ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু

এক দিনে ১৩ উইকেট হারিয়ে ইনিংস হারের মুখে অস্ট্রেলিয়া

গেবেখা টেস্টের চতুর্থ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের দাপটে চরম বিপদে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ১ উইকেটে ৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করে প্যাট কামিন্সের দল মাত্র ৯৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়। এরপর ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় দফায় ব্যাটিংয়ে নেমেও আরও ৪টি উইকেট হারায় তারা। সব মিলিয়ে এক দিনেই ১৩টি উইকেট খুইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ইনিংস হারের তীব্র শঙ্কার মুখে পড়েছে অজিরা। দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫৬ রান, তবে ইনিংস এড়াতে হলে এখনো ১৭০ রান প্রয়োজন। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪ উইকেট হারিয়েছে তারা। সব মিলিয়ে এক দিনেই ১৩ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইনিংস হারের শঙ্কায় পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।

টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ ইতিহাসে অজিদের জন্য এক দিনে ১৩ উইকেট হারানোর ঘটনা বিরল। এর আগে ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে সিডনিতে অ্যাশেজ টেস্টে এক দিনে এতগুলো উইকেট হারিয়েছিল তারা। সিরিজের প্রথম টেস্টে জয় পেলেও গেবেখায় প্রোটিয়া পেসার মার্কো ইয়ানসেনের বোলিং তোপে পড়ে অজি ব্যাটাররা। তিনি ৩৩ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেন। তাঁর সঙ্গে কাগিসো রাবাদা ও উইয়ান মুল্ডার ২টি করে উইকেট নিলে ৪২.৪ ওভারেই গুটিয়ে যায় সফরকারীদের প্রথম ইনিংস। প্রথম ইনিংসে দলের কোনো ব্যাটার ৩০ রানের মুখ দেখেননি; স্টিভ স্মিথের ব্যাট থেকে আসে দলীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান। অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটসম্যান ৩০ রানেও পৌঁছাতে পারেননি।

প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪২৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করা দক্ষিণ আফ্রিকা পেয়েছিল ৩২৬ রানের বড় লিড। ফলে অজিদের ফলোঅন করাতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে নিক ম্যাডিনসন ৮ রানে বিদায় নেওয়ার পর ট্রাভিস হেড ও মারনাস লাবুশেন ৯২ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালান। তবে ৩৯ রান করা লাবুশেনকে ফিরিয়ে ইনিংসে প্রথম আঘাত হানেন স্পাইনার সাইমন হারমার। পরে তিনি বো ওয়েবস্টারকেও সাজঘরে পাঠান এবং রাবাদা আউট করেন ম্যাট রেনশকে। নিক ম্যাডিনসন ৮ রান করে আউট হয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে এ দুজনের জুটিতে যোগ হয় ৯২ রান।

এক প্রান্ত ধরে রেখে ১৩৮ বলে ৮৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন ট্রাভিস হেড। দিনের শুরুতে ব্যক্তিগত ৯ রানে থাকার সময় ইয়ানসেনের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যাওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানই এখন দলের আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন। অন্যদিকে ঘাড়ের চোটে ভোগায় চার নম্বরে ব্যাট করতে নামেননি স্টিভ স্মিথ। খেলার পঞ্চম ও শেষ দিনে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ইনিংস হার কাটানোর জন্য আরও ১৭০ রান তোলার কঠিন চ্যালেঞ্জ, আর জয়ের জন্য স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ৬টি উইকেট।

আপলোডকারীর তথ্য

সৌদিতে ফ্লাইট চালুর ঘোষণা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের

এক দিনে ১৩ উইকেট হারিয়ে ইনিংস হারের মুখে অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় ১১:১৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

গেবেখা টেস্টের চতুর্থ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের দাপটে চরম বিপদে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ১ উইকেটে ৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করে প্যাট কামিন্সের দল মাত্র ৯৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়। এরপর ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় দফায় ব্যাটিংয়ে নেমেও আরও ৪টি উইকেট হারায় তারা। সব মিলিয়ে এক দিনেই ১৩টি উইকেট খুইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ইনিংস হারের তীব্র শঙ্কার মুখে পড়েছে অজিরা। দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫৬ রান, তবে ইনিংস এড়াতে হলে এখনো ১৭০ রান প্রয়োজন। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪ উইকেট হারিয়েছে তারা। সব মিলিয়ে এক দিনেই ১৩ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইনিংস হারের শঙ্কায় পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।

টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ ইতিহাসে অজিদের জন্য এক দিনে ১৩ উইকেট হারানোর ঘটনা বিরল। এর আগে ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে সিডনিতে অ্যাশেজ টেস্টে এক দিনে এতগুলো উইকেট হারিয়েছিল তারা। সিরিজের প্রথম টেস্টে জয় পেলেও গেবেখায় প্রোটিয়া পেসার মার্কো ইয়ানসেনের বোলিং তোপে পড়ে অজি ব্যাটাররা। তিনি ৩৩ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেন। তাঁর সঙ্গে কাগিসো রাবাদা ও উইয়ান মুল্ডার ২টি করে উইকেট নিলে ৪২.৪ ওভারেই গুটিয়ে যায় সফরকারীদের প্রথম ইনিংস। প্রথম ইনিংসে দলের কোনো ব্যাটার ৩০ রানের মুখ দেখেননি; স্টিভ স্মিথের ব্যাট থেকে আসে দলীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান। অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটসম্যান ৩০ রানেও পৌঁছাতে পারেননি।

প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪২৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করা দক্ষিণ আফ্রিকা পেয়েছিল ৩২৬ রানের বড় লিড। ফলে অজিদের ফলোঅন করাতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে নিক ম্যাডিনসন ৮ রানে বিদায় নেওয়ার পর ট্রাভিস হেড ও মারনাস লাবুশেন ৯২ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালান। তবে ৩৯ রান করা লাবুশেনকে ফিরিয়ে ইনিংসে প্রথম আঘাত হানেন স্পাইনার সাইমন হারমার। পরে তিনি বো ওয়েবস্টারকেও সাজঘরে পাঠান এবং রাবাদা আউট করেন ম্যাট রেনশকে। নিক ম্যাডিনসন ৮ রান করে আউট হয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে এ দুজনের জুটিতে যোগ হয় ৯২ রান।

এক প্রান্ত ধরে রেখে ১৩৮ বলে ৮৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন ট্রাভিস হেড। দিনের শুরুতে ব্যক্তিগত ৯ রানে থাকার সময় ইয়ানসেনের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যাওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানই এখন দলের আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন। অন্যদিকে ঘাড়ের চোটে ভোগায় চার নম্বরে ব্যাট করতে নামেননি স্টিভ স্মিথ। খেলার পঞ্চম ও শেষ দিনে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ইনিংস হার কাটানোর জন্য আরও ১৭০ রান তোলার কঠিন চ্যালেঞ্জ, আর জয়ের জন্য স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ৬টি উইকেট।