ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ অল্পতেই ধৈর্য হারালে দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন: ডা. শফিকুর রহমান ‘ব্রেন ড্রেন’ থেকে ‘ব্রেন সার্কুলেশন’ করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন ধর্মান্তরিত হয়ে প্রবাসীকে বিয়ে, ছয় মাস পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আজ চুক্তি সই হলো। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এছাড়া আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে। নৌপরিবহন অধিদফতর ও কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে তিনটি বাতিঘর আছে। কুতুবদিয়ায় ১৮৪৬ সালে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়। কক্সবাজারে ও সেন্টমার্টিনে ১৯৭৬ সালে স্থাপন করা হয় বাকি দু`টি। এগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে বাতিঘর হবে সাতটি।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে যথাসময়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন না হলে আইএমও’র হোয়াইট লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাংলাদেশের সমুদ্রপথে আমদানিকৃত প্রায় ৯৩ শতাংশ বাণিজ্য ব্যাহত হওয়াসহ বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং আইএমও’র আবশ্যকীয় চাহিদার বাধ্যবাধকতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:২৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আজ চুক্তি সই হলো। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এছাড়া আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে। নৌপরিবহন অধিদফতর ও কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে তিনটি বাতিঘর আছে। কুতুবদিয়ায় ১৮৪৬ সালে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়। কক্সবাজারে ও সেন্টমার্টিনে ১৯৭৬ সালে স্থাপন করা হয় বাকি দু`টি। এগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে বাতিঘর হবে সাতটি।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে যথাসময়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন না হলে আইএমও’র হোয়াইট লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাংলাদেশের সমুদ্রপথে আমদানিকৃত প্রায় ৯৩ শতাংশ বাণিজ্য ব্যাহত হওয়াসহ বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং আইএমও’র আবশ্যকীয় চাহিদার বাধ্যবাধকতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি।