশি করার জন্য বলিনি। তথ্যভিত্তিক কথা বলেছি। নূরুল হুদা বলেন, পঁচাত্তরের আগে গণতন্ত্র ছিল। পঁচাত্তর থেকে সাতাত্তর পর্যন্ত গণতন্ত্র ছিল না। জিয়াউর রহমান এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগসহ বহু দলকে নিয়ে নির্বাচনও করেন। এর মাধ্যমেই বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এসেছিল।

সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলাল উদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির সঙ্গে সংলাপে বসে গত ১৫ অক্টোবর সিইসি নূরুল হুদা দলটির নেতা সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের গুণগান করেন। এসময় তিনি বলেন, ব্যক্তি হিসেবে এবং দলনেতা হিসেবে জিয়াউর রহমান চার বছর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। তার হাত দিয়েই দেশে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠা’ পায়।

বিএনপির সঙ্গে সংলাপে ওই বক্তব্যের কারণে আওয়ামী লীগের অনেকের সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সিইসিকে। বেশ কয়েকজন মন্ত্রীও তাকে নিয়ে বক্তব্য দেন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) সংলাপ–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সংলাপে আসা চার শতাধিক সুপারিশ কিছু সাংবিধানিক, কিছু আইনসংক্রান্ত আর কিছু নির্বাচন কমিশনের করণীয়—এই তিনভাগে ভাগ করা যায়।

তিনি বলেন, এর মধ্যে যেসব সুপারিশ নির্বাচন কমিশনের নিজের পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব, সেগুলো ইসি বাস্তবায়ন করবে। যেগুলো সুপারিশের জন্য আইন প্রণয়ন করতে হবে, সেগুলো সরকারের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে পাঠানো হবে। আর যেগুলো সংবিধানসংক্রান্ত বিষয়, সেগুলো সরকারের কাছে পাঠানো হবে। সিইসি বলেন, যখন, যেভাবে আইন থাকে, তখন সেভাবেই নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালন করেছে। আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্য ধারণ করেন: সিইসি

আপডেট সময় ০৮:৩২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কাউকে খুশি করতে নয় বরং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ‘তথ্যভিত্তিক’ কথা বলেছেন বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। জিয়াউর রহমানকে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা’ বলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমালোচনার মুখে পড়া সিইসি বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ওই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি ঘটান।

তিনি বলেন, জিয়াই বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুণঃপ্রতিষ্ঠাতা। আমি এটা ওন (ধারণ) করি। কাউকে খুশি করার জন্য বলিনি। তথ্যভিত্তিক কথা বলেছি। নূরুল হুদা বলেন, পঁচাত্তরের আগে গণতন্ত্র ছিল। পঁচাত্তর থেকে সাতাত্তর পর্যন্ত গণতন্ত্র ছিল না। জিয়াউর রহমান এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। আওয়ামী লীগসহ বহু দলকে নিয়ে নির্বাচনও করেন। এর মাধ্যমেই বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এসেছিল।

সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলাল উদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির সঙ্গে সংলাপে বসে গত ১৫ অক্টোবর সিইসি নূরুল হুদা দলটির নেতা সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের গুণগান করেন। এসময় তিনি বলেন, ব্যক্তি হিসেবে এবং দলনেতা হিসেবে জিয়াউর রহমান চার বছর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। তার হাত দিয়েই দেশে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠা’ পায়।

বিএনপির সঙ্গে সংলাপে ওই বক্তব্যের কারণে আওয়ামী লীগের অনেকের সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সিইসিকে। বেশ কয়েকজন মন্ত্রীও তাকে নিয়ে বক্তব্য দেন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) সংলাপ–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সংলাপে আসা চার শতাধিক সুপারিশ কিছু সাংবিধানিক, কিছু আইনসংক্রান্ত আর কিছু নির্বাচন কমিশনের করণীয়—এই তিনভাগে ভাগ করা যায়।

তিনি বলেন, এর মধ্যে যেসব সুপারিশ নির্বাচন কমিশনের নিজের পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব, সেগুলো ইসি বাস্তবায়ন করবে। যেগুলো সুপারিশের জন্য আইন প্রণয়ন করতে হবে, সেগুলো সরকারের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে পাঠানো হবে। আর যেগুলো সংবিধানসংক্রান্ত বিষয়, সেগুলো সরকারের কাছে পাঠানো হবে। সিইসি বলেন, যখন, যেভাবে আইন থাকে, তখন সেভাবেই নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালন করেছে। আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।