ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আজ চুক্তি সই হলো। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এছাড়া আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে। নৌপরিবহন অধিদফতর ও কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে তিনটি বাতিঘর আছে। কুতুবদিয়ায় ১৮৪৬ সালে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়। কক্সবাজারে ও সেন্টমার্টিনে ১৯৭৬ সালে স্থাপন করা হয় বাকি দু`টি। এগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে বাতিঘর হবে সাতটি।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে যথাসময়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন না হলে আইএমও’র হোয়াইট লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাংলাদেশের সমুদ্রপথে আমদানিকৃত প্রায় ৯৩ শতাংশ বাণিজ্য ব্যাহত হওয়াসহ বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং আইএমও’র আবশ্যকীয় চাহিদার বাধ্যবাধকতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:২৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আজ চুক্তি সই হলো। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এছাড়া আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে সাতটি বাতিঘর নির্মাণের কাজ শেষ হবে। নৌপরিবহন অধিদফতর ও কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার তিনি এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে তিনটি বাতিঘর আছে। কুতুবদিয়ায় ১৮৪৬ সালে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়। কক্সবাজারে ও সেন্টমার্টিনে ১৯৭৬ সালে স্থাপন করা হয় বাকি দু`টি। এগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে বাতিঘর হবে সাতটি।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে যথাসময়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন না হলে আইএমও’র হোয়াইট লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাংলাদেশের সমুদ্রপথে আমদানিকৃত প্রায় ৯৩ শতাংশ বাণিজ্য ব্যাহত হওয়াসহ বাংলাদেশের অর্থনীতির চলমান গতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং আইএমও’র আবশ্যকীয় চাহিদার বাধ্যবাধকতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি।