ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ে হামলা ও লুটপাট

রাজধানীর হাজারীবাগে এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের প্রধান গুদাম ও কার্যালয়ে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে শিকদার মেডিকেল কলেজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মুখোশ ও হেলমেটধারী শতাধিক ব্যক্তি প্রথমে আশেপাশের ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরা অকেজো করে দেয়। এরপর দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানটির সিসিটিভি ক্যামেরা ও ফুটেজ সংরক্ষণের ডিভাইস (ডিভিআর) খুলে নিয়ে যায় এবং বেশ কিছু ল্যাপটপ ও মূল্যবান পণ্য লুট করে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ জে আর গ্রুপের কর্মকর্তারা।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুই বছর আগে শিকদার গ্রুপের কাছ থেকে জমিটি চুক্তির মাধ্যমে ভাড়া নিয়ে সেখানে তাদের প্রধান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নিয়মিত ভাড়াও পরিশোধ করা হচ্ছে। তবে হামলার সময় সন্ত্রাসীরা দাবি করে যে, শিকদার গ্রুপের মালিকের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। এ সময় তারা শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম উল্লেখ করে হুমকি দেয় যে, এখন থেকে জমির ভাড়া তাকে দিতে হবে। অন্যথায় ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। এই কার্যালয়টি থেকে প্রতিদিন চার শতাধিক গাড়ির মাধ্যমে সারা দেশে পণ্য পরিবহন করা হয়, তবে হামলার পর থেকে বর্তমানে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কার্যালয়টি থেকে প্রতিদিন ৪০০ গাড়ি সারা দেশে পণ্য আনা নেওয়ার কাজ করে। সন্ত্রাসীরা মুখোশ ও হেলমেট পরা ছিল।

ঘটনার বিষয়ে হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্ত্রাসীরা শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম ব্যবহার করে এই হামলা ও হুমকি প্রদান করেছে। পুলিশ পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে এবং অপরাধী চক্রকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

সৌদি সুরক্ষায় টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করল যুক্তরাজ্য

হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ে হামলা ও লুটপাট

আপডেট সময় ০১:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর হাজারীবাগে এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের প্রধান গুদাম ও কার্যালয়ে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে শিকদার মেডিকেল কলেজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মুখোশ ও হেলমেটধারী শতাধিক ব্যক্তি প্রথমে আশেপাশের ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরা অকেজো করে দেয়। এরপর দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। হামলাকারীরা প্রতিষ্ঠানটির সিসিটিভি ক্যামেরা ও ফুটেজ সংরক্ষণের ডিভাইস (ডিভিআর) খুলে নিয়ে যায় এবং বেশ কিছু ল্যাপটপ ও মূল্যবান পণ্য লুট করে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ জে আর গ্রুপের কর্মকর্তারা।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুই বছর আগে শিকদার গ্রুপের কাছ থেকে জমিটি চুক্তির মাধ্যমে ভাড়া নিয়ে সেখানে তাদের প্রধান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নিয়মিত ভাড়াও পরিশোধ করা হচ্ছে। তবে হামলার সময় সন্ত্রাসীরা দাবি করে যে, শিকদার গ্রুপের মালিকের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। এ সময় তারা শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম উল্লেখ করে হুমকি দেয় যে, এখন থেকে জমির ভাড়া তাকে দিতে হবে। অন্যথায় ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। এই কার্যালয়টি থেকে প্রতিদিন চার শতাধিক গাড়ির মাধ্যমে সারা দেশে পণ্য পরিবহন করা হয়, তবে হামলার পর থেকে বর্তমানে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কার্যালয়টি থেকে প্রতিদিন ৪০০ গাড়ি সারা দেশে পণ্য আনা নেওয়ার কাজ করে। সন্ত্রাসীরা মুখোশ ও হেলমেট পরা ছিল।

ঘটনার বিষয়ে হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্ত্রাসীরা শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম ব্যবহার করে এই হামলা ও হুমকি প্রদান করেছে। পুলিশ পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে এবং অপরাধী চক্রকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।