ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আজ চুক্তি সই হলো। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এছাড়া আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে। নৌপরিবহন অধিদফতর ও কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে তিনটি বাতিঘর আছে। কুতুবদিয়ায় ১৮৪৬ সালে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়। কক্সবাজারে ও সেন্টমার্টিনে ১৯৭৬ সালে স্থাপন করা হয় বাকি দু`টি। এগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে বাতিঘর হবে সাতটি।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে যথাসময়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন না হলে আইএমও’র হোয়াইট লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাংলাদেশের সমুদ্রপথে আমদানিকৃত প্রায় ৯৩ শতাংশ বাণিজ্য ব্যাহত হওয়াসহ বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং আইএমও’র আবশ্যকীয় চাহিদার বাধ্যবাধকতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আশকোনা হজ ক্যাম্পে বিমানের টিকিট বিক্রির নতুন সময় ঘোষণা

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:২৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আজ চুক্তি সই হলো। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এছাড়া আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে। নৌপরিবহন অধিদফতর ও কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে তিনটি বাতিঘর আছে। কুতুবদিয়ায় ১৮৪৬ সালে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়। কক্সবাজারে ও সেন্টমার্টিনে ১৯৭৬ সালে স্থাপন করা হয় বাকি দু`টি। এগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে বাতিঘর হবে সাতটি।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে যথাসময়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন না হলে আইএমও’র হোয়াইট লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাংলাদেশের সমুদ্রপথে আমদানিকৃত প্রায় ৯৩ শতাংশ বাণিজ্য ব্যাহত হওয়াসহ বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং আইএমও’র আবশ্যকীয় চাহিদার বাধ্যবাধকতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি।