ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত যুব জামায়াত নেতার কাণ্ড; বিধবা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাতের অভিযোগ:দল থেকে সদস্যপদ স্থগিত মানবতার মুক্তিতে ইসলামের আদর্শের বিজয়ের বিকল্প নেই: চরমোনাই পীর সব প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য:জহির উদ্দিন স্বপন হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আজ চুক্তি সই হলো। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এছাড়া আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে। নৌপরিবহন অধিদফতর ও কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে তিনটি বাতিঘর আছে। কুতুবদিয়ায় ১৮৪৬ সালে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়। কক্সবাজারে ও সেন্টমার্টিনে ১৯৭৬ সালে স্থাপন করা হয় বাকি দু`টি। এগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে বাতিঘর হবে সাতটি।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে যথাসময়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন না হলে আইএমও’র হোয়াইট লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাংলাদেশের সমুদ্রপথে আমদানিকৃত প্রায় ৯৩ শতাংশ বাণিজ্য ব্যাহত হওয়াসহ বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং আইএমও’র আবশ্যকীয় চাহিদার বাধ্যবাধকতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:২৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আজ চুক্তি সই হলো। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এছাড়া আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে। নৌপরিবহন অধিদফতর ও কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে তিনটি বাতিঘর আছে। কুতুবদিয়ায় ১৮৪৬ সালে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়। কক্সবাজারে ও সেন্টমার্টিনে ১৯৭৬ সালে স্থাপন করা হয় বাকি দু`টি। এগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে বাতিঘর হবে সাতটি।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে যথাসময়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন না হলে আইএমও’র হোয়াইট লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাংলাদেশের সমুদ্রপথে আমদানিকৃত প্রায় ৯৩ শতাংশ বাণিজ্য ব্যাহত হওয়াসহ বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং আইএমও’র আবশ্যকীয় চাহিদার বাধ্যবাধকতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি।